ঢাকা ১১:২২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬, ২০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

‘বাংলাদেশে মৌলবাদের উত্থান দেখতে চায় না প্রতিবেশীরা’

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৩:৫৪:০৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ জানুয়ারী ২০২৬
  • / 60

তারেক রহমানকে লেখা, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির চিঠি নিয়ে আসেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এস জয়শঙ্কর। এছাড়াও দিল্লিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। এসবের মধ্যে কূটনৈতিক বার্তা রয়েছে বলে মনে করেন বিশ্লেষকেরা।

নিজেদের স্বার্থেই তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপির ওপর আস্থা রাখতে চায় ভারত। বিশ্লেষকেরা বলছেন, খালেদা জিয়ার প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর মাধ্যমে সেই বার্তা দিচ্ছে দিল্লি। তাদের অভিমত, শুধু ভারত নয়, দক্ষিণ এশিয়ার অন্য দেশগুলোর মনোভাবও একই। কারণ আঞ্চলিক নিরাপত্তার স্বার্থেই বাংলাদেশে মৌলবাদের উত্থান দেখতে চায় না প্রতিবেশীরা।

সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি শ্রদ্ধা জানায় দক্ষিণ এশিয়ার প্রায় সব দেশ। উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা ঢাকায় বিএনপি চেয়ারপারসনের পরিবারকে জানান সমবেদনা ও সমর্থন।

তারেক রহমানকে লেখা, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির চিঠি নিয়ে আসেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এস জয়শঙ্কর। এছাড়াও দিল্লিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। এসবের মধ্যে কূটনৈতিক বার্তা রয়েছে বলে মনে করেন বিশ্লেষকেরা। তাদের মতে, নির্বাচনের আগে নিজেদের অবস্থান সুষ্পষ্ট করছে দিল্লি।

খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় বায়তুল মোকাররমে বিশেষ দোয়া

সাবেক রাষ্ট্রদূত মুন্সি ফয়েজ আহমদ বলেন, ‘বিএনপি সামনে ক্ষমতায় আসবে শুধু এটা ভারত মনে করছে তা নয়, আমার মনে হয় অন্যরাও করছে। কিন্তু ভারত এখানে একটা বিশেষ বার্তা দিয়েছে, সেটা বোঝা যায়। আগামীত যে নেতৃত্ব আসার তারা আশা করছে, তাদের প্রতি বার্তা দিয়ে গেছে। দুই দেশের সম্পর্ক উন্নয়নে তাদের সঙ্গে কাজ করতে তারা আগ্রহী।’

দক্ষিণ এশিয়ার অর্থনীতি ও রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ বাংলাদেশ। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সে কারণেই সুষ্ঠু রাজনৈতিক চর্চার ওপর ভরসা রাখতে চাইছে বেশির ভাগ দেশ।

আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষক ড. ফরিদুল আলম বলেন, ‘বিএনপির প্রতি ভারত আস্থা রাখতে চাওয়ার একমাত্র কারণ হচ্ছে, ভারত যেটা মনে করছে যে এখানে মৌলবাদ উগ্রবাদ বা চরমবাদের বা চরমপন্থার যে উদ্ভব সেরকম একটি আশঙ্কা করা হচ্ছে। এ ধরনের যদি আশঙ্কা করা হয় সেটা বাংলাদেশের জন্য যতটা ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়াবে, সেটি ভারতের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য আরও অনেক বেশি ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়াবে।’

দিল্লির কূটনৈতিক নমনীয়তা বাংলাদেশে জনগণের ভারতবিরোধী মনোভাবেও পরিবর্তন আনতে পারে বলেও মনে করেন বিশ্লেষকেরা।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

‘বাংলাদেশে মৌলবাদের উত্থান দেখতে চায় না প্রতিবেশীরা’

আপডেট সময় : ০৩:৫৪:০৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ জানুয়ারী ২০২৬

তারেক রহমানকে লেখা, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির চিঠি নিয়ে আসেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এস জয়শঙ্কর। এছাড়াও দিল্লিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। এসবের মধ্যে কূটনৈতিক বার্তা রয়েছে বলে মনে করেন বিশ্লেষকেরা।

নিজেদের স্বার্থেই তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপির ওপর আস্থা রাখতে চায় ভারত। বিশ্লেষকেরা বলছেন, খালেদা জিয়ার প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর মাধ্যমে সেই বার্তা দিচ্ছে দিল্লি। তাদের অভিমত, শুধু ভারত নয়, দক্ষিণ এশিয়ার অন্য দেশগুলোর মনোভাবও একই। কারণ আঞ্চলিক নিরাপত্তার স্বার্থেই বাংলাদেশে মৌলবাদের উত্থান দেখতে চায় না প্রতিবেশীরা।

সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি শ্রদ্ধা জানায় দক্ষিণ এশিয়ার প্রায় সব দেশ। উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা ঢাকায় বিএনপি চেয়ারপারসনের পরিবারকে জানান সমবেদনা ও সমর্থন।

তারেক রহমানকে লেখা, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির চিঠি নিয়ে আসেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এস জয়শঙ্কর। এছাড়াও দিল্লিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। এসবের মধ্যে কূটনৈতিক বার্তা রয়েছে বলে মনে করেন বিশ্লেষকেরা। তাদের মতে, নির্বাচনের আগে নিজেদের অবস্থান সুষ্পষ্ট করছে দিল্লি।

খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় বায়তুল মোকাররমে বিশেষ দোয়া

সাবেক রাষ্ট্রদূত মুন্সি ফয়েজ আহমদ বলেন, ‘বিএনপি সামনে ক্ষমতায় আসবে শুধু এটা ভারত মনে করছে তা নয়, আমার মনে হয় অন্যরাও করছে। কিন্তু ভারত এখানে একটা বিশেষ বার্তা দিয়েছে, সেটা বোঝা যায়। আগামীত যে নেতৃত্ব আসার তারা আশা করছে, তাদের প্রতি বার্তা দিয়ে গেছে। দুই দেশের সম্পর্ক উন্নয়নে তাদের সঙ্গে কাজ করতে তারা আগ্রহী।’

দক্ষিণ এশিয়ার অর্থনীতি ও রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ বাংলাদেশ। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সে কারণেই সুষ্ঠু রাজনৈতিক চর্চার ওপর ভরসা রাখতে চাইছে বেশির ভাগ দেশ।

আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষক ড. ফরিদুল আলম বলেন, ‘বিএনপির প্রতি ভারত আস্থা রাখতে চাওয়ার একমাত্র কারণ হচ্ছে, ভারত যেটা মনে করছে যে এখানে মৌলবাদ উগ্রবাদ বা চরমবাদের বা চরমপন্থার যে উদ্ভব সেরকম একটি আশঙ্কা করা হচ্ছে। এ ধরনের যদি আশঙ্কা করা হয় সেটা বাংলাদেশের জন্য যতটা ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়াবে, সেটি ভারতের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য আরও অনেক বেশি ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়াবে।’

দিল্লির কূটনৈতিক নমনীয়তা বাংলাদেশে জনগণের ভারতবিরোধী মনোভাবেও পরিবর্তন আনতে পারে বলেও মনে করেন বিশ্লেষকেরা।