যুক্তরাষ্ট্র থেকে ১১৭ কার্গো এলএনজি কিনবে সরকার
- আপডেট সময় : ১১:৪৪:২৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬
- / 8
চলমান বৈশ্বিক ও ভূরাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার মধ্যে দেশে জরুরি গ্যাসের চাহিদা মেটাতে চার আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আমদানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এর অংশ হিসেবে সরকার থেকে সরকার (জিটুজি) চুক্তির আওতায় যুক্তরাষ্ট্রের একটি প্রতিষ্ঠান থেকে আগামী ১২ বছরে ১১৭ কার্গো এলএনজি কেনা হবে। এ ছাড়া অন্য তিন প্রতিষ্ঠান থেকে সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে কেনা হবে আরও ছয় কার্গো এলএনজি।
বুধবার (১২ আগস্ট) অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের উপস্থাপিত এসব প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়।
বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, যুক্তরাজ্যের ব্ল্যাককিউব ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের কাছ থেকে দুই কার্গো এলএনজি প্রতি এমএমবিটিইউ ১৫ দশমিক ৫০ মার্কিন ডলার দরে এবং ওমানের ম্যাক্সওয়েল ইন্টারন্যাশনাল এসপিসির কাছ থেকে দুই কার্গো এলএনজি জেকে এম সূচকের সঙ্গে প্রতি এমএমবিটিইউ শূন্য দশমিক ৫৪ মার্কিন ডলার যোগ করে কেনার অনুমোদন দেয়া হয়েছে।
এ ছাড়া হংকংয়ের ঝেনইউ শিপিং কোম্পানি লিমিটেডের কাছ থেকে ২০২৬ সালে সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে দুই কার্গো এলএনজি কেনার প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়েছে। প্রতি এমএমবিটিইউ ১৪ দশমিক ৯৫ মার্কিন ডলার দরে এসব এলএনজি কেনার সুপারিশ করা হয়।
এ দিকে সরকার থেকে সরকার ভিত্তিতে যুক্তরাষ্ট্রের গানভর ইউএসএ এলএলসির কাছ থেকে ২০২৬ সাল থেকে ২০৩৮ সাল পর্যন্ত মোট ১১৭ কার্গো এলএনজি কেনার প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এ চুক্তির আওতায় ২০২৬ সালে পাঁচ কার্গো, ২০২৭ সালে ছয় কার্গো এবং ২০২৮ সালে তিন কার্গো এলএনজি জেকে এম সূচকের সঙ্গে প্রতি এমএমবিটিইউ শূন্য দশমিক শূন্য ৮৭৫ মার্কিন ডলার যোগ করে কেনার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া ২০২৮ সালে আরও তিন কার্গো এবং ২০২৯ থেকে ২০৩৮ সাল পর্যন্ত প্রতিবছর ১০ কার্গো করে এলএনজি কেনার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এসব এলএনজির মূল্য নির্ধারণ করা হবে ১২১ শতাংশ এইচএইচ সূচকের সঙ্গে ৫ দশমিক ২০ মার্কিন ডলার যোগ করে।
জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ইরান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যুদ্ধজনিত অস্থিতিশীলতায় বিশ্ববাজারে সরবরাহ সংকট এড়াতে এবং দেশের শিল্প ও বিদ্যুৎ খাতে গ্যাসের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ বজায় রাখতেই এই উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।






















সরকারি ক্রয়ের তথ্য প্রকাশে বাংলাদেশকে তাগিদ যুক্তরাষ্ট্রের