ঢাকা ০৪:২১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬, ২৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
বিশেষ সতর্কীকরণ নোটিশ ::
বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় কন্ট্রোল রুম চালু করেছে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড। কন্ট্রোল রুমের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও গণমাধ্যমকর্মীদের দেশের বিভিন্ন নদ-নদীর বন্যা পরিস্থিতি ও পূর্বাভাসসংক্রান্ত তথ্য সরবরাহ করা হবে। এ জন্য ০১৩১৮২৩৪৯৬২, ০১৩১৮২৩৪৯৬৩, ০১৩২১১৩৯৫৪২ ও ০১৭০৯৬৫৪৭৯১ মোবাইল নম্বরে যোগাযোগ করা যাবে। এছাড়া ffwcbwdb@gmail.com এবং ffwc05@yahoo.com ই-মেইলেও তথ্য পাওয়া যাবে।

চট্টগ্রামে বন্যা মোকাবিলায় সেনাবাহিনীর উদ্ধার কার্যক্রম অব্যাহত

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৩:২১:১৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬
  • / 14

পার্বত্য চট্টগ্রামে টানা ভারী বর্ষণ, পাহাড়ি ঢল ও পাহাড়ধসের কারণে সৃষ্ট দুর্যোগ মোকাবিলায় স্থানীয় প্রশাসন, অন্যান্য নিরাপত্তা বাহিনী এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে উদ্ধার, ত্রাণ বিতরণ, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা থেকে মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেওয়া এবং যোগাযোগ ব্যবস্থা পুনরুদ্ধারে নিরলসভাবে কাজ করছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।

আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, দুর্যোগে পার্বত্য অঞ্চলের বিভিন্ন স্থানে পাহাড়ধস ও জলাবদ্ধতার কারণে সড়ক যোগাযোগ ব্যাহত হয়েছে। এসব স্থানে সেনাবাহিনীর সদস্যরা প্রয়োজনীয় প্রকৌশল সরঞ্জাম ও ভারী যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে মাটি ও ধ্বংসাবশেষ অপসারণের মাধ্যমে সড়ক যোগাযোগ পুনঃস্থাপনে কাজ করছেন। একই সঙ্গে ভূমিধসের উচ্চ ঝুঁকিতে থাকা এলাকা থেকে প্রায় ২২১টি পরিবারকে নিরাপদ আশ্রয়ে স্থানান্তর করা হয়েছে।

দুর্গম এলাকায় আটকেপড়া পর্যটকদের উদ্ধারে সেনাবাহিনী কার্যকর পদক্ষেপ নিয়েছে। এ পর্যন্ত বান্দরবান থেকে ১৪০ জন পর্যটককে উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়া সাজেকে আটকে পড়া প্রায় ৬০০ পর্যটকের মধ্যে প্রথম ধাপে স্থানীয় প্রশাসনের সহায়তায় ১৫০ জনকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। বাকি পর্যটকদেরও পর্যায়ক্রমে নিরাপদ স্থানে স্থানান্তরের কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের দুর্ভোগ কমাতে সেনাবাহিনী বিভিন্ন এলাকায় রান্না করা খাবার, শুকনো খাবার, বিশুদ্ধ পানি এবং অন্যান্য জরুরি ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করছে। পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত পাহাড়ি ও বাঙালি পরিবারের মধ্যে চাল, ডাল, তেল, আলুসহ প্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী বিতরণ অব্যাহত রয়েছে।

আইএসপিআর জানিয়েছে, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সার্বিক পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। স্থানীয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট সংস্থার সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে উদ্ধার, ত্রাণ সহায়তা, যোগাযোগ পুনঃস্থাপন এবং পুনর্বাসন কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, দেশের যেকোনো দুর্যোগ ও জাতীয় সংকটে জনগণের জীবন, সম্পদ এবং গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো সুরক্ষায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব, নিষ্ঠা ও দায়িত্ববোধের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে আসছে এবং ভবিষ্যতেও এ ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে বন্যা মোকাবিলায় সেনাবাহিনীর উদ্ধার কার্যক্রম অব্যাহত

আপডেট সময় : ০৩:২১:১৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬

পার্বত্য চট্টগ্রামে টানা ভারী বর্ষণ, পাহাড়ি ঢল ও পাহাড়ধসের কারণে সৃষ্ট দুর্যোগ মোকাবিলায় স্থানীয় প্রশাসন, অন্যান্য নিরাপত্তা বাহিনী এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে উদ্ধার, ত্রাণ বিতরণ, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা থেকে মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেওয়া এবং যোগাযোগ ব্যবস্থা পুনরুদ্ধারে নিরলসভাবে কাজ করছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।

আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, দুর্যোগে পার্বত্য অঞ্চলের বিভিন্ন স্থানে পাহাড়ধস ও জলাবদ্ধতার কারণে সড়ক যোগাযোগ ব্যাহত হয়েছে। এসব স্থানে সেনাবাহিনীর সদস্যরা প্রয়োজনীয় প্রকৌশল সরঞ্জাম ও ভারী যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে মাটি ও ধ্বংসাবশেষ অপসারণের মাধ্যমে সড়ক যোগাযোগ পুনঃস্থাপনে কাজ করছেন। একই সঙ্গে ভূমিধসের উচ্চ ঝুঁকিতে থাকা এলাকা থেকে প্রায় ২২১টি পরিবারকে নিরাপদ আশ্রয়ে স্থানান্তর করা হয়েছে।

দুর্গম এলাকায় আটকেপড়া পর্যটকদের উদ্ধারে সেনাবাহিনী কার্যকর পদক্ষেপ নিয়েছে। এ পর্যন্ত বান্দরবান থেকে ১৪০ জন পর্যটককে উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়া সাজেকে আটকে পড়া প্রায় ৬০০ পর্যটকের মধ্যে প্রথম ধাপে স্থানীয় প্রশাসনের সহায়তায় ১৫০ জনকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। বাকি পর্যটকদেরও পর্যায়ক্রমে নিরাপদ স্থানে স্থানান্তরের কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের দুর্ভোগ কমাতে সেনাবাহিনী বিভিন্ন এলাকায় রান্না করা খাবার, শুকনো খাবার, বিশুদ্ধ পানি এবং অন্যান্য জরুরি ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করছে। পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত পাহাড়ি ও বাঙালি পরিবারের মধ্যে চাল, ডাল, তেল, আলুসহ প্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী বিতরণ অব্যাহত রয়েছে।

আইএসপিআর জানিয়েছে, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সার্বিক পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। স্থানীয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট সংস্থার সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে উদ্ধার, ত্রাণ সহায়তা, যোগাযোগ পুনঃস্থাপন এবং পুনর্বাসন কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, দেশের যেকোনো দুর্যোগ ও জাতীয় সংকটে জনগণের জীবন, সম্পদ এবং গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো সুরক্ষায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব, নিষ্ঠা ও দায়িত্ববোধের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে আসছে এবং ভবিষ্যতেও এ ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে।