ক্রিকেটার নাঈমকে মারধরের অভিযোগ, এসআইসহ ৩ পুলিশ প্রত্যাহার
- আপডেট সময় : ০১:৪০:১৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
- / 16
বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের ক্রিকেটার নাঈম হাসানকে চট্টগ্রামে অটোরিকশা থেকে নামিয়ে মারধরের অভিযোগেউঠেছে পুলিশের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় পুলিশের এক এসআইসহ তিনজনকে মহানগরীর খুলশী থানা থেকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনসে সংযুক্ত করা হয়েছে।
জানা গেছে, ঢাকায় প্রিমিয়ার লিগের খেলা শেষ করে শুক্রবার (১২ জুন) রাত ১০টা ২০ মিনিটে ক্রিকেটার নাঈম হাসান চট্টগ্রাম পৌঁছান। এরপর চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে অটোরিকশা করে বাসার উদ্দেশে রওনা দেন। অটোরিকশাটি এক্সপ্রেসওয়ে থেকে নামার পর লালখান বাজার এলাকায় পুলিশের এক সদস্য গাড়ি থামার সংকেত দেন।
নাঈম হাসান বলেন, গাড়ি থামাতেই কয়েকজন ডিবি পুলিশ পরিচয়ে চালকের কাছ থেকে গাড়ির কাগজপত্র নিয়ে নেন। এরপর তাকে গাড়ি থেকে নামিয়ে গলায় ধাক্কা দিয়ে পুলিশের গাড়িতে তোলার চেষ্টা করা হয়। তখন তিনি নিজেকে জাতীয় দলের ক্রিকেটার হিসেবে পরিচয় দেন, পরিচয়পত্রও দেখান। তবু তাকে ঘটনাস্থলে থাকা খুলশী থানার এসআই শফিকুল ইসলাম হাতে থাকা লাঠি দিয়ে কোমরে আঘাত করতে থাকেন। পুলিশের ওই এসআইয়ের সঙ্গে সাদা পোশাকে থাকা (পুলিশের সোর্স সোহেল) এক ব্যক্তিও হাতে থাকা পাইপ দিয়ে তাকে পেটান।
পরে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। মধ্যরাতে নাঈমকে থানায় নিয়ে যাওয়ার পর সেখানে হাজির হন তার আত্মীয়-স্বজন ও ক্রিকেটপ্রেমীরাও। ঘটনায় জড়িত পুলিশ সদস্যদের গ্রেফতার ও শাস্তির দাবি করেন তারা।
মহানগর পুলিশের উপকমিশনার আমিরুল ইসলাম জানান, চোরাচালানের তথ্য ছিলো অটোরিকশাটির বিরুদ্ধে। অভিযান কিংবা তল্লাশিতে পুলিশের কিছু নিয়মকানুন রয়েছে। বিষয়টি আমরা গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করছি। আপাতদৃষ্টিতে এখানে ভুলত্রুটি রয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের বিভাগীয় শাস্তির আওতায় আনা হবে।
আজ শনিবার (১৩ জুন) সকালে নাঈমের ভাই সাব্বির আলম বাদী হয়ে থানায় একটি মামলা করেন। এতে এসআই শফিকুল ইসলাম, কনস্টেবল রাসেল ও পুলিশ সোর্স সোহেলকে আসামি করা হয়। মামলায় মারধর ও অপহরণ চেষ্টার অভিযোগ আনা হয়েছে।
খুলশী থানার ওসি আরিফুর রহমান জানান, অভিযানের বিষয়ে এসআই শফিকুল ইসলাম তাকে কিছু জানাননি। থানায় নিয়ে আসার পর ক্রিকেটার নাঈমের পরিচয় জানি। দুঃখ প্রকাশ করে সসম্মানে থানা থেকে তাকে চলে যাওয়ার জন্য অনুরোধ করা হয়।

























জুলাইয়ের মাসের শেষদিকে দেয়া হবে স্কুল ড্রেস: শিক্ষামন্ত্রী