আক্রান্ত শাবানা আজমি, যোগ দিতে পারলেন না আন্দোলনে
- আপডেট সময় : ০২:৩১:৫৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬
- / 7
ভারতে নিটসহ বিভিন্ন পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগসহ বিভিন্ন দাবিতে এখনও বিক্ষোভ করছে আন্দোলনকারীরা। দিল্লির যন্তর-মন্তরে তাদের বিক্ষোভ কর্মসূচিতে নানা শ্রেণিপেশার মানুষের মতো যোগ দেন বলিউডের বর্ষীয়ান অভিনেত্রী শাবানা আজমি। কিন্তু শেষ মুহূর্তে সোয়াইন ফ্লুতে আক্রান্ত হওয়ায় বিক্ষোভ কর্মসূচিতে অংশ নিতে পারেননি তিনি।
অভিনেত্রীর পক্ষ থেকে তার টিমের পাঠানো এক বিবৃতিতে বলা হয়, টানা তিন দিন ধরে চলা ছাত্র আন্দোলনে সরাসরি অংশ নেওয়ার পর গত শুক্রবার মুম্বাইয়ের শিবাজি পার্কে আরেকটি বিক্ষোভে যোগ দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তিনি বর্তমানে ১০২ ডিগ্রি জ্বরে ভুগছেন। চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী তাকে সম্পূর্ণ বিশ্রামে থাকতে বলা হয়েছে এবং পাঁচ দিনের জন্য আইসোলেশনে রাখা হয়েছে।
আরও বলা হয়, বর্তমানে অভিনেত্রী শাবানা আজমি চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে বাসায় থেকেই সুস্থ হওয়ার চেষ্টা করছেন।
আন্দোলনের সামনের সারিতে ছিলেন শাবানা
গত কয়েক দিন ধরে দিল্লির যন্তর-মন্তরে চলমান ছাত্র আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে অংশ নিয়েছেন ৭৫ বছর বয়সী অভিনেত্রী শাবানা আজমি। শুধু আন্দোলনস্থলে উপস্থিত থাকাই নয়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও নিয়মিত আন্দোলনের আপডেট ও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য শেয়ার করেছেন তিনি।
গত ২০ জুলাই ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (সিজেপি) আয়োজিত কর্মসূচিতে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সংহতি জানিয়ে অংশ নেন শাবানা। আন্দোলনকারীরা বিভিন্ন পরীক্ষায় অনিয়ম, বিশেষ করে নিট প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগের বিচার এবং শিক্ষা ব্যবস্থার সংস্কারের দাবিতে বিক্ষোভ চালিয়ে যাচ্ছেন।
যে কারণে অসুস্থ হলেন
এর আগে, ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে শাবানা জানান, আন্দোলনের সময় পুলিশের ছোড়া টিয়ার গ্যাসের কারণে তিনি অ্যাজমার আক্রমণের শিকার হন।
তিনি বলেন, আমি অ্যাজমার রোগী। টিয়ার গ্যাসের কারণে আমার অ্যাজমার অ্যাটাক হয়েছিল। তবে আমার ইনহেলার সঙ্গে ছিল, তাই এখন ভালো আছি। আমাকে সম্মানের সঙ্গে কাছের একটি ভবনে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। কিছুটা স্বাভাবিক হওয়ার পর আবার ফিরে গিয়ে লাঠিচার্জের শিকার শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলেছি। তাদের মনোবল সত্যিই অসাধারণ। তাদের সবাইকে আমার সালাম।
প্রসঙ্গত, শনিবার তৃতীয় দফায় সরকারের সাথে বৈঠকে বসবে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রতিনিধিরা। তবে এরইমধ্যে দলটির পক্ষ থেকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ ইস্যুতে কোন আপস হবে না। জনস্রোত বন্ধে শনিবারও বন্ধ রাখা হয়েছে দিল্লির ১৮টি মেট্রো স্টেশন। যন্তর-মন্তরে বাড়ানো হয়েছে পুলিশের উপস্থিতি, ব্যারিকেড।

























পদত্যাগ করলেন ভারতের শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান