গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন সুইজারল্যান্ড, হেরেও নকআউটে কানাডা
- আপডেট সময় : ১২:১৭:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬
- / 22
নকআউটের টিকিট পেতে ড্র-ই যথেষ্ট ছিল দুই দলের জন্য। প্রথমার্ধের খেলায় মনে হচ্ছিল, সেই পথেই হাঁটছে দুই দল। তবে দ্বিতীয়ার্ধে দৃশ্যপট বদলে দিল সুইজারল্যান্ড। দ্রুত সময়ে করা জোড়া গোলে ম্যাচ জিতে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে গেল তারা।
ভ্যাঙ্কুভারে বাংলাদেশ সময় বুধবার রাতে দুই গোল হজমের পর অবশ্য একটি শোধ করে কানাডা। তবে সেটি জয়ের জন্য যথেষ্ট হয়নি। ২-১ গোলে ম্যাচ জিতে ‘বি’ গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন হয়েই নকআউটে উঠেছে সুইজারল্যান্ড।
তিন ম্যাচে দুই জয় ও এক ড্রয়ে মোট ৭ পয়েন্ট সুইসদের। আর হেরে গেলেও শেষ ৩২-র টিকিট পেতে সমস্যা হয়নি কানাডার। তিন ম্যাচে একটি করে জয়, পরাজয় ও ড্রয়ে ৪ পয়েন্ট পেয়ে গ্রুপের রানার্স-আপ হয়েছে তারা।
কানাডার সমান ৪ পয়েন্ট আছে বসনিয়ারও। দুই দলের হেড টু হেডে ড্র হওয়ায় বিবেচনায় আসে গোল পার্থক্য। যেখানে এগিয়ে থেকে নকআউট নিশ্চিত করে কানাডা। আর ৪ পয়েন্ট নিয়ে আপাতত অপেক্ষায় বসনিয়া। সেরা তৃতীয় দল হিসেবে নকআউটে যেতে পারে তারা।
ম্যাচের প্রথমার্ধের খেলা দেখে যে কেউ সহজেই ভেবে নিতে পারত, ড্রয়ের জন্য খেলছে দুই দল। কারও খেলায়ই ছিল না আক্রমণের তেজ। প্রতিপক্ষের রক্ষণে হানা দিলেও গোলের জন্য জোরাল শট করতে পারছিল না কোনো দলই।
অবশেষে ৩৩ মিনিটে গিয়ে প্রথম শক্ত আক্রমণ করতে পারে কানাডা। তবে সাইলে লারিনের নিচু করে নেওয়া বাঁকানো শট সরাসরি হাতে পান সুইজারল্যান্ডের গোলকিপার গ্রেগর কোবেল। চার মিনিট পর আরেকটি সহজ সেভ দেন তিনি।
বিরতির পর ম্যাচে প্রাণ ফেরায় সুইজারল্যান্ড। কানাডাকে হকচকিয়ে দিয়ে দ্বিতীয়ার্ধে মাত্র ৪০ সেকেন্ডে জাল খুঁজে নেন রুবেল ভারগাস। ডান পাশ থেকে জোহান মানজাম্বির পাস পেয়ে চমৎকার প্লেসিং শটে চলতি বিশ্বকাপে নিজের দ্বিতীয় গোল করেন ভারগাস।
পরে ৫৮ মিনিটে মানজাম্বি নিজেই পান জালের দেখা। ডি-বক্সের মুখে প্রতিপক্ষ ডিফেন্ডারের সঙ্গে বল কাড়াকাড়ির পর ডান পাশে এগিয়ে দেন ব্রিল এমবলো। অনেকটা পথ দৌড়ে এসে চমৎকার শটে জাল কাঁপান মানজাম্বি।
জোড়া গোলে পিছিয়ে পড়ে ম্যাচে ফিরতে মরিয়া হয়ে ওঠে স্বাগতিকরা। দ্বিতীয়ার্ধের হাইড্রেশন বিরতিতে বদলি হিসেবে নামানো হয় প্রমিস ডেভিডকে। খেলা শুরুর পর প্রথম ছোঁয়াতেই কানাডার প্রথম গোল করেন প্রমিস।
ওই গোলে অবশ্য নাথান-ডিলান সালিবার অবদান অনেক বেশি। নিজেদের অর্ধ থেকে উড়ে আসা লং বল নিয়ন্ত্রণে পাবেন না বুঝতে পেরে অ্যাক্রোবেটিক ভঙ্গিতে ডি-বক্সের ভেতরে ক্রস দেন সালিবা। ফাঁকায় পেয়ে চমৎকার ফিনিশিংয়ে বল জালে জড়ান প্রমিস।
এক গোল শোধ দিয়ে ম্যাচে সমতা ফেরাতে একের পর এক আক্রমণ করতে থাকে স্বাগতিকরা। বিশেষ করে ইনজুরি টাইমে সুইজারল্যান্ডের ডি-বক্সে বারবার হানা দেয় তারা। তবে একাধিক হেডার ঠেকিয়ে দেন কোবেল।
একদম শেষ মুহূর্তে খুব কাছ থেকে আসা শট ঠেকিয়ে সুইজারল্যান্ডের পূর্ণ ৩ পয়েন্ট নিশ্চিত করেন গোলকিপার।

























আনিস আলমগীর, সোমা, পিয়াসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে জিডি