মিয়ানমারে নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসন চান রোহিঙ্গারা
- আপডেট সময় : ০৪:১৬:৩০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬
- / 5
মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে নিরাপদ, স্বেচ্ছায় ও মর্যাদার সঙ্গে ফিরে যেতে চান বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গারা। একই সঙ্গে নিজ দেশে ফিরে নাগরিকত্ব, মৌলিক অধিকার ও হারানো ঘরবাড়ি-জমি ফিরে পাওয়ার নিশ্চয়তা চান তারা।
মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) রোহিঙ্গা গণহত্যা দিবসের নবম বার্ষিকী উপলক্ষে কক্সবাজারের উখিয়ার কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্প-৪ এক্সটেনশনের ব্লক-বি-এর ফুটবল মাঠে আয়োজিত র্যালি ও সমাবেশে এসব দাবি জানান রোহিঙ্গারা।
ইউনাইটেড কাউন্সিল অব রোহিঙ্গা (UCR) এ কর্মসূচির আয়োজন করে। সকাল সাড়ে ৯টা থেকে বেলা সাড়ে ১১টা পর্যন্ত চলা কর্মসূচিতে বিপুলসংখ্যক রোহিঙ্গা অংশ নেন। সমাবেশকে ঘিরে আশপাশের সড়ক ও পাহাড়ি এলাকায়ও মানুষের ভিড় হয়। এতে ওই এলাকার সড়কে দীর্ঘ যানজট সৃষ্টি হয়।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, ২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট রোহিঙ্গাদের ওপর ব্যাপক নির্যাতন ও হত্যাকাণ্ড চালানো হয়। তবে রোহিঙ্গাদের ওপর নিপীড়ন ও বৈষম্য আরও আগে থেকেই চলে আসছে।
ওই সময় বাংলাদেশ মানবিক কারণে রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেওয়ায় বাংলাদেশের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান তারা। তবে দীর্ঘ নয় বছর ধরে শরণার্থী হিসেবে বাংলাদেশে থাকা তাদের জন্য কঠিন হয়ে উঠেছে বলে জানান বক্তারা।
তারা বলেন, তারা আর শরণার্থী শিবিরে থাকতে চান না। নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণভাবে নিজ দেশে ফিরে যেতে চান। তবে মিয়ানমারে ফেরার আগে তাদের নিরাপত্তা, নাগরিকত্ব ও মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করতে হবে।
বক্তারা আরও বলেন, রোহিঙ্গাদের কাছ থেকে কেড়ে নেওয়া ঘরবাড়ি ও জমি ফিরিয়ে দেওয়ার নিশ্চয়তা থাকতে হবে। একই সঙ্গে ২০১৭ সালের হত্যাকাণ্ড ও নির্যাতনের বিচার করতে হবে।
তাদের দাবি, ২০১২, ২০১৭ ও ২০২৪ সালে রোহিঙ্গাদের ওপর বিভিন্ন সময়ে নির্যাতন, বৈষম্য ও বাস্তুচ্যুতির ঘটনা ঘটেছে। এসব কারণে তারা নিজ ভূমি থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছেন।
সমাবেশ থেকে রোহিঙ্গাদের নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনের জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের আরও কার্যকর ভূমিকা চাওয়া হয়।
কর্মসূচি শেষে ২০১৭ সালে রাখাইন রাজ্যে নিহত রোহিঙ্গাদের স্মরণে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।























রাষ্ট্রপতির সঙ্গে তিন বাহিনী প্রধানের সৌজন্য সাক্ষাৎ