ঢাকা ০৪:১৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আমিও শহিদ পরিবারের সন্তান: সংসদে জামায়াত আমির

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:১৯:৩৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬
  • / 65

গণভোট ও জুলাই সনদ নিয়ে জাতীয় সংসদে আলোচনার শুরুতে নিজেকে শহিদ পরিবারের সন্তান হিসেবে দাবি করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের অধিবেশনে তিনি এ দাবি করেন।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতার ৫৪ বছর অতিক্রান্ত হয়েছে। এর মধ্যে অনেক সরকারই গঠিত হয়েছে এবং পরিবর্তন হয়েছে। মানুষের বিপুল প্রত্যাশার জায়গায় দাঁড়িয়ে আজকে আমরা যদি বলি, স্বাধীনতার পূর্ণ আকাঙ্ক্ষা এখনও বাস্তবায়িত হয়নি।

স্পিকারের উদ্দেশে তিনি বলেন, আপনি একজন গর্বিত বীর মুক্তিযোদ্ধা, বীর বিক্রম। আমিও ক্ষুদ্র একটি শহিদ পরিবারের সন্তান। মুক্তিযুদ্ধে যারা জীবন দিয়েছিলেন, আমাদের পরিবারের কয়েকজনের রক্ত দিয়ে তাদের সঙ্গে শরিক হওয়ার সৌভাগ্য হয়েছে।

সংসদে পার্থের বক্তব্যের কঠোর সমালোচনা করলেন হাসনাত

জামায়াতের আমির বলেন, দেশের ইতিহাসে বারবার জনগণের ভোটাধিকার হরণ ও হত্যা করা হয়েছে। জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে যে আকাঙ্ক্ষা তৈরি হয়েছে, তার মূল লক্ষ্যই হলো দেশে যেন আর কখনও ফ্যাসিবাদ ফিরে আসতে না পারে। এই আকাঙ্ক্ষার ভিত্তিতেই প্রধান প্রধান রাজনৈতিক দলের সমন্বয়ে দীর্ঘ আলোচনার পর অন্তর্বর্তী সরকার সংস্কারের প্রস্তাব চূড়ান্ত করেছে এবং মহামান্য রাষ্ট্রপতি এ বিষয়ে আদেশ জারি করেছেন।

তিনি বলেন, একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র যেখানে কোনো রাজতন্ত্র থাকে না, সেখানে বংশপরম্পরায় শাসনেরও ব্যবস্থা থাকে না। জনগণের ভোটের মাধ্যমেই সরকার গঠিত হয় এবং দেশ পরিচালনা করে। কিন্তু দুঃখের বিষয়, অতীতে জনগণের ভোটে নির্বাচিত হওয়া সত্ত্বেও বারবার জনগণের ভোটের অধিকার খর্ব করা হয়েছে, কোনো কোনো ক্ষেত্রে হত্যা করা হয়েছে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আমিও শহিদ পরিবারের সন্তান: সংসদে জামায়াত আমির

আপডেট সময় : ১১:১৯:৩৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬

গণভোট ও জুলাই সনদ নিয়ে জাতীয় সংসদে আলোচনার শুরুতে নিজেকে শহিদ পরিবারের সন্তান হিসেবে দাবি করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের অধিবেশনে তিনি এ দাবি করেন।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতার ৫৪ বছর অতিক্রান্ত হয়েছে। এর মধ্যে অনেক সরকারই গঠিত হয়েছে এবং পরিবর্তন হয়েছে। মানুষের বিপুল প্রত্যাশার জায়গায় দাঁড়িয়ে আজকে আমরা যদি বলি, স্বাধীনতার পূর্ণ আকাঙ্ক্ষা এখনও বাস্তবায়িত হয়নি।

স্পিকারের উদ্দেশে তিনি বলেন, আপনি একজন গর্বিত বীর মুক্তিযোদ্ধা, বীর বিক্রম। আমিও ক্ষুদ্র একটি শহিদ পরিবারের সন্তান। মুক্তিযুদ্ধে যারা জীবন দিয়েছিলেন, আমাদের পরিবারের কয়েকজনের রক্ত দিয়ে তাদের সঙ্গে শরিক হওয়ার সৌভাগ্য হয়েছে।

সংসদে পার্থের বক্তব্যের কঠোর সমালোচনা করলেন হাসনাত

জামায়াতের আমির বলেন, দেশের ইতিহাসে বারবার জনগণের ভোটাধিকার হরণ ও হত্যা করা হয়েছে। জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে যে আকাঙ্ক্ষা তৈরি হয়েছে, তার মূল লক্ষ্যই হলো দেশে যেন আর কখনও ফ্যাসিবাদ ফিরে আসতে না পারে। এই আকাঙ্ক্ষার ভিত্তিতেই প্রধান প্রধান রাজনৈতিক দলের সমন্বয়ে দীর্ঘ আলোচনার পর অন্তর্বর্তী সরকার সংস্কারের প্রস্তাব চূড়ান্ত করেছে এবং মহামান্য রাষ্ট্রপতি এ বিষয়ে আদেশ জারি করেছেন।

তিনি বলেন, একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র যেখানে কোনো রাজতন্ত্র থাকে না, সেখানে বংশপরম্পরায় শাসনেরও ব্যবস্থা থাকে না। জনগণের ভোটের মাধ্যমেই সরকার গঠিত হয় এবং দেশ পরিচালনা করে। কিন্তু দুঃখের বিষয়, অতীতে জনগণের ভোটে নির্বাচিত হওয়া সত্ত্বেও বারবার জনগণের ভোটের অধিকার খর্ব করা হয়েছে, কোনো কোনো ক্ষেত্রে হত্যা করা হয়েছে।