কুমিল্লায় বাস-প্রাইভেটকার সংঘর্ষে ৫ জন নিহত
- আপডেট সময় : ১১:০২:১৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬
- / 36
কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলায় যাত্রীবাহী বাস ও প্রাইভেটকারের মুখোমুখি সংঘর্ষে এক শিশুসহ পাঁচজন নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সন্ধ্যা ৬টার দিকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কালাকচুয়া এলাকার মিয়ামি হোটেলের সামনে এই দুর্ঘটনা ঘটে। এতে গুরুতর আহত হয়েছেন আরও অন্তত তিনজন। নিহতরা সবাই প্রাইভেটকারের যাত্রী ছিলেন বলে নিশ্চিত করেছে পুলিশ।
নিহতদের মধ্যে চারজন খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা ফয়সাল আহমাদের বোনের পরিবারের সদস্য। তারা হলেন- মাওলানা ফয়সাল আহমেদের বোন ঝর্না বেগম (৪০), ভগ্নিপতি মুফতি আব্দুল মমিন (৫০), ভাগনি লাবিবা (১৮) এবং ভাগনে সাইফ (৭)। তারা সবাই নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার ছাতারপাইয়া ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা। নিহত অপরজন গাড়ির চালক জামাল হোসেন। তিনি বরিশালের বাসিন্দা।
কুমিল্লায় বাস-ট্রেন সংঘর্ষ: এক লাখ টাকা করে পাবে নিহত ১২ জনের পরিবার
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, সন্ধ্যা ৬টার দিকে কালাকচুয়া এলাকায় ফেনীমুখী স্টারলাইন পরিবহনের একটি দ্রুতগামী বাস বিপরীত দিক থেকে আসা একটি প্রাইভেটকারকে প্রচণ্ড জোরে ধাক্কা দেয়। এতে প্রাইভেটকারটি দুমড়ে-মুচড়ে রাস্তার পাশে ছিটকে পড়ে।
পুলিশ জানায়, চট্টগ্রামের দিকে যাচ্ছিল একটি প্রাইভেট কার। এ সময় মহাসড়কের কালাকচুয়ায় এলে চট্টগ্রামগামী স্টার লাইন বাস প্রাইভেট কারটিকে ধাক্কা দিলে ঘটনাস্থলেই চারজনের মৃত্যু হয়। চালক জামাল হোসেন এবং যাত্রী আবরারকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক চালক জামালকে মৃত ঘোষণা করেন। আবরার বর্তমানে সেখানে চিকিৎসাধীন আছেন।
আহতদের মধ্যে তিনজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। তাদের কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্ট জেনারেল হাসপাতাল ও কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
ওসি আব্দুল মমিন বলেন, ঘটনার পর চালক বাসটি ফেলে পালিয়ে গেছেন। আমরা বাসটিকে আটক করেছি। নিহতদের মরদেহ স্বজনদের কাছে আইনি প্রক্রিয়ায় শেষে হস্তান্তর করা হবে।
ঘটনার পর স্টারলাইন পরিবহনের বাসের চালক ও হেলপার পালিয়ে গেছে। এ বিষয়ে একটি মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছে হাইওয়ে থানা পুলিশ।




















নিরাপত্তা কৌশল যেন সরকারপ্রধানকে জনগণ থেকে দূরে ঠেলে না দেয়: প্রধানমন্ত্রী