ঢাকা ০২:০৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬, ২২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গোমস্তাপুর সীমান্তে আবারও ১৫ জনকে পুশইনের চেষ্টা

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০১:২৪:১৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
  • / 25

চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর সীমান্ত দিয়ে আবারও ১৫ জনকে বাংলাদেশে পুশইনের চেষ্টা করেছে ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। তবে স্থানীয় জনগণের সহায়তায় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) তাৎক্ষণিক ও দৃঢ় পদক্ষেপ গ্রহণ করে ওই প্রচেষ্টা সফলভাবে প্রতিহত করে। বিজিবির শক্ত অবস্থান ও কঠোর নজরদারির মুখে শেষ পর্যন্ত ওই ব্যক্তিদের পুনরায় ভারতের অভ্যন্তরে ফিরিয়ে নিতে বাধ্য হয় বিএসএফ।

বিজিবি সূত্রে জানা যায়, শনিবার (১৩ জুন) দিবাগত রাত আনুমানিক ১২টা ৪০ মিনিটে ১৬ বিজিবির অধীন রোকনপুর বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকার সীমান্ত পিলার ২২০/এমপি সংলগ্ন এলাকায় ভারতের ৮৮ ব্যাটালিয়ন বিএসএফের কোটালপুর ক্যাম্পের সদস্যরা ১৫ জন ব্যক্তিকে (২ জন পুরুষ, ৮ জন নারী ও ৫ জন শিশু) নৌকাযোগে বাংলাদেশে প্রবেশ করানোর চেষ্টা করে।
বিষয়টি টের পেয়ে বিজিবি সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে স্থানীয় জনসাধারণকে সঙ্গে নিয়ে কঠোর অবস্থান গ্রহণ করে। বিজিবির তাৎক্ষণিক ও কার্যকর তৎপরতায় পুশ-ইনের চেষ্টা ব্যর্থ হয়। এ সময় ওই ব্যক্তিরা সীমান্তের শূন্যরেখা বরাবর ভারতের অভ্যন্তরে অবস্থান করছিলেন।

পরবর্তীতে বিজিবির দৃঢ় অবস্থান, কড়া নজরদারি এবং সীমান্তে কঠোর প্রতিরোধের মুখে একই দিন রাত আনুমানিক ২টা ৪০ মিনিটে বিএসএফ সদস্যরা উক্ত ১৫ জনকে সীমান্ত পিলার ২২০/এমপি সংলগ্ন ভবানীপুর এলাকা দিয়ে পুনরায় ভারতের অভ্যন্তরে ফিরিয়ে নিয়ে যায়। ফলে বিজিবির পেশাদার ও দায়িত্বশীল ভূমিকার কারণে আরেকটি পুশ-ইনের প্রচেষ্টা নস্যাৎ হয়ে যায়।
এ ঘটনায় সীমান্ত এলাকায় সতর্কতা আরও জোরদার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে বিজিবি। বর্তমানে সীমান্তজুড়ে সার্বক্ষণিক নজরদারি ও টহল কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

১৬ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ আরিফুল ইসলাম মাসুম, পিএসসি বলেন, চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে পুশইন, অবৈধ অনুপ্রবেশ ও অবৈধ পারাপার প্রতিরোধে বিজিবি সর্বদা সতর্ক ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে। সীমান্ত এলাকায় নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে এবং এ ধরনের যে কোনো অপতৎপরতা প্রতিহত করতে বিজিবি বদ্ধপরিকর।

উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক সময়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে একাধিকবার পুশইনের চেষ্টা চালানো হয়েছে। প্রতিবারই বিজিবি ও স্থানীয় জনগণের সম্মিলিত তৎপরতা, সতর্কতা এবং প্রতিরোধমূলক অবস্থানের কারণে এসব প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

গোমস্তাপুর সীমান্তে আবারও ১৫ জনকে পুশইনের চেষ্টা

আপডেট সময় : ০১:২৪:১৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬

চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর সীমান্ত দিয়ে আবারও ১৫ জনকে বাংলাদেশে পুশইনের চেষ্টা করেছে ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। তবে স্থানীয় জনগণের সহায়তায় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) তাৎক্ষণিক ও দৃঢ় পদক্ষেপ গ্রহণ করে ওই প্রচেষ্টা সফলভাবে প্রতিহত করে। বিজিবির শক্ত অবস্থান ও কঠোর নজরদারির মুখে শেষ পর্যন্ত ওই ব্যক্তিদের পুনরায় ভারতের অভ্যন্তরে ফিরিয়ে নিতে বাধ্য হয় বিএসএফ।

বিজিবি সূত্রে জানা যায়, শনিবার (১৩ জুন) দিবাগত রাত আনুমানিক ১২টা ৪০ মিনিটে ১৬ বিজিবির অধীন রোকনপুর বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকার সীমান্ত পিলার ২২০/এমপি সংলগ্ন এলাকায় ভারতের ৮৮ ব্যাটালিয়ন বিএসএফের কোটালপুর ক্যাম্পের সদস্যরা ১৫ জন ব্যক্তিকে (২ জন পুরুষ, ৮ জন নারী ও ৫ জন শিশু) নৌকাযোগে বাংলাদেশে প্রবেশ করানোর চেষ্টা করে।
বিষয়টি টের পেয়ে বিজিবি সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে স্থানীয় জনসাধারণকে সঙ্গে নিয়ে কঠোর অবস্থান গ্রহণ করে। বিজিবির তাৎক্ষণিক ও কার্যকর তৎপরতায় পুশ-ইনের চেষ্টা ব্যর্থ হয়। এ সময় ওই ব্যক্তিরা সীমান্তের শূন্যরেখা বরাবর ভারতের অভ্যন্তরে অবস্থান করছিলেন।

পরবর্তীতে বিজিবির দৃঢ় অবস্থান, কড়া নজরদারি এবং সীমান্তে কঠোর প্রতিরোধের মুখে একই দিন রাত আনুমানিক ২টা ৪০ মিনিটে বিএসএফ সদস্যরা উক্ত ১৫ জনকে সীমান্ত পিলার ২২০/এমপি সংলগ্ন ভবানীপুর এলাকা দিয়ে পুনরায় ভারতের অভ্যন্তরে ফিরিয়ে নিয়ে যায়। ফলে বিজিবির পেশাদার ও দায়িত্বশীল ভূমিকার কারণে আরেকটি পুশ-ইনের প্রচেষ্টা নস্যাৎ হয়ে যায়।
এ ঘটনায় সীমান্ত এলাকায় সতর্কতা আরও জোরদার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে বিজিবি। বর্তমানে সীমান্তজুড়ে সার্বক্ষণিক নজরদারি ও টহল কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

১৬ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ আরিফুল ইসলাম মাসুম, পিএসসি বলেন, চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে পুশইন, অবৈধ অনুপ্রবেশ ও অবৈধ পারাপার প্রতিরোধে বিজিবি সর্বদা সতর্ক ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে। সীমান্ত এলাকায় নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে এবং এ ধরনের যে কোনো অপতৎপরতা প্রতিহত করতে বিজিবি বদ্ধপরিকর।

উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক সময়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে একাধিকবার পুশইনের চেষ্টা চালানো হয়েছে। প্রতিবারই বিজিবি ও স্থানীয় জনগণের সম্মিলিত তৎপরতা, সতর্কতা এবং প্রতিরোধমূলক অবস্থানের কারণে এসব প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে।