ফরিদপুরের ভাঙ্গায় বেপরোয়া বাসের চাপায় নিহত ৫
- আপডেট সময় : ১১:১৮:১৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬
- / 20
ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের সুয়াদী বাসস্ট্যান্ডে দুর্ঘটনাকবলিত একটি পিকআপ উদ্ধারের সময় বেপরোয়া গতির একটি বাসের চাপায় পাঁচজন নিহত হয়েছেন। এতে আহত হয়েছেন অন্তত আরও পাঁচজন।
ঘটনার পর উত্তেজিত এলাকাবাসী মহাসড়কের অন্তত ছয়টি গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দিয়েছে। বর্তমানে স্থানীয়রা সড়কটি অবরোধ করে রেখেছেন।
শনিবার (১১ জুলাই) সন্ধ্যায় এই ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় হতাহত আরও বাড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
স্থানীয়রা জানিয়েছেন, নিহতের মধ্যে ডিমবাহী ট্রাকের চালকও রয়েছেন। এছাড়া এলাকাবাসী সূত্রে নিহত অপর তিনজনের পরিচয় পাওয়া গেছে। তারা হলেন স্থানীয় লিটনের ছেলে জয়নাল (২৭), বাবলুর ছেলে আরিফ (২৭) এবং ওবায়দুর (৪০)। ওবায়দুরের বাবার নাম জানা যায়নি। নিহত আরেক জনের পরিচয় এলাকাবাসী দিতে পারেনি। ট্রাক চালক বাদে নিহত ও আহতরা সবাই সোয়াদী এবং তার আশেপাশের এলাকার বাসিন্দা। গুরুতর আহতদের ভাঙ্গা, ফরিদপুর ও ঢাকায় পাঠানো হচ্ছে বলে জানা গেছে।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সুয়াদী বাসস্ট্যান্ডে ডিমভর্তি একটি পিকআপভ্যান বৃষ্টির কারণে দুর্ঘটনার শিকার হয়। এসময় স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় পিকআপ উদ্ধারের সময় ঢাকা থেকে গোপালগঞ্জগামী ‘নড়াইল এক্সপ্রেসের’ একটি বাস তাদের চাপা দেয়। পরে ঘটনাস্থলে একাধিক গাড়িতে আগুন দেয় স্থানীয়রা।
পরে খবর পেয়ে ভাঙ্গা হাইওয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান চালায় এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে।
ভাঙ্গা ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন ম্যানেজার আবু জাফর জানান, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে চেষ্টা করি। ঘটনাস্থলে পাঁচজনের মরদেহ রয়েছে। হাসপাতালে অনেক মানুষ গুরুতর আহত অবস্থায় রয়েছে। সেখানে খুবই আশঙ্কাজনক অবস্থায় রয়েছে কয়েকজন।
ভাঙ্গা থানার ওসি মিজানুর রহমান জানান, সুয়াদী বাসস্ট্যান্ডে ডিমভর্তি একটি পিকআপভ্যান বৃষ্টির কারণে দুর্ঘটনার শিকার হয়। এসময় স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় পিকআপ উদ্ধারের সময় ঢাকা থেকে গোপালগঞ্জ গামী নড়াইল এক্সপ্রেস তাদের চাপা দেয়।
এদিকে দুর্ঘটনার পর সড়কের দুই পাশে শত শত যানবাহন আটকা পড়ে। উত্তেজিত জনতা একাধিক যানবাহন ভাঙচুর ও একাধিক গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয়। এ রিপোর্ট লেখা সময় (রাত ৯টা) পর্যন্ত প্রশাসনের কোনো লোকজন উত্তেজিত জনতার সামনে ভিড়তে পারে নাই। সড়কের উপর একাধিক যানবাহন আগুনে পুড়ছে। উত্তেজিত জনতা ৩০-৪০টি যানবাহন ভাঙচুর করে।





















চট্টগ্রাম অঞ্চলে বন্যা-পাহাড়ধসে ৬ দিনে ৪৩ প্রাণহানি