ঢাকা ০৬:০৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬, ২২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ওসমান হাদিকে নিয়ে সিঙ্গাপুরের উদ্দেশে উড়ল এয়ার অ্যাম্বুলেন্স

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০২:২০:৩৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০২৫
  • / 129
147

উন্নত চিকিৎসার জন্য এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদিকে সিঙ্গাপুরে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। এয়ার অ্যাম্বুলেন্সটি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে দুপুর ১টা ৫৫ মিনিটে সিঙ্গাপুরের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করে।

এর আগে বেলা ১১টা ২২ মিনিটের দিকে সিঙ্গাপুর থেকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সটি ঢাকায় এসে পৌঁছায়। পরবর্তীতে দুপুরের দিকে এভারকেয়ার হাসপাতাল থেকে অ্যাম্বুলেন্সে করে ওসমান হাদিকে বিমানবন্দরে নেয়া হয়। দুপুর দেড়টার কিছু আগে তাকে বহনকারী অ্যাম্বুলেন্সটি বিমানবন্দরের ৮ নম্বর গেট দিয়ে ভেতরে প্রবেশ করে।

জানা গেছে, ৪ ঘণ্টা উড্ডয়নের পর এয়ার অ্যাম্বুলেন্সটি সিঙ্গাপুর বিমানবন্দরে পৌঁছালে সেখান থেকে ওসমান হাদিকে সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে নেয়া হবে। ঢাকার এয়ারকেয়ার হাসপাতাল ও সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালের চিকিৎসকরা ওসমান হাদির শারীরিক অবস্থা বিবেচনায় নিয়ে তার দীর্ঘ এই সফরে সম্মত হয়েছেন।

পোস্টাল ভোট দিতে ৪ লাখ ৯ হাজার জনের নিবন্ধন সম্পন্ন

শরিফ ওসমান হাদি জুলাই আন্দোলনের একজন গুরুত্বপূর্ণ নেতা এবং ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র। তিনি ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য সংসদ সদস্য প্রার্থী। গত শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) দুপুরে ঢাকার পল্টন এলাকায় গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর প্রথমে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেয়া হয়। পরবর্তীতে পরিবারের ইচ্ছায় তাকে এভারকেয়ার হাসপাতালে নেয়া হয়। তারপর থেকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় সেখানেই চিকিৎসাধীন ছিলেন ওসমান হাদি।

এদিকে হত্যাচেষ্টার ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে রাজধানীর পল্টন থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) বিষয়টি নিশ্চিত করেন পল্টন থানার ডিউটি অফিসার উপ-সহকারী পরিদর্শক (এএসআই) রকিবুল হাসান।

তিনি জানান, হাদিকে গুলির ঘটনায় পল্টন থানায় একটি মামলা হয়েছে। তার এক আত্মীয় মামলার বাদী হয়েছেন। মামলাটির তদন্ত দায়িত্বে রয়েছেন পল্টন থানার পরিদর্শক (অপারেশন) ইয়াসিন মিয়া।

এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত সন্দেহভাজন ছয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। গ্রেপ্তারদের মধ্যে রয়েছেন—গুলির ঘটনায় ব্যবহৃত মোটরসাইকেলের মালিক, বর্ডার দিয়ে মানুষ পাচারকারী চক্রের দুই সদস্য এবং অভিযুক্ত ফয়সালের স্ত্রী, শ্যালক ও অপর এক নারী।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

ওসমান হাদিকে নিয়ে সিঙ্গাপুরের উদ্দেশে উড়ল এয়ার অ্যাম্বুলেন্স

আপডেট সময় : ০২:২০:৩৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০২৫
147

উন্নত চিকিৎসার জন্য এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদিকে সিঙ্গাপুরে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। এয়ার অ্যাম্বুলেন্সটি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে দুপুর ১টা ৫৫ মিনিটে সিঙ্গাপুরের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করে।

এর আগে বেলা ১১টা ২২ মিনিটের দিকে সিঙ্গাপুর থেকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সটি ঢাকায় এসে পৌঁছায়। পরবর্তীতে দুপুরের দিকে এভারকেয়ার হাসপাতাল থেকে অ্যাম্বুলেন্সে করে ওসমান হাদিকে বিমানবন্দরে নেয়া হয়। দুপুর দেড়টার কিছু আগে তাকে বহনকারী অ্যাম্বুলেন্সটি বিমানবন্দরের ৮ নম্বর গেট দিয়ে ভেতরে প্রবেশ করে।

জানা গেছে, ৪ ঘণ্টা উড্ডয়নের পর এয়ার অ্যাম্বুলেন্সটি সিঙ্গাপুর বিমানবন্দরে পৌঁছালে সেখান থেকে ওসমান হাদিকে সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে নেয়া হবে। ঢাকার এয়ারকেয়ার হাসপাতাল ও সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালের চিকিৎসকরা ওসমান হাদির শারীরিক অবস্থা বিবেচনায় নিয়ে তার দীর্ঘ এই সফরে সম্মত হয়েছেন।

পোস্টাল ভোট দিতে ৪ লাখ ৯ হাজার জনের নিবন্ধন সম্পন্ন

শরিফ ওসমান হাদি জুলাই আন্দোলনের একজন গুরুত্বপূর্ণ নেতা এবং ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র। তিনি ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য সংসদ সদস্য প্রার্থী। গত শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) দুপুরে ঢাকার পল্টন এলাকায় গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর প্রথমে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেয়া হয়। পরবর্তীতে পরিবারের ইচ্ছায় তাকে এভারকেয়ার হাসপাতালে নেয়া হয়। তারপর থেকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় সেখানেই চিকিৎসাধীন ছিলেন ওসমান হাদি।

এদিকে হত্যাচেষ্টার ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে রাজধানীর পল্টন থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) বিষয়টি নিশ্চিত করেন পল্টন থানার ডিউটি অফিসার উপ-সহকারী পরিদর্শক (এএসআই) রকিবুল হাসান।

তিনি জানান, হাদিকে গুলির ঘটনায় পল্টন থানায় একটি মামলা হয়েছে। তার এক আত্মীয় মামলার বাদী হয়েছেন। মামলাটির তদন্ত দায়িত্বে রয়েছেন পল্টন থানার পরিদর্শক (অপারেশন) ইয়াসিন মিয়া।

এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত সন্দেহভাজন ছয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। গ্রেপ্তারদের মধ্যে রয়েছেন—গুলির ঘটনায় ব্যবহৃত মোটরসাইকেলের মালিক, বর্ডার দিয়ে মানুষ পাচারকারী চক্রের দুই সদস্য এবং অভিযুক্ত ফয়সালের স্ত্রী, শ্যালক ও অপর এক নারী।