ঢাকা ০৩:১৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬, ১৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ভূমিকম্প অনুভূত

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১১:৩১:০৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬
  • / 27

রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে মৃদু ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) ভোর ৬টা ২৯ মিনিটে এ কম্পন অনুভূত হয়। ভূমিকম্প ৩৩ সেকেন্ডে রেকর্ড করা হয়।

রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল ৫ দশমিক ১। এর উৎপত্তিস্থল ছিল মিয়ানমারের সাগাইং অঞ্চলের হোমালিন এলাকা, যা ভারতের মণিপুর সীমান্তের কাছাকাছি।

ভূমিকম্পটির কেন্দ্রস্থল ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৬৬ কিলোমিটার গভীরে ছিল। গভীরতা বেশি হওয়ায় ভূপৃষ্ঠে এর প্রভাব তুলনামূলক কম ছিল। ফলে মাঝারি মাত্রার হলেও দেশে মৃদু কম্পন অনুভূত হয়।

এদিকে ভারতের ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজি (এনসিএস) জানিয়েছে, মঙ্গলবার ভোরে মণিপুরে ৫ দশমিক ২ মাত্রার একটি ভূমিকম্প আঘাত হানে। ভারতীয় সময় ভোর ৫টা ৫৯ মিনিট ৩৩ সেকেন্ডে এই কম্পনটি অনুভূত হয় এবং এর কেন্দ্রস্থল ছিল কামজং এলাকায়।

ভূতাত্ত্বিকভাবে বাংলাদেশ বড় কোনো সক্রিয় চ্যুতিরেখার ওপর না থাকলেও মিয়ানমার ও উত্তর-পূর্ব ভারতের ভূমিকম্পপ্রবণ অঞ্চলের নিকটবর্তী হওয়ায় প্রায়ই এসব এলাকার ভূমিকম্পের প্রভাব দেশে অনুভূত হয়।

ভূতত্ত্ববিদদের মতে, বাংলাদেশ সরাসরি বড় কোনো চ্যুতিরেখার ওপর না থাকলেও পার্শ্ববর্তী মিয়ানমার এবং উত্তর-পূর্ব ভারতের সক্রিয় টেকটোনিক প্লেটের কারণে এ অঞ্চল ভূমিকম্পপ্রবণ। তাই প্রতিবেশী অঞ্চলে মাঝারি বা বড় মাত্রার ভূমিকম্প হলে তার প্রভাব বাংলাদেশেও অনুভূত হওয়া স্বাভাবিক।

বিশেষজ্ঞরা আরও বলছেন, সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশে একাধিক মৃদু কম্পন অনুভূত হওয়ায় ভূ-প্রাকৃতিক সক্রিয়তা কিছুটা বৃদ্ধি পাওয়ার ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। তবে এসব ঘটনা সরাসরি বড় ভূমিকম্পের পূর্বাভাস নয়। তারপরও তারা ভূমিকম্প-প্রস্তুতি জোরদার করা এবং সচেতনতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন, যাতে ভবিষ্যতে সম্ভাব্য ঝুঁকি মোকাবিলা করা সহজ হয়।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ভূমিকম্প অনুভূত

আপডেট সময় : ১১:৩১:০৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬

রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে মৃদু ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) ভোর ৬টা ২৯ মিনিটে এ কম্পন অনুভূত হয়। ভূমিকম্প ৩৩ সেকেন্ডে রেকর্ড করা হয়।

রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল ৫ দশমিক ১। এর উৎপত্তিস্থল ছিল মিয়ানমারের সাগাইং অঞ্চলের হোমালিন এলাকা, যা ভারতের মণিপুর সীমান্তের কাছাকাছি।

ভূমিকম্পটির কেন্দ্রস্থল ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৬৬ কিলোমিটার গভীরে ছিল। গভীরতা বেশি হওয়ায় ভূপৃষ্ঠে এর প্রভাব তুলনামূলক কম ছিল। ফলে মাঝারি মাত্রার হলেও দেশে মৃদু কম্পন অনুভূত হয়।

এদিকে ভারতের ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজি (এনসিএস) জানিয়েছে, মঙ্গলবার ভোরে মণিপুরে ৫ দশমিক ২ মাত্রার একটি ভূমিকম্প আঘাত হানে। ভারতীয় সময় ভোর ৫টা ৫৯ মিনিট ৩৩ সেকেন্ডে এই কম্পনটি অনুভূত হয় এবং এর কেন্দ্রস্থল ছিল কামজং এলাকায়।

ভূতাত্ত্বিকভাবে বাংলাদেশ বড় কোনো সক্রিয় চ্যুতিরেখার ওপর না থাকলেও মিয়ানমার ও উত্তর-পূর্ব ভারতের ভূমিকম্পপ্রবণ অঞ্চলের নিকটবর্তী হওয়ায় প্রায়ই এসব এলাকার ভূমিকম্পের প্রভাব দেশে অনুভূত হয়।

ভূতত্ত্ববিদদের মতে, বাংলাদেশ সরাসরি বড় কোনো চ্যুতিরেখার ওপর না থাকলেও পার্শ্ববর্তী মিয়ানমার এবং উত্তর-পূর্ব ভারতের সক্রিয় টেকটোনিক প্লেটের কারণে এ অঞ্চল ভূমিকম্পপ্রবণ। তাই প্রতিবেশী অঞ্চলে মাঝারি বা বড় মাত্রার ভূমিকম্প হলে তার প্রভাব বাংলাদেশেও অনুভূত হওয়া স্বাভাবিক।

বিশেষজ্ঞরা আরও বলছেন, সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশে একাধিক মৃদু কম্পন অনুভূত হওয়ায় ভূ-প্রাকৃতিক সক্রিয়তা কিছুটা বৃদ্ধি পাওয়ার ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। তবে এসব ঘটনা সরাসরি বড় ভূমিকম্পের পূর্বাভাস নয়। তারপরও তারা ভূমিকম্প-প্রস্তুতি জোরদার করা এবং সচেতনতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন, যাতে ভবিষ্যতে সম্ভাব্য ঝুঁকি মোকাবিলা করা সহজ হয়।