ভারতে সামরিক হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত, ৩ সেনা কর্মকর্তার সেলফি
- আপডেট সময় : ০১:৩৪:৪৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৩ মে ২০২৬
- / 34
লাদাখের লেহ সংলগ্ন পার্বত্য তাংস্তে অঞ্চলে ভারতীয় সেনাবাহিনীর একটি হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হওয়ার পর অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে গেছেন ৩ সেনা কর্মকর্তা। পুরোনো মডেলের চিতা বহরের এই হেলিকপ্টারটিতে একজন লেফটেন্যান্ট কর্নেল, একজন মেজর এবং একজন মেজর জেনারেল ছিলেন। গত ২০ মে দুর্ঘটনাটি ঘটে এবং আজ সকালে আনুষ্ঠানিকভাবে এই খবর নিশ্চিত করা হয়েছে।
সিঙ্গেল ইঞ্জিনের এই হেলিকপ্টারটি চালাচ্ছিলেন ওই লেফটেন্যান্ট কর্নেল ও মেজর। অন্যদিকে, থার্ড ইনফ্যান্ট্রি ডিভিশনের জেনারেল অফিসার কমান্ডিং মেজর জেনারেল শচীন মেহতা যাত্রী হিসেবে এতে আরোহন করেছিলেন। দুর্ঘটনায় ৩ জনই আহত হয়েছেন। তবে বিধ্বস্ত হওয়ার পর অন্য দুই কর্মকর্তার সঙ্গে মেজর জেনারেল মেহতার তোলা একটি সেলফি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ভাইরাল হয়েছে। খবর- এনডিটিভি’র।
দুর্গম পাহাড়ি পরিবেশ এবং পুরোনো চিতা বহরের সীমাবদ্ধতার কথা বিবেচনা করে তাদের এই বেঁচে ফেরাকে ‘অলৌকিক ঘটনা’ হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে। এই দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে আনুষ্ঠানিক তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সাম্প্রতিক এই দুর্ঘটনাটি চিতা হেলিকপ্টারের নিরাপত্তা নিয়ে আবারও বিতর্কের জন্ম দিয়েছে, যা ১৯৭০-এর দশকে প্রথম চালু হয়েছিল। ১৯৮৪ সালে সিয়াচেন হিমবাহে পাকিস্তানি সৈন্যদের বিরুদ্ধে ‘অপারেশন মেঘদূত’-এ ব্যবহৃত হওয়া এই হেলিকপ্টারগুলো গত কয়েক বছরে বেশ কয়েকটি দুর্ঘটনার কবলে পড়েছে।
বর্তমানে এই চিতা বহরকে পর্যায়ক্রমে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে এবং এর পরিবর্তে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন হিন্দুস্তান অ্যারোনটিকস লিমিটেড (হ্যাল)-এর তৈরি দেশীয় লাইট ইউটিলিটি হেলিকপ্টার (এলইউএইচ) বা নেভাল ইউটিলিটি হেলিকপ্টার যুক্ত করা হচ্ছে।
সেনাবাহিনী ইতোমধ্যে সীমিত পরিসরে উৎপাদিত ৬টি এলইউএইচ-এর অর্ডার দিয়েছে। এগুলো সর্বোচ্চ ২২০ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা গতিতে উড়তে সক্ষম, এর সার্ভিস সিলিং ৬.৫ কিলোমিটার এবং অপারেশনাল রেঞ্জ ৩৫০ কিলোমিটার। উল্লেখ্য, পাঁচ আসন বিশিষ্ট চিতা হেলিকপ্টারকে বিশ্বের অন্যতম সেরা উচ্চ-উচ্চতায় উড্ডয়নক্ষম হেলিকপ্টার হিসেবে বিবেচনা করা হয়।





















হামের উপসর্গে একদিনে আরও ৫ জনের মৃত্যু