জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট ছাড়ল খেলাফত মজলিস
- আপডেট সময় : ০৩:৪৮:৪০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬
- / 6
জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য থেকে বেরিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে খেলাফত মজলিস। শনিবার (২৫ জুলাই) রাজধানীর কাকরাইলের ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে দলের মজলিসে শূরার গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক শেষে আনুষ্ঠানিকভাবে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়।
দলটির নেতারা জানান, ১১ দলীয় ঐক্য মূলত একটি নির্বাচনী সমঝোতা ছিল। নির্বাচন শেষ হওয়ার মধ্য দিয়ে এ ঐক্যের কার্যকারিতাও মূলত শেষ হয়ে যায়। তবে নির্বাচন পরবর্তী সময়ে ১১ দলীয় কিছু কর্মসূচিতে খেলাফত মজলিস অংশ নিয়েছিল। এখন থেকে এ ঐক্যের সব ধরনের কর্মসূচি থেকে বিরত থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দলটি।
খেলাফত মজলিসের নেতারা জানান, ভবিষ্যতে দেশ, জাতি ও ইসলামের স্বার্থে বৃহত্তর ঐক্য গড়ে তোলার প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে। একই সঙ্গে জাতীয় সংসদে দলটির সংসদ সদস্য মুফতি আবুল হাসান বিরোধী দলের ভূমিকা পালন করবেন বলেও জানানো হয়।
দলের আমির মাওলানা আব্দুল বাছিত আজাদের সভাপতিত্বে এবং মহাসচিব ড. আহমদ আবদুল কাদেরের সঞ্চালনায় মজলিসে শূরার তৃতীয় সাধারণ অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়। এতে দলের নায়েবে আমির মাওলানা সাখাওয়াত হোসাইন, মাওলানা আহমদ আলী কাসেমী, অধ্যাপক আবদুল্লাহ ফরিদ, অধ্যাপক সিরাজুল হক, মাওলানা সাইয়্যেদ ফেরদাউস বিন ইসহাক, মুফতি আবদুল হামিদসহ কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকে সরকারের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করেন দলটির নেতারা। তারা বলেন, জুলাই সনদ ও গণভোটের পূর্ণাঙ্গ রায়কে পাশ কাটিয়ে সরকার সংবিধান সংশোধনের বিশেষ কমিটি গঠন করেছে। তাদের অভিযোগ, জনগণের রায় উপেক্ষা করে নিজস্ব প্রক্রিয়ায় সংবিধান সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
নেতারা বলেন, জনগণ এমন সংবিধান সংস্কার চায়, যার মাধ্যমে স্বৈরাচার ও ফ্যাসিবাদ পুনঃপ্রতিষ্ঠার সব পথ চিরতরে বন্ধ করা যাবে। এ জন্য জুলাই জাতীয় সনদ ও গণভোটের রায় পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়নে সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন জরুরি।
গণভোটের রায় উপেক্ষার চেষ্টা করলে সরকার সংকটে পড়বে মন্তব্য করে তারা বলেন, জনরায়ের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে সরকারকে সংসদে দ্রুত সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন এবং জুলাই সনদের পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়নে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। একই সঙ্গে জুলাই ও শাপলা গণহত্যাসহ ফ্যাসিবাদী অপশক্তির বিচার প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করার জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানান তারা।





















সাবেক দুই রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ দায়ের