ঢাকা ১০:২৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

হরমুজে নিরাপত্তা দিতে ২০% ফি চান ট্রাম্প: বিবিসি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০১:১০:০০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬
  • / 42

বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক নৌপথ হরমুজ প্রণালিতে চলাচলকারী জাহাজগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেও যুক্তরাষ্ট্র প্রস্তুত বলে জানান ট্রাম্প। তবে এর জন্য একটি শর্তও দেন তিনি। তার প্রস্তাব অনুযায়ী, হরমুজ প্রণালি দিয়ে পরিবাহিত পণ্যের মোট মূল্যের ২০ শতাংশ নিরাপত্তা ফি হিসেবে দিতে হবে।

সোমবার (১৩ জুলাই) হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প বলেন, ‘আমরা যেসব দেশকে সহায়তা করছি, তাদের কাছ থেকে সেই ব্যয়ের অর্থ ফেরত চাই। আমরা বিশ্বের অত্যন্ত সমৃদ্ধ একটি অঞ্চলের নিরাপত্তা দিচ্ছি। এজন্য আমাদের বিপুল অর্থ ব্যয় হচ্ছে। তাই এই নিরাপত্তা সেবার বিনিময়ে আমাদের অর্থ পরিশোধ করা হবে।’

তিনি আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের নিজস্ব প্রয়োজনে নয়, বরং মিত্রদের নিরাপত্তার স্বার্থেই এ ভূমিকা পালন করছে ওয়াশিংটন। এ প্রসঙ্গে ইসরায়েল, সৌদি আরব, কাতার এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের নাম উল্লেখ করে ট্রাম্প দাবি করেন, দেশগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে যুক্তরাষ্ট্র ‘খুবই কার্যকর ভূমিকা’ পালন করেছে।

বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্পের এই অবস্থান যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতিতে ‘নিরাপত্তার বিনিময়ে মূল্য’ বা pay-for-protection ধারণাকে আরও স্পষ্ট করে তুলছে। একই সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি ও আঞ্চলিক মিত্রদের সঙ্গে সম্পর্কের নতুন অর্থনৈতিক মাত্রাও সামনে আনছে এই প্রস্তাব।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

হরমুজে নিরাপত্তা দিতে ২০% ফি চান ট্রাম্প: বিবিসি

আপডেট সময় : ০১:১০:০০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬

বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক নৌপথ হরমুজ প্রণালিতে চলাচলকারী জাহাজগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেও যুক্তরাষ্ট্র প্রস্তুত বলে জানান ট্রাম্প। তবে এর জন্য একটি শর্তও দেন তিনি। তার প্রস্তাব অনুযায়ী, হরমুজ প্রণালি দিয়ে পরিবাহিত পণ্যের মোট মূল্যের ২০ শতাংশ নিরাপত্তা ফি হিসেবে দিতে হবে।

সোমবার (১৩ জুলাই) হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প বলেন, ‘আমরা যেসব দেশকে সহায়তা করছি, তাদের কাছ থেকে সেই ব্যয়ের অর্থ ফেরত চাই। আমরা বিশ্বের অত্যন্ত সমৃদ্ধ একটি অঞ্চলের নিরাপত্তা দিচ্ছি। এজন্য আমাদের বিপুল অর্থ ব্যয় হচ্ছে। তাই এই নিরাপত্তা সেবার বিনিময়ে আমাদের অর্থ পরিশোধ করা হবে।’

তিনি আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের নিজস্ব প্রয়োজনে নয়, বরং মিত্রদের নিরাপত্তার স্বার্থেই এ ভূমিকা পালন করছে ওয়াশিংটন। এ প্রসঙ্গে ইসরায়েল, সৌদি আরব, কাতার এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের নাম উল্লেখ করে ট্রাম্প দাবি করেন, দেশগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে যুক্তরাষ্ট্র ‘খুবই কার্যকর ভূমিকা’ পালন করেছে।

বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্পের এই অবস্থান যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতিতে ‘নিরাপত্তার বিনিময়ে মূল্য’ বা pay-for-protection ধারণাকে আরও স্পষ্ট করে তুলছে। একই সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি ও আঞ্চলিক মিত্রদের সঙ্গে সম্পর্কের নতুন অর্থনৈতিক মাত্রাও সামনে আনছে এই প্রস্তাব।