খালেদা জিয়ার প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে বাংলাদেশ হাইকমিশনে পাকিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রী
- আপডেট সময় : ০২:৫৪:৫০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ জানুয়ারী ২০২৬
- / 47
ইসলামাবাদের বাংলাদেশ হাইকমিশনে গিয়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার প্রয়াণে শোক জানিয়েছেন পাকিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার। ছবি: সংগৃহীত
ইসলামাবাদের বাংলাদেশ হাইকমিশনে গিয়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার প্রয়াণে শোক জানিয়েছেন পাকিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার। শনিবার (৩ জানুয়ারি) বাংলাদেশ হাইকমিশনে গিয়ে খালেদা জিয়াকে শ্রদ্ধা জানান পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, আজ ইসলামাবাদের বাংলাদেশ হাইকমিশন পরিদর্শন করেন ইসহাক দার। হাইকমিশনে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার জন্য রাখা শোক বইয়ে স্বাক্ষর করেন তিনি।
খালেদা জিয়ার মৃত্যুর খবরে বুধবার ঢাকায় আসেন পাকিস্তানের পার্লামেন্টের স্পিকার সরদার আইয়াজ সাদিক। তিনি খালেদা জিয়ার জানাজায় অংশ নেন। এ ছাড়া তিনি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে সমবেদনা জানান।
কারাগারে খালেদা জিয়াকে ইচ্ছাকৃতভাবে ভুল চিকিৎসা দেয়া হয়েছে: রিজভী
বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) বিকেল ৩টায় দিকে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের খতিব আবদুল মালেকের ইমামতিতে খালেদা জিয়ার জানাজা সম্পন্ন হয়। বিকেল ৩টা ২ মিনিটে জানাজা নামাজ শুরু হয়ে শেষ হয় ৩টা ৫ মিনিটে। জানাজা ঘিরে জনসমুদ্রে পরিণত হয় পুরো মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ এলাকা। জাতীয় সংসদের মূল মাঠ দুটি কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে একদিকে বিজয় সরণি ও আগারগাঁও এবং অন্যদিকে কারওয়ান বাজার পর্যন্ত মানুষের ঢল নামে।
এদিন বিকেল পৌনে ৫টায় রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের জিয়া উদ্যানে প্রয়াত স্বামী শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কবরের পাশে পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় সমাহিত করা হয় খালেদা জিয়াকে। দাফনকার্যের সময় খালেদা জিয়ার পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) ভোর ৬টায় রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৮০ বছর বয়সে মারা যান বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া। বিদায়ী বছরের ২৩ নভেম্বর ফুসফুসের সংক্রমণ থেকে শ্বাসকষ্ট নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন তিনি। এরপর দেখা দেয় নিউমোনিয়া, সঙ্গে কিডনি, লিভার, আর্থ্রাইটিস ও ডায়াবেটিসের পুরনো সমস্যা। হাসপাতালে ভর্তির পর শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিউ) নেয়া হয়েছিল তাকে। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত আইসিউতেই ছিলেন তিনি।





















এখন নতুন করে আরেকটি শক্তি মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে: মির্জা ফখরুল