ঢাকা ০৮:০২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কুয়াশা আর শীতল বাতাস সঙ্গী করে দাপটে রয়েছে শীত

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০২:১২:৫০ অপরাহ্ন, রোববার, ৭ ডিসেম্বর ২০২৫
  • / 197
226

কুয়াশা আর শীতল বাতাস সঙ্গী করে দাপটে রয়েছে শীত। বিশেষ করে রাতের বেলায় ক্ষণে ক্ষণে বয়ে যাওয়া হিমেল হওয়া জানান দিচ্ছে প্রকৃতিতে শীতের আগমনের। এ অবস্থার মধ্যেই রোববার (৭ ডিসেম্বর) মৌসুমের সর্বনিম্ন ১০ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

এদিকে ঢাকায় শীতের আমেজ এখন বেশ স্পষ্ট। কমেছে দিন-রাতের তাপমাত্রাও। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, আজ সকাল থেকেই ঢাকার আকাশ অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা থাকতে পারে। তবে আকাশে মেঘের আনাগোনা থাকলেও বৃষ্টির কোনো আভাস নেই। দিনের প্রথমার্ধে আবহাওয়া প্রধানত শুষ্কই থাকবে। আজ অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারাদেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। এছাড়া দেশের কোথাও কোথাও হালকা কুয়াশা পড়তে পারে।

আগামী শুক্রবার (১১ ডিসেম্বর) পর্যন্ত অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারাদেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। সেই সঙ্গে এই সময়ে ভোরের দিকে দেশের কোথাও কোথাও হালকা কুয়াশা পড়তে পারে। তবে এই ৫ দিনে সারাদেশে রাত ও দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। এছাড়া বর্ধিত ৫ দিনে আবহাওয়ার উল্লেখযোগ্য পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই বলেও জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদ আবুল কালাম মল্লিক।

মাদুরোকে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান এরদোগানের

উল্লেখ্য, চলতি ডিসেম্বর থেকে আগামী ফেব্রুয়ারির মধ্যেই দেশে তীব্র শৈত্যপ্রবাহ হানা দিতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নামতে পারে ৪ ডিগ্রিতে। সেই সঙ্গে এই সময়ের মধ্যে হতে পারে শিলাবৃষ্টি ও বজ্রঝড়ও। চলতি ডিসেম্বর থেকে ৩ মাসের (ডিসেম্বর, ২০২৫ ও জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারি, ২০২৬) দীর্ঘমেয়াদী আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, ডিসেম্বর থেকে আগামী ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দেশে ৩ থেকে ৮টি মৃদু (০৮-১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস) থেকে মাঝারি (০৬-০৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস) ধরনের শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। এরমধ্যে ২ থেকে ৩টি শৈত্যপ্রবাহ তীব্র (০৪-০৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস) রূপ নিতে পারে।

এদিকে টানা দুই দিন ধরে মৃদু শৈত্যপ্রবাহে কাঁপছে দেশের সর্বউত্তরের জেলা পঞ্চগড়। ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহ শেষ না হতেই হিমেল বাতাস ও ঘন কুয়াশায় জনজীবন স্থবির হয়ে পড়েছে। আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, জেলাজুড়েই মৃদু শৈত্যপ্রবাহ অব্যাহত রয়েছে।

এ অবস্থায় সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন দিনমজুর ও শ্রমজীবীরা। ভোরের কনকনে ঠান্ডায় মাঠে-ঘাটে কাজে যাওয়া তাদের জন্য কঠিন হয়ে পড়েছে।

রোববার (৭ ডিসেম্বর) সকাল ৯টায় তেঁতুলিয়ায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১০ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ সময় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৯৯ শতাংশ।

এর আগে, গত মঙ্গলবার তেঁতুলিয়ায় তাপমাত্রা নেমেছিল ১১ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। বুধবার থেকে শুক্রবার তিন দিন সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১২ ডিগ্রি। শনিবার সকালেও তাপমাত্রা ছিল ১০ দশমিক ৫ ডিগ্রি এবং বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৯৪ শতাংশ। ঘন কুয়াশার কারণে সড়কে যান চলাচল ধীরগতির ছিল এবং দুর্ঘটনা এড়াতে যানবাহনকে হেডলাইট জ্বালিয়ে চলতে হয়েছে। এদিন দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৬ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

উত্তরের সীমান্ত জেলা কুড়িগ্রামে শীতের তীব্রতা আশঙ্কাজনকভাবে বাড়ছে। টানা চার দিন ধরে জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে নেমে গেছে, যা চলতি মৌসুমে সর্বনিম্ন।

আজ রোববার ভোর ৬টায় রাজারহাট কৃষি আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ১২.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসের আর্দ্রতা ছিল প্রায় ৯৯ শতাংশ, ফলে শীতের অনুভূতি ছিল আরও তীব্র।
আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুবল চন্দ্র জানান, আগামী সাত দিন একই ধরনের আবহাওয়া বিরাজ করতে পারে। তবে আপাতত কোনো শৈত্যপ্রবাহের আশঙ্কা নেই।

গত এক সপ্তাহে তাপমাত্রার ওঠানামা ছিল খুব সামান্য। গতকাল শনিবার ছিল তাপমাত্রা ১২.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস, এর আগের দিন শুক্রবারে ছিলে ১৩.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস আরও বৃহস্পতিবার ছিল ১২.৪ ডিগ্রি। তবে তাপমাত্রা লাগাতার ১২ থেকে ১৩ ডিগ্রির মধ্যে থাকলেও কুড়িগ্রামের ভৌগোলিক অবস্থান ও বাতাসের গতির কারণে শীতের মাত্রা বেশি অনুভূত হচ্ছে।

আগামীকাল সোমবার (০৮ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারাদেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। সেই সঙ্গে ভোরের দিকে সারাদেশের কোথাও কোথাও হালকা কুয়াশা পড়তে পারে। এছাড়া সারাদেশে রাত এবং দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

মঙ্গলবার (০৯ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারাদেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। সেই সঙ্গে ভোরের দিকে সারাদেশের কোথাও কোথাও হালকা কুয়াশা পড়তে পারে। এছাড়া সারাদেশে রাত এবং দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

বুধবার (১১ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারাদেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। সেই সঙ্গে ভোরের দিকে সারাদেশের কোথাও কোথাও হালকা কুয়াশা পড়তে পারে। এছাড়া সারাদেশে রাত এবং দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

কুয়াশা আর শীতল বাতাস সঙ্গী করে দাপটে রয়েছে শীত

আপডেট সময় : ০২:১২:৫০ অপরাহ্ন, রোববার, ৭ ডিসেম্বর ২০২৫
226

কুয়াশা আর শীতল বাতাস সঙ্গী করে দাপটে রয়েছে শীত। বিশেষ করে রাতের বেলায় ক্ষণে ক্ষণে বয়ে যাওয়া হিমেল হওয়া জানান দিচ্ছে প্রকৃতিতে শীতের আগমনের। এ অবস্থার মধ্যেই রোববার (৭ ডিসেম্বর) মৌসুমের সর্বনিম্ন ১০ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

এদিকে ঢাকায় শীতের আমেজ এখন বেশ স্পষ্ট। কমেছে দিন-রাতের তাপমাত্রাও। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, আজ সকাল থেকেই ঢাকার আকাশ অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা থাকতে পারে। তবে আকাশে মেঘের আনাগোনা থাকলেও বৃষ্টির কোনো আভাস নেই। দিনের প্রথমার্ধে আবহাওয়া প্রধানত শুষ্কই থাকবে। আজ অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারাদেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। এছাড়া দেশের কোথাও কোথাও হালকা কুয়াশা পড়তে পারে।

আগামী শুক্রবার (১১ ডিসেম্বর) পর্যন্ত অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারাদেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। সেই সঙ্গে এই সময়ে ভোরের দিকে দেশের কোথাও কোথাও হালকা কুয়াশা পড়তে পারে। তবে এই ৫ দিনে সারাদেশে রাত ও দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। এছাড়া বর্ধিত ৫ দিনে আবহাওয়ার উল্লেখযোগ্য পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই বলেও জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদ আবুল কালাম মল্লিক।

মাদুরোকে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান এরদোগানের

উল্লেখ্য, চলতি ডিসেম্বর থেকে আগামী ফেব্রুয়ারির মধ্যেই দেশে তীব্র শৈত্যপ্রবাহ হানা দিতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নামতে পারে ৪ ডিগ্রিতে। সেই সঙ্গে এই সময়ের মধ্যে হতে পারে শিলাবৃষ্টি ও বজ্রঝড়ও। চলতি ডিসেম্বর থেকে ৩ মাসের (ডিসেম্বর, ২০২৫ ও জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারি, ২০২৬) দীর্ঘমেয়াদী আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, ডিসেম্বর থেকে আগামী ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দেশে ৩ থেকে ৮টি মৃদু (০৮-১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস) থেকে মাঝারি (০৬-০৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস) ধরনের শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। এরমধ্যে ২ থেকে ৩টি শৈত্যপ্রবাহ তীব্র (০৪-০৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস) রূপ নিতে পারে।

এদিকে টানা দুই দিন ধরে মৃদু শৈত্যপ্রবাহে কাঁপছে দেশের সর্বউত্তরের জেলা পঞ্চগড়। ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহ শেষ না হতেই হিমেল বাতাস ও ঘন কুয়াশায় জনজীবন স্থবির হয়ে পড়েছে। আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, জেলাজুড়েই মৃদু শৈত্যপ্রবাহ অব্যাহত রয়েছে।

এ অবস্থায় সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন দিনমজুর ও শ্রমজীবীরা। ভোরের কনকনে ঠান্ডায় মাঠে-ঘাটে কাজে যাওয়া তাদের জন্য কঠিন হয়ে পড়েছে।

রোববার (৭ ডিসেম্বর) সকাল ৯টায় তেঁতুলিয়ায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১০ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ সময় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৯৯ শতাংশ।

এর আগে, গত মঙ্গলবার তেঁতুলিয়ায় তাপমাত্রা নেমেছিল ১১ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। বুধবার থেকে শুক্রবার তিন দিন সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১২ ডিগ্রি। শনিবার সকালেও তাপমাত্রা ছিল ১০ দশমিক ৫ ডিগ্রি এবং বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৯৪ শতাংশ। ঘন কুয়াশার কারণে সড়কে যান চলাচল ধীরগতির ছিল এবং দুর্ঘটনা এড়াতে যানবাহনকে হেডলাইট জ্বালিয়ে চলতে হয়েছে। এদিন দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৬ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

উত্তরের সীমান্ত জেলা কুড়িগ্রামে শীতের তীব্রতা আশঙ্কাজনকভাবে বাড়ছে। টানা চার দিন ধরে জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে নেমে গেছে, যা চলতি মৌসুমে সর্বনিম্ন।

আজ রোববার ভোর ৬টায় রাজারহাট কৃষি আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ১২.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসের আর্দ্রতা ছিল প্রায় ৯৯ শতাংশ, ফলে শীতের অনুভূতি ছিল আরও তীব্র।
আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুবল চন্দ্র জানান, আগামী সাত দিন একই ধরনের আবহাওয়া বিরাজ করতে পারে। তবে আপাতত কোনো শৈত্যপ্রবাহের আশঙ্কা নেই।

গত এক সপ্তাহে তাপমাত্রার ওঠানামা ছিল খুব সামান্য। গতকাল শনিবার ছিল তাপমাত্রা ১২.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস, এর আগের দিন শুক্রবারে ছিলে ১৩.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস আরও বৃহস্পতিবার ছিল ১২.৪ ডিগ্রি। তবে তাপমাত্রা লাগাতার ১২ থেকে ১৩ ডিগ্রির মধ্যে থাকলেও কুড়িগ্রামের ভৌগোলিক অবস্থান ও বাতাসের গতির কারণে শীতের মাত্রা বেশি অনুভূত হচ্ছে।

আগামীকাল সোমবার (০৮ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারাদেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। সেই সঙ্গে ভোরের দিকে সারাদেশের কোথাও কোথাও হালকা কুয়াশা পড়তে পারে। এছাড়া সারাদেশে রাত এবং দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

মঙ্গলবার (০৯ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারাদেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। সেই সঙ্গে ভোরের দিকে সারাদেশের কোথাও কোথাও হালকা কুয়াশা পড়তে পারে। এছাড়া সারাদেশে রাত এবং দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

বুধবার (১১ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারাদেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। সেই সঙ্গে ভোরের দিকে সারাদেশের কোথাও কোথাও হালকা কুয়াশা পড়তে পারে। এছাড়া সারাদেশে রাত এবং দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।