যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের ৭টিরও বেশি আধুনিক রাডার ধ্বংসের দাবি ইরানের
- আপডেট সময় : ১১:২৯:৩৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ ২০২৬
- / 39
ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী বা আইআরজিসি তাদের সাম্প্রতিক অভিযানে এক অভাবনীয় সামরিক সাফল্যের দাবি করেছে। বুধবার (৪ মার্চ) প্রকাশিত এক বিবৃতিতে তারা জানিয়েছে, ‘অপারেশন ট্রু প্রমিজ ৪’-এর ১৭তম ধাপ সফলভাবে সম্পন্ন করার মাধ্যমে তারা মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের আকাশ প্রতিরক্ষা নজরদারি ব্যবস্থাকে কার্যত অচল করে দিয়েছে। বাহিনীর দাবি অনুযায়ী, তাদের হামলায় অন্তত সাতটি অত্যাধুনিক রাডার ধ্বংস হয়েছে। এমনকি যুক্তরাষ্ট্রের শক্তিশালী ‘থাড’ ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ভেদ করে ইসরায়েলের যুদ্ধ মন্ত্রণালয় ভবন এবং বেন গুরিয়ন বিমানবন্দরে সরাসরি আঘাত হানা হয়েছে বলে দাবি করেছে তেহরান।
ইরান যে সব হামলা চালাচ্ছে তা যুক্তরাষ্ট্র বন্ধ করতে পারবে না: পেন্টাগন
আইআরজিসি-র ভাষায়, এই হামলার মাধ্যমে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি বাহিনীর নজরদারি ব্যবস্থা বা ‘চোখ’ অন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, গত প্রায় ১০০ ঘণ্টা ধরে অধিকৃত অঞ্চলগুলোতে নিরবিচ্ছিন্নভাবে সাইরেন বেজে চলেছে এবং সাধারণ বাসিন্দারা দীর্ঘ সময় ধরে আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান করতে বাধ্য হচ্ছেন। আইআরজিসি এই পরিস্থিতিকে তাদের ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণের একটি ‘ধারাবাহিক ও নিয়ন্ত্রিত ছন্দের’ ফল হিসেবে বর্ণনা করেছে। তারা হুঁশিয়ারি দিয়ে জানিয়েছে যে, এটি কেবল শুরু এবং আগামী দিনগুলোতে হামলার তীব্রতা ও পরিধি আরও বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে। এই অভিযানে ইতোমধ্যে শত শত ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং বিস্ফোরকবাহী ড্রোন ব্যবহার করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করা হয়েছে।
ইরানের এই পাল্টাহামলার লক্ষ্যমাত্রা কেবল ইসরায়েলের প্রধান শহর তেল আবিব বা আল-কুদসের (জেরুজালেম) মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই। আইআরজিসি দাবি করেছে যে, তারা কুয়েত, বাহরাইন ও কাতারে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটি এবং তাদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট স্থাপনাগুলোতেও সফলভাবে আঘাত হেনেছে। সবচেয়ে চমকপ্রদ তথ্য হিসেবে তারা জানিয়েছে যে, ভারত মহাসাগরে মোতায়েন করা মার্কিন নৌবাহিনীর বিমানবাহী রণতরি ‘আব্রাহাম লিংকন’ এবং একটি মার্কিন ডেস্ট্রয়ারে তারা শক্তিশালী ও কৌশলগত হামলা চালিয়েছে।

























পে-স্কেলের গ্রেডভিত্তিক তালিকা প্রকাশ, গেজেট চলতি মাসেই