ঢাকা ০৪:৪৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬, ২৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড়ধসে ৫ শিক্ষার্থীর মৃত্যু

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৪:২৫:৪৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ জুলাই ২০২৬
  • / 17

কক্সবাজারের উখিয়ায় রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড়ধসে ৫ শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। এ ছাড়াও এ ঘটনায় আটকা পড়েছে প্রায় আরও ৩০ শিশু। আটকা পড়াদের উদ্ধারে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিসের ২টি ইউনিট। বুধবার (৮ জুলাই) দুপুরে উখিয়ার ৫নং রোহিঙ্গা ক্যাম্পে এই ঘটনা ঘটে।

উখিয়া ফায়ার সাভির্সের স্টেশন অফিসার ডলার ত্রিপুরা বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, উদ্ধারে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা কাজ করছেন। পাহাড় ধসে আনুমানিক ২০ শিক্ষার্থী চাপা পড়ে আছে।

প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, টানা ভারী বর্ষণের কারণে পাহাড়ের একটি বড় অংশ ধসে পাশের একটি মক্তবের ওপর আছড়ে পড়ে। দুর্ঘটনার সময় মক্তবটির ভেতরে ৩০ জনেরও বেশি শিশু পড়ছিল।

ঘটনার পরপরই স্থানীয় রোহিঙ্গা স্বেচ্ছাসেবক, এপিবিএন, ফায়ার সার্ভিস এবং বিভিন্ন মানবিক সংস্থার সদস্যরা উদ্ধার অভিযান শুরু করেন। ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে হতাহতদের উদ্ধার করা হচ্ছে। উদ্ধার অভিযান অব্যাহত থাকায় নিহত ও আহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

এদিকে টানা কয়েক দিনের ভারী বর্ষণে কক্সবাজার জেলায় বন্যা ও পাহাড় ধস পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে। পাহাড় থেকে নেমে আসা ঢল এবং বাঁকখালী ও মাতামুহুরী নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় জেলার ৯টি উপজেলার অন্তত ৩৩টি ইউনিয়ন প্লাবিত হয়েছে। পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন হাজারো মানুষ।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড়ধসে ৫ শিক্ষার্থীর মৃত্যু

আপডেট সময় : ০৪:২৫:৪৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ জুলাই ২০২৬

কক্সবাজারের উখিয়ায় রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড়ধসে ৫ শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। এ ছাড়াও এ ঘটনায় আটকা পড়েছে প্রায় আরও ৩০ শিশু। আটকা পড়াদের উদ্ধারে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিসের ২টি ইউনিট। বুধবার (৮ জুলাই) দুপুরে উখিয়ার ৫নং রোহিঙ্গা ক্যাম্পে এই ঘটনা ঘটে।

উখিয়া ফায়ার সাভির্সের স্টেশন অফিসার ডলার ত্রিপুরা বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, উদ্ধারে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা কাজ করছেন। পাহাড় ধসে আনুমানিক ২০ শিক্ষার্থী চাপা পড়ে আছে।

প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, টানা ভারী বর্ষণের কারণে পাহাড়ের একটি বড় অংশ ধসে পাশের একটি মক্তবের ওপর আছড়ে পড়ে। দুর্ঘটনার সময় মক্তবটির ভেতরে ৩০ জনেরও বেশি শিশু পড়ছিল।

ঘটনার পরপরই স্থানীয় রোহিঙ্গা স্বেচ্ছাসেবক, এপিবিএন, ফায়ার সার্ভিস এবং বিভিন্ন মানবিক সংস্থার সদস্যরা উদ্ধার অভিযান শুরু করেন। ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে হতাহতদের উদ্ধার করা হচ্ছে। উদ্ধার অভিযান অব্যাহত থাকায় নিহত ও আহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

এদিকে টানা কয়েক দিনের ভারী বর্ষণে কক্সবাজার জেলায় বন্যা ও পাহাড় ধস পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে। পাহাড় থেকে নেমে আসা ঢল এবং বাঁকখালী ও মাতামুহুরী নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় জেলার ৯টি উপজেলার অন্তত ৩৩টি ইউনিয়ন প্লাবিত হয়েছে। পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন হাজারো মানুষ।