ঢাকা ১০:৩০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬, ২০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রোমাঞ্চকর জয়ে দ্বিতীয় রাউন্ডে মরক্কো

স্পোটর্স ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১২:২৭:১৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬
  • / 12

শুরুতেই গোল হজম করে পিছিয়ে পড়েছিল মরক্কো। তবে গুছিয়ে নিয়ে নিজেদের সেরা রুপে ফিরতে সময় নিল না তারা। প্রথমার্ধে দুই গোলের সঙ্গে বিরতির পর আটলাস লায়নরা করল আরও দুই গোল। দারুণ জয়ে নিশ্চিত করে ফেলল নকআউট পর্বের টিকিট।

আটালান্টা স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় বৃহস্পতিবার ভোরের ম্যাচে হাইতিকে ৪-২ গোলে হারিয়েছে মরক্কো। এই জয়ে শেষ ৩২ও নিশ্চিত হয়েছে তাদের। তবে গোল ব্যবধানে পিছিয়ে থাকায় গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হতে পারেননি আশরাফ হাকিমি, ইসমাইল সাইবারিরা।

‘সি’ গ্রুপে তিন ম্যাচে দুই জয় ও এক ড্রয়ে মোট ৭ পয়েন্ট পেয়েছে মরক্কো। তাদের সমান ৭ পয়েন্ট ব্রাজিলেরও। তবে গোলপার্থক্যে মরক্কোর (+৩) চেয়ে এগিয়ে থাকায় গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়েছে পাঁচবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল (+৬)।

হাইতির বিপক্ষে ঘুরে দাঁড়ানো জয়ে মরক্কোর হয়ে একটি করে গোল করেন আশরাফ হাকিমি, ইসমাইল সাইবারি, সুফিয়ান রহিমি ও গেসিম ইয়াসিন। হাইতির হয়ে একটি গোল দেন উইলসন ইসিডর। অন্যটি ছিল মরক্কোর গোলরক্ষক ইয়াসিন বোনুর আত্মঘাতী।

ফেভারিট হিসেবে খেলতে নেমে ম্যাচে পূর্ণ দাপটই দেখায় মরক্কো। ম্যাচজুড়ে প্রায় ৬৫ শতাংশ সময় বলের নিয়ন্ত্রণ ছিল তাদের দখলে। গোলের জন্য ১৯টি শট করে ১২টিই লক্ষ্য বরাবর রাখে তারা। বিপরীতে হাইতির ৭ শটের ২টি ছিল লক্ষ্য বরাবর।

তবে ম্যাচের দশম মিনিটে প্রথম গোলটি পায় হাইতিই। ম্যাচের দশম মিনিটে ডান দিক দিয়ে আক্রমণে ওঠেন জঁ-কেভিন দুভের্নে। চমৎকার ড্রিবলিংয়ে ডি-বক্সে ঢুকে ছয় গজের বক্সে বল এগিয়ে দেন এই ডিফেন্ডার।

জালের খুব কাছ থেকে দুর্দান্ত ব্যাক হিলে বল জালে পাঠান লেনি জোসেফ। তবে শেষ দিকে বোনুর গায়ে বল লাগায় এটি আত্মঘাতী হিসেবে লিপিবদ্ধ হয়। ফিফা বিশ্বকাপে ১৯৭৪ সালের পর এটিই ছিল হাইতির প্রথম গোল।

সমতা ফেরাতে মরিয়া হয়ে একের পর এক আক্রমণ করে মরক্কো। এর ফল পায় ৩৯ মিনিটে গিয়ে। বাম দিক থেকে আসা জোরাল ক্রস প্রথমে ঠেকালেও বিপদমুক্ত করতে পারেননি হাইতি গোলরক্ষক। জালের খুব কাছ থেকে পা ছুঁইয়ে ম্যাচে সমতা ফেরান হাকিমি।

চার মিনিট পর ডি বক্সের বাইরে থেকে ইসিডরের বুলেট গতির শটে আবার এগিয়ে যায় হাইতি। তবে এই দফায় বেশিক্ষণ লিড ধরে রাখতে পারেনি ক্যারিবিয়ান দেশটি। প্রথমার্ধের অতিরিক্ত যোগ করা সময়ে সাইবারির গোলের আবার সমতায় ফেরে মরক্কো।

দ্বিতীয়ার্ধে ফিরে হাইতিকে আর সুযোগই দেয়নি মরক্কো। মুহুর্মুহু আক্রমণে প্রতিপক্ষের রক্ষণে কাঁপন ধরায় তারা। যার সুফল মেলে ৭৮ মিনিটে। বদলি নামা সুফিয়ান রহিমির গোলে ম্যাচে প্রথমবারের মতো লিড নেয় আটলাস লায়নরা।

আর নির্ধারিত সময়ের একদম শেষ দিকে গিয়ে গেসিম ইয়াসিন লক্ষ্যভেদ করলে নিশ্চিত হয়ে যায় মরক্কোর জয়।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

রোমাঞ্চকর জয়ে দ্বিতীয় রাউন্ডে মরক্কো

আপডেট সময় : ১২:২৭:১৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬

শুরুতেই গোল হজম করে পিছিয়ে পড়েছিল মরক্কো। তবে গুছিয়ে নিয়ে নিজেদের সেরা রুপে ফিরতে সময় নিল না তারা। প্রথমার্ধে দুই গোলের সঙ্গে বিরতির পর আটলাস লায়নরা করল আরও দুই গোল। দারুণ জয়ে নিশ্চিত করে ফেলল নকআউট পর্বের টিকিট।

আটালান্টা স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় বৃহস্পতিবার ভোরের ম্যাচে হাইতিকে ৪-২ গোলে হারিয়েছে মরক্কো। এই জয়ে শেষ ৩২ও নিশ্চিত হয়েছে তাদের। তবে গোল ব্যবধানে পিছিয়ে থাকায় গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হতে পারেননি আশরাফ হাকিমি, ইসমাইল সাইবারিরা।

‘সি’ গ্রুপে তিন ম্যাচে দুই জয় ও এক ড্রয়ে মোট ৭ পয়েন্ট পেয়েছে মরক্কো। তাদের সমান ৭ পয়েন্ট ব্রাজিলেরও। তবে গোলপার্থক্যে মরক্কোর (+৩) চেয়ে এগিয়ে থাকায় গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়েছে পাঁচবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল (+৬)।

হাইতির বিপক্ষে ঘুরে দাঁড়ানো জয়ে মরক্কোর হয়ে একটি করে গোল করেন আশরাফ হাকিমি, ইসমাইল সাইবারি, সুফিয়ান রহিমি ও গেসিম ইয়াসিন। হাইতির হয়ে একটি গোল দেন উইলসন ইসিডর। অন্যটি ছিল মরক্কোর গোলরক্ষক ইয়াসিন বোনুর আত্মঘাতী।

ফেভারিট হিসেবে খেলতে নেমে ম্যাচে পূর্ণ দাপটই দেখায় মরক্কো। ম্যাচজুড়ে প্রায় ৬৫ শতাংশ সময় বলের নিয়ন্ত্রণ ছিল তাদের দখলে। গোলের জন্য ১৯টি শট করে ১২টিই লক্ষ্য বরাবর রাখে তারা। বিপরীতে হাইতির ৭ শটের ২টি ছিল লক্ষ্য বরাবর।

তবে ম্যাচের দশম মিনিটে প্রথম গোলটি পায় হাইতিই। ম্যাচের দশম মিনিটে ডান দিক দিয়ে আক্রমণে ওঠেন জঁ-কেভিন দুভের্নে। চমৎকার ড্রিবলিংয়ে ডি-বক্সে ঢুকে ছয় গজের বক্সে বল এগিয়ে দেন এই ডিফেন্ডার।

জালের খুব কাছ থেকে দুর্দান্ত ব্যাক হিলে বল জালে পাঠান লেনি জোসেফ। তবে শেষ দিকে বোনুর গায়ে বল লাগায় এটি আত্মঘাতী হিসেবে লিপিবদ্ধ হয়। ফিফা বিশ্বকাপে ১৯৭৪ সালের পর এটিই ছিল হাইতির প্রথম গোল।

সমতা ফেরাতে মরিয়া হয়ে একের পর এক আক্রমণ করে মরক্কো। এর ফল পায় ৩৯ মিনিটে গিয়ে। বাম দিক থেকে আসা জোরাল ক্রস প্রথমে ঠেকালেও বিপদমুক্ত করতে পারেননি হাইতি গোলরক্ষক। জালের খুব কাছ থেকে পা ছুঁইয়ে ম্যাচে সমতা ফেরান হাকিমি।

চার মিনিট পর ডি বক্সের বাইরে থেকে ইসিডরের বুলেট গতির শটে আবার এগিয়ে যায় হাইতি। তবে এই দফায় বেশিক্ষণ লিড ধরে রাখতে পারেনি ক্যারিবিয়ান দেশটি। প্রথমার্ধের অতিরিক্ত যোগ করা সময়ে সাইবারির গোলের আবার সমতায় ফেরে মরক্কো।

দ্বিতীয়ার্ধে ফিরে হাইতিকে আর সুযোগই দেয়নি মরক্কো। মুহুর্মুহু আক্রমণে প্রতিপক্ষের রক্ষণে কাঁপন ধরায় তারা। যার সুফল মেলে ৭৮ মিনিটে। বদলি নামা সুফিয়ান রহিমির গোলে ম্যাচে প্রথমবারের মতো লিড নেয় আটলাস লায়নরা।

আর নির্ধারিত সময়ের একদম শেষ দিকে গিয়ে গেসিম ইয়াসিন লক্ষ্যভেদ করলে নিশ্চিত হয়ে যায় মরক্কোর জয়।