ঢাকা ০২:০৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কমল বিদ্যুতের পাইকারি দাম!

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১১:১৭:৩১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬
  • / 14

পাইকারিতে প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের দাম (গড়) ৮.৩৯ টাকা থেকে কমিয়ে ৮.২০ টাকা করা হয়েছে। সর্বশেষ ৩ জুন পাইকারি দর ইউনিটপ্রতি ৭ টাকা থেকে গড়ে ১ টাকা ৩৯ পয়সা বাড়িয়ে ৮.৩৯ টাকা করা হয়েছিল।

৩ জুন পাইকারির পাশাপাশি খুচরা বিদ্যুতের দামের আদেশও দিয়েছিল বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। ওই আদেশের পর নিম্ন আয়ের মানুষের বিদ্যুতের দাম বাড়ানো নিয়ে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়। সরকারের হস্তক্ষেপে এক দিন পরেই লাইফলাইন গ্রাহকের (৫০ ইউনিট পর্যন্ত) দাম ৪ টাকা ৬৩ পয়সা এবং ৭৫ ইউনিট ব্যবহারকারীদের আগের দাম ৫ টাকা ২৬ পয়সা পুনর্বহাল করা হয়।

এতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতির মুখে পড়ে পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড। তখন বিইআরসির পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, শিগগিরই পাইকারি বিদ্যুতের দাম সমন্বয় করা হবে। নতুন আদেশে পাইকারি দাম কমে যাওয়ায় বিতরণ কোম্পানিগুলো কিছুটা সুবিধা পেলেও বেড়ে যাবে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের লোকসান।

এক প্রশ্নের জবাবে বিইআরসি চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ বলেছেন, আগের আদেশে ৪১ হাজার কোটি টাকা লোকসান (ভর্তুকি) প্রাক্কলন করা হয়েছিল। পাইকারি দাম কমানোর ফলে আরও ১ হাজার ৫০০ কোটি থেকে ১ হাজার ৭০০ কোটি টাকা ভর্তুকি বাড়তে পারে।

নতুন আদেশে পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের (ভারিত গড়) প্রতি ইউনিটের পাইকারি মূল্য ৯.৬৪ টাকা, ওয়েস্টজোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির ১০.৪৪ টাকা, বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের ১১.১৪ টাকা, ঢাকা ইলেকট্রিসিটি সাপ্লাই পিএলসির ১২.০৫ টাকা, ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির ১১.৮৯ টাকা এবং নর্দার্ন ইলেকট্রিসিটি সাপ্লাই পিএলসির ১০.৪৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

প্রায় আড়াই মাস পর আদেশ দিলেও বিলিং মাস জুন থেকেই এটি কার্যকর করার কথা বলা হয়েছে। তবে এ আদেশের ফলে গ্রাহকের বিদ্যুৎ বিলের কোনো তারতম্য হওয়ার সুযোগ নেই।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

কমল বিদ্যুতের পাইকারি দাম!

আপডেট সময় : ১১:১৭:৩১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬

পাইকারিতে প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের দাম (গড়) ৮.৩৯ টাকা থেকে কমিয়ে ৮.২০ টাকা করা হয়েছে। সর্বশেষ ৩ জুন পাইকারি দর ইউনিটপ্রতি ৭ টাকা থেকে গড়ে ১ টাকা ৩৯ পয়সা বাড়িয়ে ৮.৩৯ টাকা করা হয়েছিল।

৩ জুন পাইকারির পাশাপাশি খুচরা বিদ্যুতের দামের আদেশও দিয়েছিল বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। ওই আদেশের পর নিম্ন আয়ের মানুষের বিদ্যুতের দাম বাড়ানো নিয়ে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়। সরকারের হস্তক্ষেপে এক দিন পরেই লাইফলাইন গ্রাহকের (৫০ ইউনিট পর্যন্ত) দাম ৪ টাকা ৬৩ পয়সা এবং ৭৫ ইউনিট ব্যবহারকারীদের আগের দাম ৫ টাকা ২৬ পয়সা পুনর্বহাল করা হয়।

এতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতির মুখে পড়ে পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড। তখন বিইআরসির পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, শিগগিরই পাইকারি বিদ্যুতের দাম সমন্বয় করা হবে। নতুন আদেশে পাইকারি দাম কমে যাওয়ায় বিতরণ কোম্পানিগুলো কিছুটা সুবিধা পেলেও বেড়ে যাবে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের লোকসান।

এক প্রশ্নের জবাবে বিইআরসি চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ বলেছেন, আগের আদেশে ৪১ হাজার কোটি টাকা লোকসান (ভর্তুকি) প্রাক্কলন করা হয়েছিল। পাইকারি দাম কমানোর ফলে আরও ১ হাজার ৫০০ কোটি থেকে ১ হাজার ৭০০ কোটি টাকা ভর্তুকি বাড়তে পারে।

নতুন আদেশে পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের (ভারিত গড়) প্রতি ইউনিটের পাইকারি মূল্য ৯.৬৪ টাকা, ওয়েস্টজোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির ১০.৪৪ টাকা, বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের ১১.১৪ টাকা, ঢাকা ইলেকট্রিসিটি সাপ্লাই পিএলসির ১২.০৫ টাকা, ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির ১১.৮৯ টাকা এবং নর্দার্ন ইলেকট্রিসিটি সাপ্লাই পিএলসির ১০.৪৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

প্রায় আড়াই মাস পর আদেশ দিলেও বিলিং মাস জুন থেকেই এটি কার্যকর করার কথা বলা হয়েছে। তবে এ আদেশের ফলে গ্রাহকের বিদ্যুৎ বিলের কোনো তারতম্য হওয়ার সুযোগ নেই।