গুম-হত্যার আসামিদের হস্তান্তর না করায় ভারতের সমালোচনা রিজভীর
- আপডেট সময় : ০২:২০:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / 5
ভারতের ভূমিকা নিয়ে অভিযোগ তুলে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বকে উপেক্ষা করে কোনো ধরনের ষড়যন্ত্র মেনে নেওয়া হবে না। বাংলাদেশের স্বার্থ ও মর্যাদাকে সবার আগে রাখতে হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দল ও মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্ম আয়োজিত মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
‘পতিত স্বৈরাচার শেখ হাসিনা ও ভারতের ইন্ধনে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে গভীর ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে’ এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
রিজভী বলেন, বাংলাদেশ একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম দেশ। দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে কোনো আপস করা হবে না।
তিনি অভিযোগ করেন, শেখ হাসিনাকে ভারত আশ্রয় দিয়েছে এবং তার সরকারের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অনেক ব্যক্তি সেখানেও অবস্থান করছেন। বাংলাদেশ সরকার বারবার শেখ হাসিনাকে হস্তান্তরের দাবি জানালেও ভারত তা করছে না বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
বিএনপির এই নেতা বলেন, যাদের বিরুদ্ধে জুলাই আন্দোলনে হত্যাকাণ্ডসহ গুরুতর অভিযোগ রয়েছে এবং বাংলাদেশে যাদের বিচার চলছে, তাদের হস্তান্তর করা হচ্ছে না কেন-এটি মানুষের বড় প্রশ্ন।
ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের প্রসঙ্গে রিজভী বলেন, দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের কথা বলা হলেও বাংলাদেশের স্বার্থ ও সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে সমতার ভিত্তিতে সম্পর্ক চায় দেশের মানুষ।
তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাম্প্রতিক আন্তর্জাতিক সম্মেলনে অংশ না নেওয়ার সিদ্ধান্ত বাংলাদেশের মর্যাদা ও সার্বভৌমত্বের বিষয়টি সামনে এনেছে। কোনো স্বাধীন দেশের প্রধানমন্ত্রীকে সমমর্যাদায় আমন্ত্রণ না জানালে সেখানে অংশ নেওয়া নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়।
দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে রিজভী বলেন, নানা সংকটের মধ্যেও রেমিট্যান্স প্রবাহ ও বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়েছে। সরকারের অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনার কারণে অর্থনীতির কয়েকটি সূচকে ইতিবাচক পরিবর্তন এসেছে বলে দাবি করেন তিনি।
গণতন্ত্র প্রসঙ্গে তিনি বলেন, নাগরিক স্বাধীনতা, কথা বলার অধিকার, কণ্ঠের স্বাধীনতা, আইনের শাসন ও বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিত করাই বিএনপির অঙ্গীকার।
রিজভীর দাবি, বর্তমান সরকার সেই অঙ্গীকার নিয়েই রাষ্ট্র পরিচালনা করছে। সংসদে বিরোধী দলের সদস্যরা সরকারের সমালোচনা করছেন এবং কঠোর বক্তব্যও দিচ্ছেন। তবে তাদের বিরুদ্ধে আগের সরকারের মতো বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটছে না বলেও দাবি করেন তিনি।
গণতন্ত্র সচল রাখা এবং নাগরিক স্বাধীনতা নিশ্চিত করাই বিএনপির মূল লক্ষ্য বলেও মন্তব্য করেন রিজভী।























আগামী ৩ মাস ডেঙ্গু পরিস্থিতি খারাপ হতে পারে: প্রেস সচিব