ঢাকা ০২:৪৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আগামী বছরের প্রথমদিকেই ইউপি নির্বাচন: স্থানীয় সরকারমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১১:০৯:১১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬
  • / 6

আগামী বছরের প্রথমদিকেই ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, এই নির্বাচন হবে সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ। এখানে বিএনপি বা জামায়াতে ইসলামী বলে কেউ কোনো সুবিধা পাবে না।

বুধবার (২২ জুলাই) বিকেলে রাজধানীর কাকরাইলে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটে বাংলাদেশ ইউনিয়ন চেয়ারম্যান-মেম্বার অ্যাসোসিয়েশন আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, আপনাদের জনগণের ভালোবাসা নিয়েই নির্বাচিত হতে হবে। চেয়ারম্যান, মেম্বার ও মহিলা সদস্যদেরও জনগণের ভালোবাসা নিয়ে নির্বাচিত হতে হবে। অর্থাৎ সত্যিকার অর্থেই গণতন্ত্রের মূল ভিত্তি যেটা, সেটা হলো একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন। সে নির্বাচনে আপনারা নির্বাচিত হয়ে আসবেন।

তিনি আরও বলেন, আমাদের মধ্যে নতুন একটা বিভাজনের রাজনীতি করার চেষ্টা করা হচ্ছে। ধর্মের নাম নিয়ে বিভক্ত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। এটাও আমাদের জন্য সঠিক নয়। আমরা ইসলাম ধর্মে বিশ্বাসী, আমরা সবচেয়ে সংখ্যাগরিষ্ঠ। ধর্মে পরিষ্কার করে বলা হয়েছে, অন্য ধর্মকেও যেন আমরা খাটো করে না দেখি।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, ধর্মকে নিয়ে আমাদের এমন আচরণ করা উচিত নয়, যাতে শুধু নিজের ধর্মকেই সবসময় সামনে রাখা হয়। অন্য ধর্মাবলম্বীদের প্রতিও একই সম্মান ও আচরণ দেখাতে হবে। ধর্ম যার যার, কিন্তু রাষ্ট্র সবার।

স্থানীয় সরকার শক্তিশালী হলে দেশ ও গণতন্ত্র শক্তিশালী হয় উল্লেখ করে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, ১৯৭১-এর পর আশা করেছিলাম তা হবে। কিন্তু তা হয়নি। আমরা চাই স্থানীয় সরকার শক্তিশালী হোক।

তিনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগ আর গণতন্ত্র একসঙ্গে যায় না। যখনই তারা ক্ষমতায় এসেছে, তারা গণতন্ত্র ধ্বংস করেছে। একটি নির্বাচনও ঠিক হয়নি, সব লুট করে, জোর করে নিয়ে গেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আগামী বছরের প্রথমদিকেই ইউপি নির্বাচন: স্থানীয় সরকারমন্ত্রী

আপডেট সময় : ১১:০৯:১১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬

আগামী বছরের প্রথমদিকেই ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, এই নির্বাচন হবে সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ। এখানে বিএনপি বা জামায়াতে ইসলামী বলে কেউ কোনো সুবিধা পাবে না।

বুধবার (২২ জুলাই) বিকেলে রাজধানীর কাকরাইলে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটে বাংলাদেশ ইউনিয়ন চেয়ারম্যান-মেম্বার অ্যাসোসিয়েশন আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, আপনাদের জনগণের ভালোবাসা নিয়েই নির্বাচিত হতে হবে। চেয়ারম্যান, মেম্বার ও মহিলা সদস্যদেরও জনগণের ভালোবাসা নিয়ে নির্বাচিত হতে হবে। অর্থাৎ সত্যিকার অর্থেই গণতন্ত্রের মূল ভিত্তি যেটা, সেটা হলো একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন। সে নির্বাচনে আপনারা নির্বাচিত হয়ে আসবেন।

তিনি আরও বলেন, আমাদের মধ্যে নতুন একটা বিভাজনের রাজনীতি করার চেষ্টা করা হচ্ছে। ধর্মের নাম নিয়ে বিভক্ত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। এটাও আমাদের জন্য সঠিক নয়। আমরা ইসলাম ধর্মে বিশ্বাসী, আমরা সবচেয়ে সংখ্যাগরিষ্ঠ। ধর্মে পরিষ্কার করে বলা হয়েছে, অন্য ধর্মকেও যেন আমরা খাটো করে না দেখি।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, ধর্মকে নিয়ে আমাদের এমন আচরণ করা উচিত নয়, যাতে শুধু নিজের ধর্মকেই সবসময় সামনে রাখা হয়। অন্য ধর্মাবলম্বীদের প্রতিও একই সম্মান ও আচরণ দেখাতে হবে। ধর্ম যার যার, কিন্তু রাষ্ট্র সবার।

স্থানীয় সরকার শক্তিশালী হলে দেশ ও গণতন্ত্র শক্তিশালী হয় উল্লেখ করে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, ১৯৭১-এর পর আশা করেছিলাম তা হবে। কিন্তু তা হয়নি। আমরা চাই স্থানীয় সরকার শক্তিশালী হোক।

তিনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগ আর গণতন্ত্র একসঙ্গে যায় না। যখনই তারা ক্ষমতায় এসেছে, তারা গণতন্ত্র ধ্বংস করেছে। একটি নির্বাচনও ঠিক হয়নি, সব লুট করে, জোর করে নিয়ে গেছে।