ঢাকা ০৩:৪০ পূর্বাহ্ন, রোববার, ০৫ জুলাই ২০২৬, ২০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আমার অফিসারদের সঙ্গে খারাপ আচরণ করবেন না : ডিএমপি কমিশনার

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১২:২৯:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ নভেম্বর ২০২৫
  • / 35

পুলিশ অরাজকতা প্রতিহত করতে গেলে তাদের সঙ্গে অসদাচরণ করা হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার শেখ সাজ্জাত আলী।

তিনি বলেন, পুলিশ যখন অরাজকতা ঠেকানোর চেষ্টা করছিল, তখন আমার অফিসারদের সঙ্গে যে আচরণ করা হয়েছে তা অত্যন্ত দুঃখজনক। আমি অনুরোধ করব- আমার অফিসারদের সঙ্গে এ ধরনের আচরণ করবেন না।

বৃহস্পতিবার (২০ নভেম্বর) সকালে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) সাইবার সাপোর্ট সেন্টার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

পুলিশসহ জনগণের ওপর হামলা হলে আত্মরক্ষায় গুলি চালানোর ক্ষমতা আইনে দেয়া আছে উল্লেখ করে ডিএমপি কমিশনার বলেন, ‘মানুষের জীবন ও সম্পদের নিরাপত্তাসহ তিনটি ক্ষেত্রে আইনে পুলিশকে গুলি চালানোর নির্দেশনা দেয়া আছে।’

যুদ্ধবিরতি সত্ত্বেও গাজায় ইসরাইলি হামলায় নিহত ২৭

কমিশনার বলেন, ‘বর্তমান সময়ে অনলাইন জালিয়াতি, প্রতারণা, ডিজিটাল হয়রানি, মানহানি, অনলাইন গ্যাম্বেলিং—এসব অপরাধ মানুষের ব্যক্তিগত নিরাপত্তা ও আর্থিক সুরক্ষাকে গভীরভাবে হুমকির মুখে ফেলছে। তাই জনগণের সুরক্ষাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে ডিএমপি তার সক্ষমতা বাড়াচ্ছে।’

তিনি জানান, সাইবার সাপোর্ট সেন্টারে থাকবে আধুনিক প্রযুক্তিযুক্ত ল্যাব, দক্ষ তদন্তকারী দল, ডিজিটাল ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ এবং ২৪ ঘণ্টার রেসপন্স টিম। ফেসবুক পেজ, ইমেইল এবং ডিবির অনলাইন চ্যানেলের মাধ্যমে নাগরিকরা সরাসরি অভিযোগ জানাতে পারবেন। আমাদের লক্ষ্য একটাই—প্রযুক্তিনির্ভর, সময়োপযোগী ও প্রমাণভিত্তিক পুলিশ সেবা নিশ্চিত করা।’

ডিবির সাইবার সাপোর্ট সেন্টারে নারী ও কিশোরদের সুরক্ষা অগ্রাধিকার দেওয়া হবে বলে জানান ডিএমপি কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নারীদের ও কিশোরদের ওপর হয়রানির প্রসঙ্গ উল্লেখ করে কমিশনার বলেন, সাইবার সাপোর্ট সেন্টার বিশেষভাবে তাদের সুরক্ষায় কাজ করবে। তিনি বলেন, ‘হয়রানির শিকার হলে যাতে দ্রুত সাপোর্ট পায়—এটাই আমাদের অন্যতম প্রধান অঙ্গীকার।’

সাইবার নিরাপত্তা শুধু পুলিশের দায়িত্ব নয় উল্লেখ করে কমিশনার বলেন, ‘এটি নাগরিকদের সচেতনতা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিবার ও সামাজের সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফল। তাই আমি সবাইকে অনুরোধ জানাবো, ডিজিটাল প্লাটফর্ম ব্যবহারে সর্বদা সতর্ক থাকুন। সন্দেহজনক কার্যক্রম দেখলে আমাদের জানান এবং নিরাপদ অনলাইন পরিবেশ তৈরিতে সতর্ক থাকুন। আসুন, আমরা একসঙ্গে প্রতিশ্রুতি দিই, নিরাপদ সড়ক, নিরাপদ সাইবার স্পেস ও নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ে তোলার।’

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আমার অফিসারদের সঙ্গে খারাপ আচরণ করবেন না : ডিএমপি কমিশনার

আপডেট সময় : ১২:২৯:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ নভেম্বর ২০২৫

পুলিশ অরাজকতা প্রতিহত করতে গেলে তাদের সঙ্গে অসদাচরণ করা হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার শেখ সাজ্জাত আলী।

তিনি বলেন, পুলিশ যখন অরাজকতা ঠেকানোর চেষ্টা করছিল, তখন আমার অফিসারদের সঙ্গে যে আচরণ করা হয়েছে তা অত্যন্ত দুঃখজনক। আমি অনুরোধ করব- আমার অফিসারদের সঙ্গে এ ধরনের আচরণ করবেন না।

বৃহস্পতিবার (২০ নভেম্বর) সকালে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) সাইবার সাপোর্ট সেন্টার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

পুলিশসহ জনগণের ওপর হামলা হলে আত্মরক্ষায় গুলি চালানোর ক্ষমতা আইনে দেয়া আছে উল্লেখ করে ডিএমপি কমিশনার বলেন, ‘মানুষের জীবন ও সম্পদের নিরাপত্তাসহ তিনটি ক্ষেত্রে আইনে পুলিশকে গুলি চালানোর নির্দেশনা দেয়া আছে।’

যুদ্ধবিরতি সত্ত্বেও গাজায় ইসরাইলি হামলায় নিহত ২৭

কমিশনার বলেন, ‘বর্তমান সময়ে অনলাইন জালিয়াতি, প্রতারণা, ডিজিটাল হয়রানি, মানহানি, অনলাইন গ্যাম্বেলিং—এসব অপরাধ মানুষের ব্যক্তিগত নিরাপত্তা ও আর্থিক সুরক্ষাকে গভীরভাবে হুমকির মুখে ফেলছে। তাই জনগণের সুরক্ষাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে ডিএমপি তার সক্ষমতা বাড়াচ্ছে।’

তিনি জানান, সাইবার সাপোর্ট সেন্টারে থাকবে আধুনিক প্রযুক্তিযুক্ত ল্যাব, দক্ষ তদন্তকারী দল, ডিজিটাল ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ এবং ২৪ ঘণ্টার রেসপন্স টিম। ফেসবুক পেজ, ইমেইল এবং ডিবির অনলাইন চ্যানেলের মাধ্যমে নাগরিকরা সরাসরি অভিযোগ জানাতে পারবেন। আমাদের লক্ষ্য একটাই—প্রযুক্তিনির্ভর, সময়োপযোগী ও প্রমাণভিত্তিক পুলিশ সেবা নিশ্চিত করা।’

ডিবির সাইবার সাপোর্ট সেন্টারে নারী ও কিশোরদের সুরক্ষা অগ্রাধিকার দেওয়া হবে বলে জানান ডিএমপি কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নারীদের ও কিশোরদের ওপর হয়রানির প্রসঙ্গ উল্লেখ করে কমিশনার বলেন, সাইবার সাপোর্ট সেন্টার বিশেষভাবে তাদের সুরক্ষায় কাজ করবে। তিনি বলেন, ‘হয়রানির শিকার হলে যাতে দ্রুত সাপোর্ট পায়—এটাই আমাদের অন্যতম প্রধান অঙ্গীকার।’

সাইবার নিরাপত্তা শুধু পুলিশের দায়িত্ব নয় উল্লেখ করে কমিশনার বলেন, ‘এটি নাগরিকদের সচেতনতা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিবার ও সামাজের সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফল। তাই আমি সবাইকে অনুরোধ জানাবো, ডিজিটাল প্লাটফর্ম ব্যবহারে সর্বদা সতর্ক থাকুন। সন্দেহজনক কার্যক্রম দেখলে আমাদের জানান এবং নিরাপদ অনলাইন পরিবেশ তৈরিতে সতর্ক থাকুন। আসুন, আমরা একসঙ্গে প্রতিশ্রুতি দিই, নিরাপদ সড়ক, নিরাপদ সাইবার স্পেস ও নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ে তোলার।’