ঢাকা ০১:৫৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ১০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

‘লন্ডনের ফিলিস্তিনপন্থী বিক্ষোভ ইহুদি জাতির প্রতি ঘৃণার উৎসব’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১১:১৩:০০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ অক্টোবর ২০২৫
  • / 40

ব্রিটেনের কনজারভেটিভ পার্টির নেতা কেমি বাডেনোক ফিলিস্তিনপন্থী বিক্ষোভকারীদের সমালোচনা করে বলেছেন, গাজায় ইসরায়েলের কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে এসব প্রতিবাদ আসলে ঘৃণার উৎসব এবং ইহুদি জনগণের বিরুদ্ধে সহিংসতা উসকে দিচ্ছে।

রোববার (০৫ অক্টোবর) ম্যানচেস্টারে কনজারভেটিভ পার্টির সম্মেলনে ভাষণ দেওয়ার সময় তিনি এ মন্তব্য করেন। এর কয়েক দিন আগে শহরটির একটি সিনাগগে হামলায় দুই ইহুদি উপাসক নিহত হন।

বাডেনোক ওই হামলাকে ভয়াবহ ও নিন্দনীয় বলে উল্লেখ করে বলেন, “এটি আমাদের সবার ওপর আঘাত। আমাদের মানবতা, স্বাধীনতা, সহমর্মিতা ও শ্রদ্ধাবোধের মূল্যবোধের ওপর আঘাত।”

তিনি আরও বলেন, ইহুদি সম্প্রদায়ের কাছে এই হামলা অপ্রত্যাশিত নয়, কারণ দীর্ঘদিন ধরে যুক্তরাজ্যে “চরমপন্থা অনিয়ন্ত্রিতভাবে বেড়ে উঠছে।”

মন্ত্রিসভা প্রকাশের কয়েক ঘণ্টা পর পদত্যাগ করলেন ফ্রান্সের নতুন প্রধানমন্ত্রী

“আমরা দেখি, এটি কীভাবে আমাদের শহরের রাস্তায় লজ্জাজনক আচরণের মাধ্যমে প্রকাশ পায়। এসব বিক্ষোভ আসলে ইহুদি জাতির মাতৃভূমির বিরুদ্ধে ঘৃণার উৎসব,” বলেন বাডেনোক।

রোববার লন্ডনের কেন্দ্রস্থলে আরেকটি বড় ফিলিস্তিনপন্থী সমাবেশে প্রায় ৫০০ জনকে আটক করে পুলিশ, যদিও প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ওই হামলার পর বিক্ষোভ স্থগিতের আহ্বান জানিয়েছিলেন।

বাডেনোক বলেন, “এ ধরনের বিক্ষোভে শোনা নির্বোধ স্লোগানগুলোর অর্থ একটাই—ইহুদিদের বিরুদ্ধে সহিংসতা।”

তিনি আরও বলেন, জনমত জরিপে বর্তমানে মাত্র ১৬ শতাংশ সমর্থনে থাকা টোরি পার্টি এখন “স্পষ্ট সীমারেখা টানতে চায়। আমরা কাউকেই আমাদের রাস্তাগুলোকে ভয়-ভীতি প্রদর্শনের মঞ্চে পরিণত করতে দেব না।”

স্থানীয় স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের হিসাবে, গাজায় ইসরায়েলি হামলায় এখন পর্যন্ত ৬৭ হাজারেরও বেশি মানুষ নিহত এবং প্রায় ১ লাখ ৭০ হাজার আহত হয়েছেন।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

‘লন্ডনের ফিলিস্তিনপন্থী বিক্ষোভ ইহুদি জাতির প্রতি ঘৃণার উৎসব’

আপডেট সময় : ১১:১৩:০০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ অক্টোবর ২০২৫

ব্রিটেনের কনজারভেটিভ পার্টির নেতা কেমি বাডেনোক ফিলিস্তিনপন্থী বিক্ষোভকারীদের সমালোচনা করে বলেছেন, গাজায় ইসরায়েলের কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে এসব প্রতিবাদ আসলে ঘৃণার উৎসব এবং ইহুদি জনগণের বিরুদ্ধে সহিংসতা উসকে দিচ্ছে।

রোববার (০৫ অক্টোবর) ম্যানচেস্টারে কনজারভেটিভ পার্টির সম্মেলনে ভাষণ দেওয়ার সময় তিনি এ মন্তব্য করেন। এর কয়েক দিন আগে শহরটির একটি সিনাগগে হামলায় দুই ইহুদি উপাসক নিহত হন।

বাডেনোক ওই হামলাকে ভয়াবহ ও নিন্দনীয় বলে উল্লেখ করে বলেন, “এটি আমাদের সবার ওপর আঘাত। আমাদের মানবতা, স্বাধীনতা, সহমর্মিতা ও শ্রদ্ধাবোধের মূল্যবোধের ওপর আঘাত।”

তিনি আরও বলেন, ইহুদি সম্প্রদায়ের কাছে এই হামলা অপ্রত্যাশিত নয়, কারণ দীর্ঘদিন ধরে যুক্তরাজ্যে “চরমপন্থা অনিয়ন্ত্রিতভাবে বেড়ে উঠছে।”

মন্ত্রিসভা প্রকাশের কয়েক ঘণ্টা পর পদত্যাগ করলেন ফ্রান্সের নতুন প্রধানমন্ত্রী

“আমরা দেখি, এটি কীভাবে আমাদের শহরের রাস্তায় লজ্জাজনক আচরণের মাধ্যমে প্রকাশ পায়। এসব বিক্ষোভ আসলে ইহুদি জাতির মাতৃভূমির বিরুদ্ধে ঘৃণার উৎসব,” বলেন বাডেনোক।

রোববার লন্ডনের কেন্দ্রস্থলে আরেকটি বড় ফিলিস্তিনপন্থী সমাবেশে প্রায় ৫০০ জনকে আটক করে পুলিশ, যদিও প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ওই হামলার পর বিক্ষোভ স্থগিতের আহ্বান জানিয়েছিলেন।

বাডেনোক বলেন, “এ ধরনের বিক্ষোভে শোনা নির্বোধ স্লোগানগুলোর অর্থ একটাই—ইহুদিদের বিরুদ্ধে সহিংসতা।”

তিনি আরও বলেন, জনমত জরিপে বর্তমানে মাত্র ১৬ শতাংশ সমর্থনে থাকা টোরি পার্টি এখন “স্পষ্ট সীমারেখা টানতে চায়। আমরা কাউকেই আমাদের রাস্তাগুলোকে ভয়-ভীতি প্রদর্শনের মঞ্চে পরিণত করতে দেব না।”

স্থানীয় স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের হিসাবে, গাজায় ইসরায়েলি হামলায় এখন পর্যন্ত ৬৭ হাজারেরও বেশি মানুষ নিহত এবং প্রায় ১ লাখ ৭০ হাজার আহত হয়েছেন।