ঢাকা ০৩:১৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬, ২২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নোয়াখালীতে শিশু আসমা ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামির মৃত্যুদণ্ড

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০২:২৪:১২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ জুলাই ২০২৬
  • / 21

নোয়াখালীর চাটখিলে বহুল আলোচিত ৫ বছরের শিশু আসমা আক্তারকে অপহরণ, গুম, ধর্ষণ ও হত্যার মামলায় একমাত্র আসামি শাহাদাত হোসেন (২২)-কে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

সোমবার (৬ জুলাই) দুপুরে নোয়াখালীর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) ফারজানা আকতার এ রায় দেন। রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

জানা গেছে, ২০২২ সালের ২৪ মার্চ চাটখিল উপজেলার মেঘা গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে নিখোঁজ (অপহরণ) হয় শিশু আসমা আক্তার। ঘটনার ৯ দিন পর প্রতিবেশী বাবলু মিয়ার ছেলে শাহাদাতের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে বাড়ির পেছনের একটি সেপটিক ট্যাংক থেকে আসমার অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার (গুম) করা হয়।

পুলিশের কাছে দেয়া স্বীকারোক্তিতে শাহাদাত জানায়, ধর্ষণের ঘটনা প্রকাশ পাওয়ার ভয়ে সে আসমাকে শ্বাসরোধে হত্যা করে মরদেহ লুকিয়ে রেখেছিল। দীর্ঘ ৪ বছরের বিচারিক প্রক্রিয়া এবং একাধিকবার রায়ের তারিখ পেছানোর পর আজ আদালত এ রায় প্রদান করেন।

দেশজুড়ে আলোড়ন সৃষ্টিকারী এ হত্যাকাণ্ডের দৃষ্টান্তমূলক রায়ে স্বস্তি প্রকাশ করেছে ভুক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয় সচেতন মহল। শিশু আসমার বাবা মাওলানা শাহজাহান জানান, রায়ে সাময়িক খুশি হলেও কার্যকর হলে আমরা চূড়ান্ত খুশি হবো। আমরা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দৃষ্টি কামনা করছি।

রাষ্ট্র নিযুক্ত আসামিপক্ষের আইনজীবী শুক্লা সাহা জানান, যখন মামলা হয় তখন আসামি শাহাদাত পুলিশের সঙ্গে আসমা আক্তারকে খুঁজতে থাকে। পরবর্তীতে তার তথ্যের ভিত্তিতে মরদেহ উদ্ধার করা হয়। আসামিকে আমরা নানাভাবে দেখেছি মামলা থেকে তাকে খালাস করা যায় কিনা কিন্তু তার স্বীকারোক্তি এবং প্রমাণ দিয়েই সে দোষী সাব্যস্ত হয়।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

নোয়াখালীতে শিশু আসমা ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামির মৃত্যুদণ্ড

আপডেট সময় : ০২:২৪:১২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ জুলাই ২০২৬

নোয়াখালীর চাটখিলে বহুল আলোচিত ৫ বছরের শিশু আসমা আক্তারকে অপহরণ, গুম, ধর্ষণ ও হত্যার মামলায় একমাত্র আসামি শাহাদাত হোসেন (২২)-কে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

সোমবার (৬ জুলাই) দুপুরে নোয়াখালীর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) ফারজানা আকতার এ রায় দেন। রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

জানা গেছে, ২০২২ সালের ২৪ মার্চ চাটখিল উপজেলার মেঘা গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে নিখোঁজ (অপহরণ) হয় শিশু আসমা আক্তার। ঘটনার ৯ দিন পর প্রতিবেশী বাবলু মিয়ার ছেলে শাহাদাতের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে বাড়ির পেছনের একটি সেপটিক ট্যাংক থেকে আসমার অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার (গুম) করা হয়।

পুলিশের কাছে দেয়া স্বীকারোক্তিতে শাহাদাত জানায়, ধর্ষণের ঘটনা প্রকাশ পাওয়ার ভয়ে সে আসমাকে শ্বাসরোধে হত্যা করে মরদেহ লুকিয়ে রেখেছিল। দীর্ঘ ৪ বছরের বিচারিক প্রক্রিয়া এবং একাধিকবার রায়ের তারিখ পেছানোর পর আজ আদালত এ রায় প্রদান করেন।

দেশজুড়ে আলোড়ন সৃষ্টিকারী এ হত্যাকাণ্ডের দৃষ্টান্তমূলক রায়ে স্বস্তি প্রকাশ করেছে ভুক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয় সচেতন মহল। শিশু আসমার বাবা মাওলানা শাহজাহান জানান, রায়ে সাময়িক খুশি হলেও কার্যকর হলে আমরা চূড়ান্ত খুশি হবো। আমরা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দৃষ্টি কামনা করছি।

রাষ্ট্র নিযুক্ত আসামিপক্ষের আইনজীবী শুক্লা সাহা জানান, যখন মামলা হয় তখন আসামি শাহাদাত পুলিশের সঙ্গে আসমা আক্তারকে খুঁজতে থাকে। পরবর্তীতে তার তথ্যের ভিত্তিতে মরদেহ উদ্ধার করা হয়। আসামিকে আমরা নানাভাবে দেখেছি মামলা থেকে তাকে খালাস করা যায় কিনা কিন্তু তার স্বীকারোক্তি এবং প্রমাণ দিয়েই সে দোষী সাব্যস্ত হয়।