ঢাকা ০৯:৪৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬, ২২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দাম কমেছে সবজির, স্থিতিশীল মুরগি ও মাছের বাজার

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০২:২৭:১৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৫
  • / 60

বিগত কয়েক মাস ধরে উচ্চ দামে অবস্থান করা সবজির দাম কিছুটা কমেছে। আগে বেশিরভাগ সবজির দাম ৮০ থেকে ১০০ টাকার ঘরে থাকলেও বর্তমানে কমে ৫০ থেকে ৮০ টাকার ঘরে এসেছে। সপ্তাহের ব্যবধানে সব ধরনের সবজি কেজিতে ২০ থেকে ৮০ টাকা পর্যন্ত কমেছে। তবে মুরগির দাম তুলনামূলকভাবে স্থিতিশীল থাকলেও সাধারণ ক্রেতার জন্য তেমন স্বস্তি আসেনি। মাছের বাজারে তেমন কোনো পরিবর্তন দেখা যায়নি।

শুক্রবার (২৪ অক্টোবর) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।

আজ বাজার ঘুরে দেখা গেছে, সরবরাহ বাড়ায় শীতকালীন সবজি শিমের দাম কেজিতে ৮০ টাকা কমে ৮০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। টমেটো কেজিতে ৬০ টাকা কমে ১০০ টাকা, গাজর কেজিতে ৪০ টাকা কমে ৮০ থেকে ১০০ টাকা, মুলা কেজিতে ২০ টাকা কমে ৪০ টাকা, ফুল কপি ছোট আকারের ৪০ থেকে ৫০ টাকা পিস, বাঁধা কপি ৫০ থেকে ৬০ টাকা এবং লাউ ৩০ থেকে ৫০ টাকা পিস দরে বিক্রি হচ্ছে।

এসব বাজারে গ্রীষ্মকালীন সবজি কেজিতে ১০ থেকে ২০ টাকা কমেছে। বাজারে ঝিঙ্গা ৬০ টাকা, করলা ৬০ থেকে ৭০ টাকা, বরবটি ৬০ টাকা, বেগুন ৬০ টাকা, কচুর লতি ৬০ টাকা, পটল ৫০ টাকা, চিচিঙ্গা ৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। কাঁচামরিচ প্রকারভেদে ১৬০ থেকে ২০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। পেঁপে ২০ থেকে ৩০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া কেজিতে ১০ টাকা কমে ৩০ টাকা, দেশি শসা ৬০ টাকা এবং হাইব্রিড শসা ৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করতে দেখা গেছে।

উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে দুটি আইন চূড়ান্ত ও তিনটি অনুমোদন

বাজারগুলোতে লেবুর হালি ২০ থেকে ৪০ টাকা, ধনে পাতা ৩০০ টাকা কেজি, কাঁচা কলা হালি বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকায়, চাল কুমড়া ৪০ টাকা পিস, ক্যাপসিকাম ৪০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

বাজারগুলোতে লালশাক ২০ টাকা আঁটি, লাউশাক ৫০ টাকা, কলমিশাক ২ আঁটি ৩০ টাকা, পুঁইশাক ৪০ টাকা এবং ডাটাশাক দুই আঁটি ৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। আলু ২৫ টাকা, দেশি পেঁয়াজ ৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

বাজারগুলোতে দেশি আদা ১৪০ থেকে ১৬০ টাকা, চায়না আদা ২০০ টাকা, রসুন দেশি ১০০ টাকা এবং ইন্ডিয়ান ১৬০ টাকা, দেশি মশুর ডাল ১৬০ টাকা, মুগ ডাল ১৮০ টাকা, ছোলা ১১০ টাকা এবং খেসারির ডাল ১৪০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

এসব বাজারে মিনিকেট চাল প্রকারভেদে ৮৫ থেকে ৯২ টাকা এবং নাজিরশাইল ৮৪ থেকে ৯০ টাকা, স্বর্ণা ৫৫ টাকা এবং আটাশ চাল বিক্রি হচ্ছে ৬৫ টাকা দরে।

সাপ্তাহিক ছুটির দিনে রাজধানীর শান্তিনগর বাজারে এসেছেন বেসরকারি চাকরিজীবী খোরশেদ আলম। তিনি বলেন, গত চার মাস ধরে সবজির দাম অতিরিক্ত বেশি যাচ্ছিল, সে সময় বলতে গেলে ১০০ টাকার নিচে কোনো সবজি পাওয়া যাচ্ছিল না। সেই তুলনায় এখন বাজারে সবজির দাম কিছুটা কমেছে। বাজার করার সময় আজ দেখলাম বেশিরভাগ সবজি ৫০ থেকে ৮০ টাকার ঘরে, তবে কিছু কিছু সবজি এখনো ১০০ টাকা রয়ে গেছে।

একই বিষয়ে মালিবাগ বাজারের সবজি বিক্রেতা আব্দুল মালেক বলেন, আগের তুলনায় সবজির দাম কমেছে। বাজারে নতুন সবজি উঠতে শুরু করেছে এবং প্রচুর সরবরাহ আছে। ফলে বাজারে আগের তুলনায় দাম কমে এসেছে। সামনে শীত আসছে, নতুন আরও সবজি বাজারে উঠবে। ফলে সামনে সবজির দাম আরো কমে যাবে। বর্তমান বাজারে ৫০ থেকে ৬০ টাকার সবজি বেশি রয়েছে। এছাড়া, কিছু কিছু সবজি ৮০ থেকে ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

বাজারগুলোতে সোনালি কক মুরগি কেজিতে ৩০ টাকা কমে ২৮০ টাকা এবং সোনালি হাইব্রিড মুরগি ২৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। লাল লেয়ার মুরগি ৩০০ টাকা, সাদা লেয়ার ২৯০ টাকা, ব্রয়লার মুরগি কেজিতে ১০ টাকা কমে ১৭৫ টাকা এবং দেশি মুরগি ৫৮০ থেকে ৫৯০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

বাজারগুলোতে এক ডজন লাল ডিম বিক্রি হচ্ছে ১৪৫ টাকায়, হাঁসের ডিম ২১০ টাকায়, দেশি মুরগির ডিমের হালি ১১০ টাকা এবং সোনালি কক মুরগির ডিমের হালি ৭০ টাকায় বিক্রি করতে দেখা গেছে।

এসব বাজারে গরুর মাংস কেজি প্রতি ৭৫০ থেকে ৭৮০ টাকায়, গরুর কলিজা ৭৮০ টাকা, গরুর মাথার মাংস ৪৫০ টাকা, গরুর বট ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা এবং খাসির মাংস কেজি প্রতি ১২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

আজমপুর বাজারের বিক্রেতা সালেক ইসলাম বলেন, গত সপ্তাহে ব্রয়লারের পাইকারি দাম ছিল কেজিপ্রতি ১৮০ টাকার ওপরে। এখন সেটা ১৫৫–১৬০ টাকায় নেমে এসেছে। তাই খুচরায় আমরা ১৭০ টাকায় বিক্রি করছি। তবে খাবার আর পরিবহন খরচ না কমলে দাম আর নামবে না।

মালিবাগ এলাকার বিক্রেতা সাইদুর রহমান বলেন, দেশি আর সোনালি মুরগির দাম অনেক দিন ধরেই একই জায়গায় আছে। ক্রেতারা এখন ব্রয়লারের দিকেই ঝুঁকছে কারণ সেটা তুলনামূলক সস্তা।

আর ক্রেতারা বলছেন, অতিরিক্ত দামের কারণে এখন ব্রয়লার মুরগিতেই ভরসা রাখতে হচ্ছে। কারণ, ব্রয়লার ছাড়া অন্য সোনালি কিংবা পাকিস্তানি ছোট মুরগির দামও হয়ে যায় দ্বিগুণ।

বাজারে এক কেজি শিং মাছ চাষের (আকার ভেদে) বিক্রি হচ্ছে ৩৫০ থেকে ৫৫০ টাকায়, দেশি শিং ১০০০ থেকে ১২০০ টাকা, প্রতি কেজি রুই মাছের দাম বেড়ে (আকার ভেদে) ৪০০ থেকে ৫৫০ টাকায়, দেশি মাগুর মাছ ৮০০ থেকে ১০০০ টাকা, মৃগেল ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকায়, চাষের পাঙ্গাস ২০০ থেকে ২৩০ টাকায়, চিংড়ি প্রতি কেজি ৮০০ থেকে ১৪০০ টাকায়, বোয়ালমাছ প্রতি কেজি ৬০০ থেকে ৮০০ টাকায়, বড় কাতল ৪০০ থেকে ৫৫০ টাকায়, পোয়া মাছ ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকায়, পাবদা মাছ ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকায়, তেলাপিয়া ২২০ টাকায়, কৈ মাছ ২২০ থেকে ২৩০ টাকায়, মলা ৫০০ টাকা, বাতাসি টেংরা ১৩০০ টাকায়, টেংরা মাছ ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা, কাচকি মাছ ৫০০ টাকায় এবং পাঁচ মিশালি মাছ ২২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

দাম কমেছে সবজির, স্থিতিশীল মুরগি ও মাছের বাজার

আপডেট সময় : ০২:২৭:১৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৫

বিগত কয়েক মাস ধরে উচ্চ দামে অবস্থান করা সবজির দাম কিছুটা কমেছে। আগে বেশিরভাগ সবজির দাম ৮০ থেকে ১০০ টাকার ঘরে থাকলেও বর্তমানে কমে ৫০ থেকে ৮০ টাকার ঘরে এসেছে। সপ্তাহের ব্যবধানে সব ধরনের সবজি কেজিতে ২০ থেকে ৮০ টাকা পর্যন্ত কমেছে। তবে মুরগির দাম তুলনামূলকভাবে স্থিতিশীল থাকলেও সাধারণ ক্রেতার জন্য তেমন স্বস্তি আসেনি। মাছের বাজারে তেমন কোনো পরিবর্তন দেখা যায়নি।

শুক্রবার (২৪ অক্টোবর) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।

আজ বাজার ঘুরে দেখা গেছে, সরবরাহ বাড়ায় শীতকালীন সবজি শিমের দাম কেজিতে ৮০ টাকা কমে ৮০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। টমেটো কেজিতে ৬০ টাকা কমে ১০০ টাকা, গাজর কেজিতে ৪০ টাকা কমে ৮০ থেকে ১০০ টাকা, মুলা কেজিতে ২০ টাকা কমে ৪০ টাকা, ফুল কপি ছোট আকারের ৪০ থেকে ৫০ টাকা পিস, বাঁধা কপি ৫০ থেকে ৬০ টাকা এবং লাউ ৩০ থেকে ৫০ টাকা পিস দরে বিক্রি হচ্ছে।

এসব বাজারে গ্রীষ্মকালীন সবজি কেজিতে ১০ থেকে ২০ টাকা কমেছে। বাজারে ঝিঙ্গা ৬০ টাকা, করলা ৬০ থেকে ৭০ টাকা, বরবটি ৬০ টাকা, বেগুন ৬০ টাকা, কচুর লতি ৬০ টাকা, পটল ৫০ টাকা, চিচিঙ্গা ৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। কাঁচামরিচ প্রকারভেদে ১৬০ থেকে ২০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। পেঁপে ২০ থেকে ৩০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া কেজিতে ১০ টাকা কমে ৩০ টাকা, দেশি শসা ৬০ টাকা এবং হাইব্রিড শসা ৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করতে দেখা গেছে।

উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে দুটি আইন চূড়ান্ত ও তিনটি অনুমোদন

বাজারগুলোতে লেবুর হালি ২০ থেকে ৪০ টাকা, ধনে পাতা ৩০০ টাকা কেজি, কাঁচা কলা হালি বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকায়, চাল কুমড়া ৪০ টাকা পিস, ক্যাপসিকাম ৪০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

বাজারগুলোতে লালশাক ২০ টাকা আঁটি, লাউশাক ৫০ টাকা, কলমিশাক ২ আঁটি ৩০ টাকা, পুঁইশাক ৪০ টাকা এবং ডাটাশাক দুই আঁটি ৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। আলু ২৫ টাকা, দেশি পেঁয়াজ ৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

বাজারগুলোতে দেশি আদা ১৪০ থেকে ১৬০ টাকা, চায়না আদা ২০০ টাকা, রসুন দেশি ১০০ টাকা এবং ইন্ডিয়ান ১৬০ টাকা, দেশি মশুর ডাল ১৬০ টাকা, মুগ ডাল ১৮০ টাকা, ছোলা ১১০ টাকা এবং খেসারির ডাল ১৪০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

এসব বাজারে মিনিকেট চাল প্রকারভেদে ৮৫ থেকে ৯২ টাকা এবং নাজিরশাইল ৮৪ থেকে ৯০ টাকা, স্বর্ণা ৫৫ টাকা এবং আটাশ চাল বিক্রি হচ্ছে ৬৫ টাকা দরে।

সাপ্তাহিক ছুটির দিনে রাজধানীর শান্তিনগর বাজারে এসেছেন বেসরকারি চাকরিজীবী খোরশেদ আলম। তিনি বলেন, গত চার মাস ধরে সবজির দাম অতিরিক্ত বেশি যাচ্ছিল, সে সময় বলতে গেলে ১০০ টাকার নিচে কোনো সবজি পাওয়া যাচ্ছিল না। সেই তুলনায় এখন বাজারে সবজির দাম কিছুটা কমেছে। বাজার করার সময় আজ দেখলাম বেশিরভাগ সবজি ৫০ থেকে ৮০ টাকার ঘরে, তবে কিছু কিছু সবজি এখনো ১০০ টাকা রয়ে গেছে।

একই বিষয়ে মালিবাগ বাজারের সবজি বিক্রেতা আব্দুল মালেক বলেন, আগের তুলনায় সবজির দাম কমেছে। বাজারে নতুন সবজি উঠতে শুরু করেছে এবং প্রচুর সরবরাহ আছে। ফলে বাজারে আগের তুলনায় দাম কমে এসেছে। সামনে শীত আসছে, নতুন আরও সবজি বাজারে উঠবে। ফলে সামনে সবজির দাম আরো কমে যাবে। বর্তমান বাজারে ৫০ থেকে ৬০ টাকার সবজি বেশি রয়েছে। এছাড়া, কিছু কিছু সবজি ৮০ থেকে ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

বাজারগুলোতে সোনালি কক মুরগি কেজিতে ৩০ টাকা কমে ২৮০ টাকা এবং সোনালি হাইব্রিড মুরগি ২৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। লাল লেয়ার মুরগি ৩০০ টাকা, সাদা লেয়ার ২৯০ টাকা, ব্রয়লার মুরগি কেজিতে ১০ টাকা কমে ১৭৫ টাকা এবং দেশি মুরগি ৫৮০ থেকে ৫৯০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

বাজারগুলোতে এক ডজন লাল ডিম বিক্রি হচ্ছে ১৪৫ টাকায়, হাঁসের ডিম ২১০ টাকায়, দেশি মুরগির ডিমের হালি ১১০ টাকা এবং সোনালি কক মুরগির ডিমের হালি ৭০ টাকায় বিক্রি করতে দেখা গেছে।

এসব বাজারে গরুর মাংস কেজি প্রতি ৭৫০ থেকে ৭৮০ টাকায়, গরুর কলিজা ৭৮০ টাকা, গরুর মাথার মাংস ৪৫০ টাকা, গরুর বট ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা এবং খাসির মাংস কেজি প্রতি ১২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

আজমপুর বাজারের বিক্রেতা সালেক ইসলাম বলেন, গত সপ্তাহে ব্রয়লারের পাইকারি দাম ছিল কেজিপ্রতি ১৮০ টাকার ওপরে। এখন সেটা ১৫৫–১৬০ টাকায় নেমে এসেছে। তাই খুচরায় আমরা ১৭০ টাকায় বিক্রি করছি। তবে খাবার আর পরিবহন খরচ না কমলে দাম আর নামবে না।

মালিবাগ এলাকার বিক্রেতা সাইদুর রহমান বলেন, দেশি আর সোনালি মুরগির দাম অনেক দিন ধরেই একই জায়গায় আছে। ক্রেতারা এখন ব্রয়লারের দিকেই ঝুঁকছে কারণ সেটা তুলনামূলক সস্তা।

আর ক্রেতারা বলছেন, অতিরিক্ত দামের কারণে এখন ব্রয়লার মুরগিতেই ভরসা রাখতে হচ্ছে। কারণ, ব্রয়লার ছাড়া অন্য সোনালি কিংবা পাকিস্তানি ছোট মুরগির দামও হয়ে যায় দ্বিগুণ।

বাজারে এক কেজি শিং মাছ চাষের (আকার ভেদে) বিক্রি হচ্ছে ৩৫০ থেকে ৫৫০ টাকায়, দেশি শিং ১০০০ থেকে ১২০০ টাকা, প্রতি কেজি রুই মাছের দাম বেড়ে (আকার ভেদে) ৪০০ থেকে ৫৫০ টাকায়, দেশি মাগুর মাছ ৮০০ থেকে ১০০০ টাকা, মৃগেল ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকায়, চাষের পাঙ্গাস ২০০ থেকে ২৩০ টাকায়, চিংড়ি প্রতি কেজি ৮০০ থেকে ১৪০০ টাকায়, বোয়ালমাছ প্রতি কেজি ৬০০ থেকে ৮০০ টাকায়, বড় কাতল ৪০০ থেকে ৫৫০ টাকায়, পোয়া মাছ ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকায়, পাবদা মাছ ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকায়, তেলাপিয়া ২২০ টাকায়, কৈ মাছ ২২০ থেকে ২৩০ টাকায়, মলা ৫০০ টাকা, বাতাসি টেংরা ১৩০০ টাকায়, টেংরা মাছ ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা, কাচকি মাছ ৫০০ টাকায় এবং পাঁচ মিশালি মাছ ২২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।