ঢাকা ০৫:২১ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬, ২০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতির দিকে এগোচ্ছে দেশ: অর্থমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৩:৪৫:০৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ জুলাই ২০২৬
  • / 12

দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ যেভাবে আকৃষ্ট করা হচ্ছে, তাতে এক ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতির দিকে এগোচ্ছে দেশ— এমন মন্তব্য করেছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট ঘোষণার পর প্রথমবার নিজ শহর চট্টগ্রামে গিয়ে আজ শনিবার (৪ জুলাই) তিনি এ মন্তব্য করেন।

আমির খসরু আরও বলেছেন, চট্টগ্রামে সম্ভাবনার খাত অনেক বেশি। এই নগরী হবে অর্থনীতির লজিস্টিক হাব। চট্টগ্রাম অর্থনৈতিক লজিস্টিক হাব হওয়ার সম্ভাবনা বাজেটে প্রতিফলন হয়েছে।

চট্টগ্রামের আনোয়ারায় ৬শ’ একর জমিতে ফ্রি ট্রেড জোন স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে বলেও উল্লেখ করেন বিএনপির এ জ্যেষ্ঠ নেতা।

গত এপ্রিলে সরকারি দলের এক সংসদ সদস্যের প্রশ্নের জবাবে সংসদে আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছিলেন, বর্তমান সরকারের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হলো— ২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে উন্নীত করা। এ লক্ষ্য অর্জনে বিনিয়োগ বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, অর্থনৈতিক গণতন্ত্রায়ণ, ক্রিয়েটিভ অর্থনীতি ও স্পোর্টস অর্থনীতিকে গুরুত্ব দিয়ে সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতির দিকে এগোচ্ছে দেশ: অর্থমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০৩:৪৫:০৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ জুলাই ২০২৬

দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ যেভাবে আকৃষ্ট করা হচ্ছে, তাতে এক ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতির দিকে এগোচ্ছে দেশ— এমন মন্তব্য করেছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট ঘোষণার পর প্রথমবার নিজ শহর চট্টগ্রামে গিয়ে আজ শনিবার (৪ জুলাই) তিনি এ মন্তব্য করেন।

আমির খসরু আরও বলেছেন, চট্টগ্রামে সম্ভাবনার খাত অনেক বেশি। এই নগরী হবে অর্থনীতির লজিস্টিক হাব। চট্টগ্রাম অর্থনৈতিক লজিস্টিক হাব হওয়ার সম্ভাবনা বাজেটে প্রতিফলন হয়েছে।

চট্টগ্রামের আনোয়ারায় ৬শ’ একর জমিতে ফ্রি ট্রেড জোন স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে বলেও উল্লেখ করেন বিএনপির এ জ্যেষ্ঠ নেতা।

গত এপ্রিলে সরকারি দলের এক সংসদ সদস্যের প্রশ্নের জবাবে সংসদে আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছিলেন, বর্তমান সরকারের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হলো— ২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে উন্নীত করা। এ লক্ষ্য অর্জনে বিনিয়োগ বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, অর্থনৈতিক গণতন্ত্রায়ণ, ক্রিয়েটিভ অর্থনীতি ও স্পোর্টস অর্থনীতিকে গুরুত্ব দিয়ে সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে।