ঢাকা ১২:১১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আসিফ নজরুলের সিদ্ধান্তেই বিশ্বকাপ খেলেনি বাংলাদেশ!

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১১:১৫:০২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / 2

একটি বিশ্বকাপ, একটি সিদ্ধান্ত এবং তার পর দীর্ঘদিনের প্রশ্ন! কেন বিশ্বকাপের মতো বড় মঞ্চে বাংলাদেশ খেলল না-এই প্রশ্ন ঘুরেফিরে এসেছে দেশের ক্রিকেটাঙ্গনে। নিরাপত্তা শঙ্কাকে সামনে রেখে নেওয়া সেই সিদ্ধান্তের পেছনে আসলে কার ভূমিকা ছিল, সেটি নিয়েও কম আলোচনা হয়নি। এবার সেই প্রশ্নের উত্তর মিলেছে তদন্ত প্রতিবেদনে।

গত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে না খেলা নিয়ে একটি স্পষ্ট উত্তর মিলেছে তদন্ত প্রতিবেদনে। জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের (এনএসসি) গঠিত তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তৎকালীন যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুলের সিদ্ধান্তেই বিশ্বকাপে যায়নি বাংলাদেশ। একই সঙ্গে ওই সিদ্ধান্তের সঙ্গে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) দ্বিমত ছিল না বলেও প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।

বিশ্বকাপের মতো বড় একটি আন্তর্জাতিক আসরে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ না করার সিদ্ধান্তের নেপথ্য কারণ অনুসন্ধানে গত মার্চে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছিল জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ। যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন অনুবিভাগ) ড. এ. কে. এম. ওলি উল্যার নেতৃত্বে গঠিত কমিটির অন্য দুই সদস্য ছিলেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার ফয়সাল দস্তগীর এবং জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক ও বর্তমান প্রধান নির্বাচক হাবিবুল বাশার।

দীর্ঘ তদন্ত শেষে মঙ্গলবার ২২ পৃষ্ঠার প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়। জাতীয় ক্রীড়া পরিষদে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তদন্ত কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার ফয়সাল দস্তগীর বিশ্বকাপে বাংলাদেশ না যাওয়ার জন্য সরাসরি তৎকালীন যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুলকে দায়ী করেন।

ফয়সাল বলেন, ‘তদন্তে যা উঠে এসেছে, সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে, সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন ও সবকিছু মিলিয়ে যা বলা যায়, যে মানুষটি দায়ী (বিশ্বকাপে না যাওয়ার জন্য), তিনি হলেন তৎকালীন যুব ও ক্রীড়া উপেদষ্টা আসিফ নজরুল। সেই সময়ের সরকার ও তিনি দায়ী।’

তদন্ত কমিটির এই সদস্য জানান, ক্রীড়া মন্ত্রণালয় থেকে বিসিবিতে চিঠি পাঠিয়ে বিশ্বকাপে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত জানানো হয়েছিল। বিসিবি সেই সিদ্ধান্তের সঙ্গে দ্বিমত করেনি। অর্থাৎ, বিশ্বকাপ থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্তটি শুধু মন্ত্রণালয় পর্যায়েই সীমাবদ্ধ ছিল না, দেশের ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থার সম্মতিও এর সঙ্গে ছিল।

বিশ্বকাপে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ না করা উচিত ছিল কি না, সে বিষয়েও তদন্ত কমিটির অবস্থান স্পষ্ট করেছে। ফয়সাল বলেন, ‘বাংলাদেশের অবশ্যই বিশ্বকাপে খেলতে যাওয়া উচিত ছিল।’

তদন্ত প্রতিবেদনে সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া খতিয়ে দেখার পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্যও তুলে ধরা হয়েছে। কমিটি মোট ১২ জনের সাক্ষাৎকার নিয়েছে। তাদের মধ্যে ছিলেন জাতীয় দলের টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক লিটন কুমার দাস ও টেস্ট অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত।

ক্রিকেট অঙ্গনের আরও যাদের সঙ্গে কথা বলেছে তদন্ত কমিটি, তাদের মধ্যে রয়েছেন সাবেক অধিনায়ক ও বর্তমান বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবাল খান, বোর্ডের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল হক, বিসিবির প্রধান নির্বাহী নিজাম উদ্দিন চৌধুরি, জাতীয় দলের কোচ ও সে সময়ের সিনিয়র সহকারী কোচ মোহাম্মদ সালাউদ্দিন এবং সে সময়ের বিসিবি পরিচালক ও ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগের প্রধান নাজমূল আবেদীন।

এ ছাড়া যুব ও ক্রীড়া সচিব মোঃ মাহবুব-উল-আলমের বক্তব্যও নেয় তদন্ত কমিটি। সংবাদমাধ্যমের ভূমিকা বোঝার জন্য বাংলাদেশ স্পোর্টস জার্নালিস্টস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি আরিফুর রহমান বাবু, সাধারণ সম্পাদক এস এম সুমন এবং বাংলাদেশ স্পোর্টস প্রেস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি রেজওয়ান উজ জামান রাজিব ও সাধারণ সম্পাদক সুদীপ্ত আহমেদের সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়।

যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ সেই সাবেক ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল আর তৎকালীন বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুলের সঙ্গেও কথা বলতে চেয়েছে তদন্ত কমিটি। কিন্তু তাদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও বক্তব্য নিতে পারেনি বলে জানিয়েছেন তারা।

নিরাপত্তা শঙ্কার কথা উল্লেখ করে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে ভারতের মাটিতে অনুষ্ঠিত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিল বাংলাদেশ। শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশের জায়গায় স্কটল্যান্ডকে নিয়ে বিশ্বকাপের আয়োজন করা হয়। কিন্তু নিরাপত্তা শঙ্কাটিই প্রকৃত কারণ ছিল কি না, নাকি এর পেছনে অন্য কোনো সিদ্ধান্ত কাজ করেছিল-তা নিয়ে তখন থেকেই প্রশ্ন উঠেছিল।

বিশ্বকাপ থেকে বাংলাদেশের সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত দেশের ক্রীড়াঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দেয়। সরকারের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদও করেছিলেন অনেকে। সেই বিতর্কের অবসান ঘটাতেই পরে কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত কমিটি গঠন করে বর্তমান যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়।

তদন্তে সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য, সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া পর্যালোচনা করে কমিটি যে সিদ্ধান্তে পৌঁছেছে, তার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন তৎকালীন যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল। একই সঙ্গে বিসিবির ভূমিকার বিষয়টিও প্রতিবেদনে স্পষ্ট হয়েছে। মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্তের বিরোধিতা না করে বিসিবি তাতে সম্মতি দেওয়ায় শেষ পর্যন্ত বিশ্বকাপের মঞ্চে বাংলাদেশের অনুপস্থিতি নিশ্চিত হয়।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আসিফ নজরুলের সিদ্ধান্তেই বিশ্বকাপ খেলেনি বাংলাদেশ!

আপডেট সময় : ১১:১৫:০২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

একটি বিশ্বকাপ, একটি সিদ্ধান্ত এবং তার পর দীর্ঘদিনের প্রশ্ন! কেন বিশ্বকাপের মতো বড় মঞ্চে বাংলাদেশ খেলল না-এই প্রশ্ন ঘুরেফিরে এসেছে দেশের ক্রিকেটাঙ্গনে। নিরাপত্তা শঙ্কাকে সামনে রেখে নেওয়া সেই সিদ্ধান্তের পেছনে আসলে কার ভূমিকা ছিল, সেটি নিয়েও কম আলোচনা হয়নি। এবার সেই প্রশ্নের উত্তর মিলেছে তদন্ত প্রতিবেদনে।

গত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে না খেলা নিয়ে একটি স্পষ্ট উত্তর মিলেছে তদন্ত প্রতিবেদনে। জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের (এনএসসি) গঠিত তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তৎকালীন যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুলের সিদ্ধান্তেই বিশ্বকাপে যায়নি বাংলাদেশ। একই সঙ্গে ওই সিদ্ধান্তের সঙ্গে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) দ্বিমত ছিল না বলেও প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।

বিশ্বকাপের মতো বড় একটি আন্তর্জাতিক আসরে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ না করার সিদ্ধান্তের নেপথ্য কারণ অনুসন্ধানে গত মার্চে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছিল জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ। যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন অনুবিভাগ) ড. এ. কে. এম. ওলি উল্যার নেতৃত্বে গঠিত কমিটির অন্য দুই সদস্য ছিলেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার ফয়সাল দস্তগীর এবং জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক ও বর্তমান প্রধান নির্বাচক হাবিবুল বাশার।

দীর্ঘ তদন্ত শেষে মঙ্গলবার ২২ পৃষ্ঠার প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়। জাতীয় ক্রীড়া পরিষদে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তদন্ত কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার ফয়সাল দস্তগীর বিশ্বকাপে বাংলাদেশ না যাওয়ার জন্য সরাসরি তৎকালীন যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুলকে দায়ী করেন।

ফয়সাল বলেন, ‘তদন্তে যা উঠে এসেছে, সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে, সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন ও সবকিছু মিলিয়ে যা বলা যায়, যে মানুষটি দায়ী (বিশ্বকাপে না যাওয়ার জন্য), তিনি হলেন তৎকালীন যুব ও ক্রীড়া উপেদষ্টা আসিফ নজরুল। সেই সময়ের সরকার ও তিনি দায়ী।’

তদন্ত কমিটির এই সদস্য জানান, ক্রীড়া মন্ত্রণালয় থেকে বিসিবিতে চিঠি পাঠিয়ে বিশ্বকাপে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত জানানো হয়েছিল। বিসিবি সেই সিদ্ধান্তের সঙ্গে দ্বিমত করেনি। অর্থাৎ, বিশ্বকাপ থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্তটি শুধু মন্ত্রণালয় পর্যায়েই সীমাবদ্ধ ছিল না, দেশের ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থার সম্মতিও এর সঙ্গে ছিল।

বিশ্বকাপে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ না করা উচিত ছিল কি না, সে বিষয়েও তদন্ত কমিটির অবস্থান স্পষ্ট করেছে। ফয়সাল বলেন, ‘বাংলাদেশের অবশ্যই বিশ্বকাপে খেলতে যাওয়া উচিত ছিল।’

তদন্ত প্রতিবেদনে সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া খতিয়ে দেখার পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্যও তুলে ধরা হয়েছে। কমিটি মোট ১২ জনের সাক্ষাৎকার নিয়েছে। তাদের মধ্যে ছিলেন জাতীয় দলের টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক লিটন কুমার দাস ও টেস্ট অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত।

ক্রিকেট অঙ্গনের আরও যাদের সঙ্গে কথা বলেছে তদন্ত কমিটি, তাদের মধ্যে রয়েছেন সাবেক অধিনায়ক ও বর্তমান বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবাল খান, বোর্ডের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল হক, বিসিবির প্রধান নির্বাহী নিজাম উদ্দিন চৌধুরি, জাতীয় দলের কোচ ও সে সময়ের সিনিয়র সহকারী কোচ মোহাম্মদ সালাউদ্দিন এবং সে সময়ের বিসিবি পরিচালক ও ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগের প্রধান নাজমূল আবেদীন।

এ ছাড়া যুব ও ক্রীড়া সচিব মোঃ মাহবুব-উল-আলমের বক্তব্যও নেয় তদন্ত কমিটি। সংবাদমাধ্যমের ভূমিকা বোঝার জন্য বাংলাদেশ স্পোর্টস জার্নালিস্টস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি আরিফুর রহমান বাবু, সাধারণ সম্পাদক এস এম সুমন এবং বাংলাদেশ স্পোর্টস প্রেস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি রেজওয়ান উজ জামান রাজিব ও সাধারণ সম্পাদক সুদীপ্ত আহমেদের সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়।

যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ সেই সাবেক ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল আর তৎকালীন বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুলের সঙ্গেও কথা বলতে চেয়েছে তদন্ত কমিটি। কিন্তু তাদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও বক্তব্য নিতে পারেনি বলে জানিয়েছেন তারা।

নিরাপত্তা শঙ্কার কথা উল্লেখ করে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে ভারতের মাটিতে অনুষ্ঠিত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিল বাংলাদেশ। শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশের জায়গায় স্কটল্যান্ডকে নিয়ে বিশ্বকাপের আয়োজন করা হয়। কিন্তু নিরাপত্তা শঙ্কাটিই প্রকৃত কারণ ছিল কি না, নাকি এর পেছনে অন্য কোনো সিদ্ধান্ত কাজ করেছিল-তা নিয়ে তখন থেকেই প্রশ্ন উঠেছিল।

বিশ্বকাপ থেকে বাংলাদেশের সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত দেশের ক্রীড়াঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দেয়। সরকারের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদও করেছিলেন অনেকে। সেই বিতর্কের অবসান ঘটাতেই পরে কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত কমিটি গঠন করে বর্তমান যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়।

তদন্তে সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য, সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া পর্যালোচনা করে কমিটি যে সিদ্ধান্তে পৌঁছেছে, তার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন তৎকালীন যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল। একই সঙ্গে বিসিবির ভূমিকার বিষয়টিও প্রতিবেদনে স্পষ্ট হয়েছে। মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্তের বিরোধিতা না করে বিসিবি তাতে সম্মতি দেওয়ায় শেষ পর্যন্ত বিশ্বকাপের মঞ্চে বাংলাদেশের অনুপস্থিতি নিশ্চিত হয়।