ঢাকা ১১:২১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ১০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শীতের সবজিতে ভরপুর, বাজার লেগেছে ‘লকডাউন’

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০২:৩২:২২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ নভেম্বর ২০২৫
  • / 67

বিগত চার মাসের তুলনায় চলতি মাসের শুরুতে সবজির দাম কমেছিল, সেই সবজির দাম ফের বেড়েছে। গতকালের রাজনৈতিক বিভিন্ন কর্মসূচির কারণে সবজির ট্রাক কম এসেছে ঢাকায়, ফলে সরবরাহ কমেছে। যে কারণে মূলত সবজির দাম বেড়েছে বলছে বিক্রেতারা।

দুই সপ্তাহেও কমেনি পেয়াজের দাম। এদিকে শীতের আগাম সবজিতে বাজার ঠাসা থাকলেও দাম বাড়তি। বেশির ভাগ সবজি কেজিতে বেড়ে ১০ থেকে ২০ টাকা। মুরগি ও ডিমের দাম গত সপ্তাহের তুলনায় কিছুটা কমলেও, মাছের বাজারে আগুন। এমন ঊর্ধ্বমুখী বাজারদরে হতাশ ক্রেতারা। বলছেন, সুষ্ঠু মনিটরিং প্রয়োজন।

আজ (শুক্রবার) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে সবজির দামের এমন চিত্র দেখা গেছে।

বাজারে করলা প্রতি কেজি পটোল ৮০ টাকা, প্রতি কেজি শিম ১২০ টাকায়, বেগুন প্রতি কেজি ১০০ টাকা, পেঁয়াজের ফুল প্রতি কেজি ৮০ টাকা, ঝিঙ্গা প্রতি কেজি ৮০ টাকা, চিচিঙ্গা প্রতি কেজি ৮০ টাকা, বরবটি প্রতি কেজি ১২০ টাকা, করলা প্রতি কেজি ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

২২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যুক্ত

এদিকে প্রতি কেজি শসা ৮০ টাকা, আলু প্রতি কেজি ২৫ টাকা, কচু প্রতি কেজি ৬০ টাকা, ফুলকপি প্রতি পিস ৫০ টাকা, বাধাকপি প্রতি পিস ৫০ টাকা, লাউ প্রতি পিস ৭০ থেকে ৮০ টাকা, কাঁচা টমেটো প্রতি কেজি ১০০ টাকা, কাঁচামরিচ প্রতি কেজি ১৬০ টাকা, পেঁপে প্রতি কেজি ৩০ টাকা, ঢেঁড়শ প্রতি কেজি ৮০ টাকা, মুলা প্রতি কেজি ৬০ টাকা, টমেটো প্রতি কেজি ১৪০ টাকা, গাজর প্রতি কেজি ১৪০ টাকা।

সাপ্তাহিক ছুটির দিনে রাজধানীর বাড্ডা বাজারে বাজার করতে এসেছেন বেসরকারি চাকরিজীবী আব্দুল আলিম। তিনি বলেন, গত সপ্তাহে সবজি কম দামে কিনলাম, আজ সে সবই সবজি অতিরিক্ত ২০-৩০ টাকা বেশি দামে কিনতে হচ্ছে। আজ প্রতিটি সবজির দামই বাড়তি। শীতে মানুষ কম দামে সবজি খাবে অথচ আজ বাড়তি দামে সবজি কিনতে হচ্ছে।

সবজির দামের বিষয়ে গুলশান-বাড্ডা লিংক রোডের সবজি বিক্রেতা এরশাদ আলী বলেন, আজ কারওয়ানবাজারে গিয়ে দেখি সব সবজির দাম বাড়তি, সেই সঙ্গে আজকের বাজারে সবজি সরবরাহ অনেকটা কম। সব মিলিয়ে বাড়তি দামে সবজি কিনতে হয়েছে, যে কারণে এর প্রভাব পড়েছে খুচরা বাজারে।

সবজির বাজারের পাশাপাশি উত্তাপ রয়েছে পেয়াজের বাজারেও। গত দুই সপ্তাহ ধরে পেয়াজের দাম বেড়েছে ৩০-৪০ টাকা। প্রতি কেজি পেয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকা, প্রতি পাল্লা বিক্রি হচ্ছে ৫৮০ টাকায়। বিক্রেতারা বলছেন, মজুদকৃত পেয়াজ শেষের দিকে থাকায় দাম বাড়তি। তবে নতুন পেয়াজ বাজারে আসলে দাম কমতে পারে বলে জানান বিক্রেতারা।

তবে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম বাড়তে থাকায় হতাশা ক্রেতারা। আয়ের চেয়ে ব্যয় বাড়তে থাকায় ক্রেতারা যেন দিশেহারা। এমন পরিস্থিতিতে দামের ঊর্ধ্বগতি নিয়ন্ত্রণে সরকারি তদারকি প্রয়োজন বলে মনে করছেন ক্রেতারা।

বাজারে ডজনে ১২ টাকা পর্যন্ত কমেছে ডিমের দাম। প্রতি ডজন লাল ডিম ১৩০ টাকা ও প্রতি ডজন সাদা ডিম বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকায়।

মুরগির বাজার আগের মতো আছে। প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ১৮০ থেকে ২০০ টাকায়, আর সোনালি মুরগির কেজি ২৮০ থেকে ৩০০ টাকায়। এ ছাড়া লাল লেয়ার কেজি প্রতি ২৫০ টাকা ও দেশি মুরগি বিক্রি হচ্ছে ৫৫০-৬০০ টাকায়। গরু ও খাসির মাংসের দামও অপরিবর্তিত রয়েছে। প্রতি কেজি গরুর মাংস ৭৬০-৮০০ টাকা, খাসির মাংস ১ হাজার ২০০ টাকা ও ছাগলের মাংস ১ হাজার ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

অপরদিকে মুরগি বিক্রেতারাও জানালেন চাপে থাকার কথা। বিক্রেতা শফিকুল ইসলাম বলেন, ব্রয়লারের দাম কম, তাই বিক্রিও বেশি। কিন্তু আমাদের লাভের মার্জিন খুবই কম। পরিবহন ও অন্য খরচ বেড়ে যাওয়ায় মুনাফা থাকে না। তবুও চাহিদা থাকায় ব্যবসা ধরে রাখা যাচ্ছে।

আলমগীর হোসেন নামের আরেক বিক্রেতা বলেন, সোনালী-দেশি মুরগির খাবার ও রাখার খরচ অনেক বেশি। সেই তুলনায় ব্রয়লারের উৎপাদন খরচ কম, বিক্রিও দ্রুত। তাই এখন অনেকেই দেশি মুরগির বদলে ব্রয়লার ফার্মে বিনিয়োগ করছেন। যার কারণে এর বাজারদর কিছুটা কম। সামনে শীতকাল আসছে। হয়তো দাম আরও কমে যাবে।

অন্যদিকে প্রোটিনের আরেক উৎস মাছের দামও এখন আকাশছোঁয়া। বাজার ঘুরে দেখা গেছে, প্রায় সব ধরনের মাছের দামই প্রায় অপরিবর্তিত রয়েছে। এর মধ্যে বড় রুই মাছ বিক্রি হচ্ছে ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা, মাঝারি রুই ৩০০ থেকে ৩২০ টাকা ও ছোট রুই ২৫০ থেকে ২৮০ টাকা কেজি। কাতল মাছের দাম ৩৮০ থেকে ৪৫০ টাকা, শিং মাছ ৫৫০ টাকা, মাগুর ৫০০ টাকা, চাষের কৈ ২০০ থেকে ২৫০ টাকা, পাঙাশ ১৮০ থেকে ২৩০ টাকা এবং তেলাপিয়া ১৫০ থেকে ২২০ টাকা, সিলভার কার্প মাছ ২৫০-৩০০ টাকা, বোয়াল মাছ ৫০০-৭০০ টাকা, কালিবাউশ মাছ ৪৫০ টাকা, আইড় মাছ ৬০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

এছাড়া, অন্যান্য মাছের মধ্যে ছোট চিংড়ি ৩০০ টাকা, কাঁচকি মাছ ৪৫০ টাকা, মলা মাছ ৩০০ টাকা, পাবদা মাছ আকারভেদে ৩০০-৬০০ টাকা, গলদা চিংড়ি আকারভেদে ৬৫০-৭৫০ টাকা কেজি দামে বিক্রি করতে দেখা গেছে।

আরেকজন মাছ বিক্রেতা রেজাউল করিম জানান, মাছের চাহিদা কমেছে। মানুষ এখন ব্রয়লার মুরগির দিকে ঝুঁকছে। গলদা চিংড়ি ৭০০ টাকা কেজি, বোয়াল ৬০০ টাকা। এসব এখন শুধু উচ্চবিত্ত বা বিশেষ অনুষ্ঠানের জন্যই কেনা হয়। সাধারণ দিনে ক্রেতারা ১৫০-২০০ টাকার তেলাপিয়া বা পাঙাশই দেখছেন।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

শীতের সবজিতে ভরপুর, বাজার লেগেছে ‘লকডাউন’

আপডেট সময় : ০২:৩২:২২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ নভেম্বর ২০২৫

বিগত চার মাসের তুলনায় চলতি মাসের শুরুতে সবজির দাম কমেছিল, সেই সবজির দাম ফের বেড়েছে। গতকালের রাজনৈতিক বিভিন্ন কর্মসূচির কারণে সবজির ট্রাক কম এসেছে ঢাকায়, ফলে সরবরাহ কমেছে। যে কারণে মূলত সবজির দাম বেড়েছে বলছে বিক্রেতারা।

দুই সপ্তাহেও কমেনি পেয়াজের দাম। এদিকে শীতের আগাম সবজিতে বাজার ঠাসা থাকলেও দাম বাড়তি। বেশির ভাগ সবজি কেজিতে বেড়ে ১০ থেকে ২০ টাকা। মুরগি ও ডিমের দাম গত সপ্তাহের তুলনায় কিছুটা কমলেও, মাছের বাজারে আগুন। এমন ঊর্ধ্বমুখী বাজারদরে হতাশ ক্রেতারা। বলছেন, সুষ্ঠু মনিটরিং প্রয়োজন।

আজ (শুক্রবার) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে সবজির দামের এমন চিত্র দেখা গেছে।

বাজারে করলা প্রতি কেজি পটোল ৮০ টাকা, প্রতি কেজি শিম ১২০ টাকায়, বেগুন প্রতি কেজি ১০০ টাকা, পেঁয়াজের ফুল প্রতি কেজি ৮০ টাকা, ঝিঙ্গা প্রতি কেজি ৮০ টাকা, চিচিঙ্গা প্রতি কেজি ৮০ টাকা, বরবটি প্রতি কেজি ১২০ টাকা, করলা প্রতি কেজি ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

২২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যুক্ত

এদিকে প্রতি কেজি শসা ৮০ টাকা, আলু প্রতি কেজি ২৫ টাকা, কচু প্রতি কেজি ৬০ টাকা, ফুলকপি প্রতি পিস ৫০ টাকা, বাধাকপি প্রতি পিস ৫০ টাকা, লাউ প্রতি পিস ৭০ থেকে ৮০ টাকা, কাঁচা টমেটো প্রতি কেজি ১০০ টাকা, কাঁচামরিচ প্রতি কেজি ১৬০ টাকা, পেঁপে প্রতি কেজি ৩০ টাকা, ঢেঁড়শ প্রতি কেজি ৮০ টাকা, মুলা প্রতি কেজি ৬০ টাকা, টমেটো প্রতি কেজি ১৪০ টাকা, গাজর প্রতি কেজি ১৪০ টাকা।

সাপ্তাহিক ছুটির দিনে রাজধানীর বাড্ডা বাজারে বাজার করতে এসেছেন বেসরকারি চাকরিজীবী আব্দুল আলিম। তিনি বলেন, গত সপ্তাহে সবজি কম দামে কিনলাম, আজ সে সবই সবজি অতিরিক্ত ২০-৩০ টাকা বেশি দামে কিনতে হচ্ছে। আজ প্রতিটি সবজির দামই বাড়তি। শীতে মানুষ কম দামে সবজি খাবে অথচ আজ বাড়তি দামে সবজি কিনতে হচ্ছে।

সবজির দামের বিষয়ে গুলশান-বাড্ডা লিংক রোডের সবজি বিক্রেতা এরশাদ আলী বলেন, আজ কারওয়ানবাজারে গিয়ে দেখি সব সবজির দাম বাড়তি, সেই সঙ্গে আজকের বাজারে সবজি সরবরাহ অনেকটা কম। সব মিলিয়ে বাড়তি দামে সবজি কিনতে হয়েছে, যে কারণে এর প্রভাব পড়েছে খুচরা বাজারে।

সবজির বাজারের পাশাপাশি উত্তাপ রয়েছে পেয়াজের বাজারেও। গত দুই সপ্তাহ ধরে পেয়াজের দাম বেড়েছে ৩০-৪০ টাকা। প্রতি কেজি পেয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকা, প্রতি পাল্লা বিক্রি হচ্ছে ৫৮০ টাকায়। বিক্রেতারা বলছেন, মজুদকৃত পেয়াজ শেষের দিকে থাকায় দাম বাড়তি। তবে নতুন পেয়াজ বাজারে আসলে দাম কমতে পারে বলে জানান বিক্রেতারা।

তবে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম বাড়তে থাকায় হতাশা ক্রেতারা। আয়ের চেয়ে ব্যয় বাড়তে থাকায় ক্রেতারা যেন দিশেহারা। এমন পরিস্থিতিতে দামের ঊর্ধ্বগতি নিয়ন্ত্রণে সরকারি তদারকি প্রয়োজন বলে মনে করছেন ক্রেতারা।

বাজারে ডজনে ১২ টাকা পর্যন্ত কমেছে ডিমের দাম। প্রতি ডজন লাল ডিম ১৩০ টাকা ও প্রতি ডজন সাদা ডিম বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকায়।

মুরগির বাজার আগের মতো আছে। প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ১৮০ থেকে ২০০ টাকায়, আর সোনালি মুরগির কেজি ২৮০ থেকে ৩০০ টাকায়। এ ছাড়া লাল লেয়ার কেজি প্রতি ২৫০ টাকা ও দেশি মুরগি বিক্রি হচ্ছে ৫৫০-৬০০ টাকায়। গরু ও খাসির মাংসের দামও অপরিবর্তিত রয়েছে। প্রতি কেজি গরুর মাংস ৭৬০-৮০০ টাকা, খাসির মাংস ১ হাজার ২০০ টাকা ও ছাগলের মাংস ১ হাজার ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

অপরদিকে মুরগি বিক্রেতারাও জানালেন চাপে থাকার কথা। বিক্রেতা শফিকুল ইসলাম বলেন, ব্রয়লারের দাম কম, তাই বিক্রিও বেশি। কিন্তু আমাদের লাভের মার্জিন খুবই কম। পরিবহন ও অন্য খরচ বেড়ে যাওয়ায় মুনাফা থাকে না। তবুও চাহিদা থাকায় ব্যবসা ধরে রাখা যাচ্ছে।

আলমগীর হোসেন নামের আরেক বিক্রেতা বলেন, সোনালী-দেশি মুরগির খাবার ও রাখার খরচ অনেক বেশি। সেই তুলনায় ব্রয়লারের উৎপাদন খরচ কম, বিক্রিও দ্রুত। তাই এখন অনেকেই দেশি মুরগির বদলে ব্রয়লার ফার্মে বিনিয়োগ করছেন। যার কারণে এর বাজারদর কিছুটা কম। সামনে শীতকাল আসছে। হয়তো দাম আরও কমে যাবে।

অন্যদিকে প্রোটিনের আরেক উৎস মাছের দামও এখন আকাশছোঁয়া। বাজার ঘুরে দেখা গেছে, প্রায় সব ধরনের মাছের দামই প্রায় অপরিবর্তিত রয়েছে। এর মধ্যে বড় রুই মাছ বিক্রি হচ্ছে ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা, মাঝারি রুই ৩০০ থেকে ৩২০ টাকা ও ছোট রুই ২৫০ থেকে ২৮০ টাকা কেজি। কাতল মাছের দাম ৩৮০ থেকে ৪৫০ টাকা, শিং মাছ ৫৫০ টাকা, মাগুর ৫০০ টাকা, চাষের কৈ ২০০ থেকে ২৫০ টাকা, পাঙাশ ১৮০ থেকে ২৩০ টাকা এবং তেলাপিয়া ১৫০ থেকে ২২০ টাকা, সিলভার কার্প মাছ ২৫০-৩০০ টাকা, বোয়াল মাছ ৫০০-৭০০ টাকা, কালিবাউশ মাছ ৪৫০ টাকা, আইড় মাছ ৬০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

এছাড়া, অন্যান্য মাছের মধ্যে ছোট চিংড়ি ৩০০ টাকা, কাঁচকি মাছ ৪৫০ টাকা, মলা মাছ ৩০০ টাকা, পাবদা মাছ আকারভেদে ৩০০-৬০০ টাকা, গলদা চিংড়ি আকারভেদে ৬৫০-৭৫০ টাকা কেজি দামে বিক্রি করতে দেখা গেছে।

আরেকজন মাছ বিক্রেতা রেজাউল করিম জানান, মাছের চাহিদা কমেছে। মানুষ এখন ব্রয়লার মুরগির দিকে ঝুঁকছে। গলদা চিংড়ি ৭০০ টাকা কেজি, বোয়াল ৬০০ টাকা। এসব এখন শুধু উচ্চবিত্ত বা বিশেষ অনুষ্ঠানের জন্যই কেনা হয়। সাধারণ দিনে ক্রেতারা ১৫০-২০০ টাকার তেলাপিয়া বা পাঙাশই দেখছেন।