ঢাকা ০৩:০৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জাতীয় নির্বাচনের দিনেই সব সংস্কার প্রস্তাবে জনগণের ‘হ্যাঁ-না’ ভোট চায় বিএনপি

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১০:৩৭:৫৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৫
  • / 58

জাতীয় নির্বাচনের দিনেই আলাদা ব্যালটে গণভোটের মাধ্যমে সংস্কার কমিশনের সব সংস্কার প্রস্তাব জনগণ চায় কি না, সে বিষয়ে ‘হ্যাঁ’ অধবা ‘না’ ভোটের প্রস্তাব দিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ। আজ (শনিবার, ৪ অক্টোবর) ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এনডিপি) ৩৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে এক আলোচনা সভায় এমন মন্তব্য করেন তিনি।

সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘যারাই পার্লামেন্টে যাবে তাদের দায়বদ্ধতা থাকবে এবং আগামী দিনে যেসব সংস্কার কর্মসূচিতে আমরা জাতীয় ঐকমত্য কমিশনে ঐকমত্য হয়েছি, সেগুলো বাস্তবায়নে তারা দায়বদ্ধ থাকবে, প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থাকবে।’

তিনি বলেন, ‘এখন কথা উঠছে, এ সনদ বাস্তবায়নের ভিত্তিতেই নাকি আগামী নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে হবে। অবশ্যই! যেসব প্রতিশ্রুতির জন্য জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের মাধ্যমে সবাই ঐকমত্য হয়েছে, সেগুলোর বাস্তবায়ন তো হয়েই যাচ্ছে। শুধু সংবিধানের অংশটুকু বাস্তবায়নের জন্য পরবর্তী পার্লামেন্টের প্রয়োজন, সেই অংশগুলোতে প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের জন্য পরবর্তী জাতীয় সংসদকেই দায়িত্ব দিতে হবে—এটা হচ্ছে আমাদের বক্তব্য।’

বিএনপি ক্ষমতায় আসলে কৃষকদের ফারমার্স কার্ড করে দেয়া হবে: টুকু

তিনি আরও বলেন, ‘কেউ কেউ বলছে, এই দাবি এখনই বাস্তবায়ন করতে হবে, কনস্টিটিউশনাল অর্ডারের মধ্য দিয়ে। এখানে সুস্পষ্ট বক্তব্য হচ্ছে, কনস্টিটিউশনাল অর্ডার কে জারি করবে? বাংলাদেশের জনগণ কাকে ক্ষমতা দিয়েছে সেটার? কোন ফোরামে জাতীয় সংসদ ছাড়া এ সংসদ পরিবর্তন করা যায়? সেজন্য আসুন, আমি আহ্বান জানিয়েছি, সুপ্রিম কোর্টের মতামত নিই যে, এ সরকারের সেই সংবিধান পরিবর্তনের ক্ষমতা আছে কি না; অন্য কোনো প্রক্রিয়ায়, অন্য কোনো কর্তৃপক্ষ, জাতীয় ঐকমত্য কমিশন বা কোনো রাজনৈতিক দল সেই সংবিধান পরিবর্তনের ক্ষমতা রাখে কি না।’

সাংবিধানিক প্রক্রিয়া ছাড়া যেনতেনভাবে পরিবর্তন করা যায় না, যদি হয় তাহলে ভবিষ্যতের জন্য বাজে নজির হয়ে থাকবে বলে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমরা বলেছি নির্বাচনের দিনে, একই দিনে আরেকটা ব্যালটের মাধ্যমে গণভোটের সেই রায় নেয়া যাবে, যে এই সংস্কারের মধ্যে ঐকমত্য কমিশনের কাছে আমরা যারা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হয়েছি সব রাজনৈতিক দল, সেই প্রতিশ্রুতির পক্ষে জনগণ আছে কি না, সেই সনদের পক্ষে জনগণ আছে কি না, হ্যাঁ অথবা না বলুন।’

বিএনপির এ জ্যৈষ্ঠ নেতা জানান, পিআর পদ্ধতি স্থায়ীভাবে রাষ্ট্রে অস্থিতিশীলতা তৈরি করে। বাংলাদেশকে এ পরিস্থিতির মধ্যে বিএনপি নিয়ে যেতে পারে না বলেও জানান তিনি।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

জাতীয় নির্বাচনের দিনেই সব সংস্কার প্রস্তাবে জনগণের ‘হ্যাঁ-না’ ভোট চায় বিএনপি

আপডেট সময় : ১০:৩৭:৫৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৫

জাতীয় নির্বাচনের দিনেই আলাদা ব্যালটে গণভোটের মাধ্যমে সংস্কার কমিশনের সব সংস্কার প্রস্তাব জনগণ চায় কি না, সে বিষয়ে ‘হ্যাঁ’ অধবা ‘না’ ভোটের প্রস্তাব দিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ। আজ (শনিবার, ৪ অক্টোবর) ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এনডিপি) ৩৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে এক আলোচনা সভায় এমন মন্তব্য করেন তিনি।

সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘যারাই পার্লামেন্টে যাবে তাদের দায়বদ্ধতা থাকবে এবং আগামী দিনে যেসব সংস্কার কর্মসূচিতে আমরা জাতীয় ঐকমত্য কমিশনে ঐকমত্য হয়েছি, সেগুলো বাস্তবায়নে তারা দায়বদ্ধ থাকবে, প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থাকবে।’

তিনি বলেন, ‘এখন কথা উঠছে, এ সনদ বাস্তবায়নের ভিত্তিতেই নাকি আগামী নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে হবে। অবশ্যই! যেসব প্রতিশ্রুতির জন্য জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের মাধ্যমে সবাই ঐকমত্য হয়েছে, সেগুলোর বাস্তবায়ন তো হয়েই যাচ্ছে। শুধু সংবিধানের অংশটুকু বাস্তবায়নের জন্য পরবর্তী পার্লামেন্টের প্রয়োজন, সেই অংশগুলোতে প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের জন্য পরবর্তী জাতীয় সংসদকেই দায়িত্ব দিতে হবে—এটা হচ্ছে আমাদের বক্তব্য।’

বিএনপি ক্ষমতায় আসলে কৃষকদের ফারমার্স কার্ড করে দেয়া হবে: টুকু

তিনি আরও বলেন, ‘কেউ কেউ বলছে, এই দাবি এখনই বাস্তবায়ন করতে হবে, কনস্টিটিউশনাল অর্ডারের মধ্য দিয়ে। এখানে সুস্পষ্ট বক্তব্য হচ্ছে, কনস্টিটিউশনাল অর্ডার কে জারি করবে? বাংলাদেশের জনগণ কাকে ক্ষমতা দিয়েছে সেটার? কোন ফোরামে জাতীয় সংসদ ছাড়া এ সংসদ পরিবর্তন করা যায়? সেজন্য আসুন, আমি আহ্বান জানিয়েছি, সুপ্রিম কোর্টের মতামত নিই যে, এ সরকারের সেই সংবিধান পরিবর্তনের ক্ষমতা আছে কি না; অন্য কোনো প্রক্রিয়ায়, অন্য কোনো কর্তৃপক্ষ, জাতীয় ঐকমত্য কমিশন বা কোনো রাজনৈতিক দল সেই সংবিধান পরিবর্তনের ক্ষমতা রাখে কি না।’

সাংবিধানিক প্রক্রিয়া ছাড়া যেনতেনভাবে পরিবর্তন করা যায় না, যদি হয় তাহলে ভবিষ্যতের জন্য বাজে নজির হয়ে থাকবে বলে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমরা বলেছি নির্বাচনের দিনে, একই দিনে আরেকটা ব্যালটের মাধ্যমে গণভোটের সেই রায় নেয়া যাবে, যে এই সংস্কারের মধ্যে ঐকমত্য কমিশনের কাছে আমরা যারা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হয়েছি সব রাজনৈতিক দল, সেই প্রতিশ্রুতির পক্ষে জনগণ আছে কি না, সেই সনদের পক্ষে জনগণ আছে কি না, হ্যাঁ অথবা না বলুন।’

বিএনপির এ জ্যৈষ্ঠ নেতা জানান, পিআর পদ্ধতি স্থায়ীভাবে রাষ্ট্রে অস্থিতিশীলতা তৈরি করে। বাংলাদেশকে এ পরিস্থিতির মধ্যে বিএনপি নিয়ে যেতে পারে না বলেও জানান তিনি।