প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর: ঢাকা-দিল্লি কূটনৈতিক আলোচনা শুরু
- আপডেট সময় : ০৩:৪২:৪০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / 7
দুই দেশের সম্পর্কের সাময়িক টানাপড়েনের পর বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য নয়াদিল্লি সফরকে ঘিরে পুনরায় আনুষ্ঠানিক পর্যায়ের কূটনৈতিক আলোচনা শুরু করেছে বাংলাদেশ এবং ভারত।
শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) ভারতের প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম দ্য হিন্দু এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
ভারতে অবস্থানরত বাংলাদেশের পতিত সরকারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার একটি ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনকে কেন্দ্র করে অতি সম্প্রতি ঢাকা-দিল্লির সম্পর্কে নতুন করে অসন্তোষ তৈরি হয়। তবুও সেই জটিলতা কাটিয়ে উঠে উভয় দেশের কর্মকর্তারা নিয়মিত বৈঠক করে যাচ্ছেন।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এই সফরে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য স্বাভাবিক করা এবং গঙ্গা পানিচুক্তি নবায়নের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো উঠে আসবে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চলতি মাসে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্ক যাবেন।
সেপ্টেম্বর থেকে নভেম্বর পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রীর একাধিক কূটনৈতিক ব্যস্ততা রয়েছে। নভেম্বর মাসের কোন একটি সুবিধাজনক সময়ে তারেক রহমানে নয়াদিল্লি সফর নিশ্চিতের চেষ্টা চলছে।
এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী ঢাকার একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তার সঙ্গে একের পর এক বৈঠক করে যাচ্ছেন। এর মধ্যে রয়েছেন পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন।
সম্প্রতি অনুষ্ঠিত ব্রিকস সম্মেলনে বিমসটেক প্রধান হিসেবে তারেক রহমানকে আমন্ত্রণ জানানো হলেও বাংলাদেশের পক্ষ থেকে কোনো প্রতিনিধি পাঠানো হয়নি ভারতে। এ বিষয়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবীর জানিছেলিলেন, ভারতের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক পুনর্গঠন করতেই একটি সম্পূর্ণ অনুকূল সময়ে শীর্ষ পর্যায়ের এই দ্বিপক্ষীয় সফরকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।
ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর থেকে ভারতে অবস্থান করছেন সাবেক সাবেক প্রধান্মন্ত্রী শেখ হাসিনা। সম্প্রতি তার এক বক্তব্যে ক্ষোভ প্রকাশ করে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
এদিকে ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে আন্দোলনকারীদের ওপর মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (আইসিটি) শেখ হাসিনাসহ তার প্রশাসনের বেশ কয়েকজন শীর্ষ মন্ত্রী ও কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডের রায় দিয়েছেন।
সূত্রের বরাতে দ্য হিন্দুর প্রকাশিত প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, লন্ডনে নির্বাসনে থাকার সময় থেকেই ভারতের সঙ্গে যোগাযোগ বজায় রেখেছিলেন তারেক রহমান। ২০২৪ সালের বিতর্কিত নির্বাচনের পরপরই তিনি নিজ প্রতিনিধিকে ভারতে পাঠিয়েছিলেন। এ ছাড়া সেই নির্বাচনের দুই মাস আগে বর্তমান জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু নয়াদিল্লি সফর করেছিলেন। ‘দ্য হিন্দু’ কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বাংলাদেশের জনগণের ‘গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষার প্রতি দ্ব্যর্থহীন সমর্থন’ জানানোর জন্য ভারতকে আহ্বান জানিয়েছিলেন তিনি।
২০১৮ সালেও আব্দুল আউয়াল মিন্টু, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এবং হুমায়ুন কবীরকে নিয়ে গঠিত একটি প্রতিনিধিদল নয়াদিল্লি সফর করেছিল।























বাব আল-মান্দেব প্রণালির কাছে যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন করছে ইতালি