ঢাকা ০৫:৫৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬, ১৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ওবায়দুল কাদেরসহ ১৪ জনের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৪:৪৩:৩৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ জানুয়ারী ২০২৬
  • / 47

কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সাবেক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরসহ ১৪ জনের দেশত্যাগের নিষেধাজ্ঞার আদেশ দিয়েছেন ঢাকার একটি আদালত।

আজ মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) ঢাকা মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. সাব্বির ফয়েজ দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ আদেশ দেন।

দেশত্যাগের নিষেধাজ্ঞা দেয়া অপর আসামিরা হলেন সেতু বিভাগের সাবেক সিনিয়র সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সাবেক সচিব নজরুল ইসলাম, জননিরাপত্তা বিভাগের সাবেক সচিব কামাল উদ্দীন আহমদ, সাবেক বিদ্যুৎ সচিব ড. আহমদ কায়কাউস, ভূমি মন্ত্রণালয়ের সাবেক সচিব আবদুল জলিল, পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সাবেক সচিব ড. জাফর আহমেদ খান, সাবেক সিএএজি ও সোনালী ব্যাংকের বর্তমান চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ মুসলিম চৌধুরী, সংসদ বিষয়ক বিভাগের সাবেক সিনিয়র সচিব মোহাম্মদ শহিদুল হক, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সাবেক মুখ্য সমন্বয়ক জুয়েনা আজিজ, রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সাবেক সচিব মোফাজ্জেল হোসেন, অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) সাবেক সিনিয়র সচিব কাজী শফিকুল আযম, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সাবেক সচিব আখতার হোসেন ভূঁইয়া এবং জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিভাগের সাবেক সচিব ও এনবিআরের সাবেক চেয়ারম্যান ড. আবু হেনা মো. রহমাতুল মুনিম।

সেন্টমার্টিন রক্ষায় কঠোর অবস্থানে সরকার: সৈয়দা রিজওয়ানা

আবেদনে বলা হয়, আসামি ওবায়দুল কাদেরসহ ১৪ জনের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের সভায় উপস্থিত থেকে সংশ্লিষ্ট আইন ও বিধি পরিপন্থীভাবে একে অন্যের যোগসাজশে তাদের উপর ন্যস্ত সরকারি ক্ষমতার অপব্যবহার করে নিজেরা লাভবান হয়ে এবং অন্যকে লাভবান করার অসৎ উদ্দেশ্যে প্রতারণামূলকভাবে সরকারি স্বার্থ সংশ্লিষ্ট জমিতে ব্যক্তি স্বার্থে ফ্ল্যাট নির্মাণ সংক্রান্ত প্রকল্প অনুমোদন করে, নির্মিতব্য ফ্ল্যাট বরাদ্দ নীতিমালা প্রণয়ন ও নীতি বহির্ভূতভাবে অনুমোদন করে এবং অনুমোদিত নীতিমালা গেজেট বিজ্ঞপ্তি আকারে প্রকাশ না করে উহার আলোকে ফ্ল্যাট বরাদ্দের অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলাটি বর্তমানে তদন্তাধীন রয়েছে।

তদন্তকালে জানা যায় যে, আসামিরা সপরিবারে দেশত্যাগ করে অন্য দেশে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। আসামিরা বিদেশে পালিয়ে গেলে তদন্ত কার্যক্রম দীর্ঘায়িত বা ব্যাহত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

ওবায়দুল কাদেরসহ ১৪ জনের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা

আপডেট সময় : ০৪:৪৩:৩৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ জানুয়ারী ২০২৬

কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সাবেক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরসহ ১৪ জনের দেশত্যাগের নিষেধাজ্ঞার আদেশ দিয়েছেন ঢাকার একটি আদালত।

আজ মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) ঢাকা মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. সাব্বির ফয়েজ দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ আদেশ দেন।

দেশত্যাগের নিষেধাজ্ঞা দেয়া অপর আসামিরা হলেন সেতু বিভাগের সাবেক সিনিয়র সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সাবেক সচিব নজরুল ইসলাম, জননিরাপত্তা বিভাগের সাবেক সচিব কামাল উদ্দীন আহমদ, সাবেক বিদ্যুৎ সচিব ড. আহমদ কায়কাউস, ভূমি মন্ত্রণালয়ের সাবেক সচিব আবদুল জলিল, পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সাবেক সচিব ড. জাফর আহমেদ খান, সাবেক সিএএজি ও সোনালী ব্যাংকের বর্তমান চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ মুসলিম চৌধুরী, সংসদ বিষয়ক বিভাগের সাবেক সিনিয়র সচিব মোহাম্মদ শহিদুল হক, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সাবেক মুখ্য সমন্বয়ক জুয়েনা আজিজ, রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সাবেক সচিব মোফাজ্জেল হোসেন, অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) সাবেক সিনিয়র সচিব কাজী শফিকুল আযম, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সাবেক সচিব আখতার হোসেন ভূঁইয়া এবং জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিভাগের সাবেক সচিব ও এনবিআরের সাবেক চেয়ারম্যান ড. আবু হেনা মো. রহমাতুল মুনিম।

সেন্টমার্টিন রক্ষায় কঠোর অবস্থানে সরকার: সৈয়দা রিজওয়ানা

আবেদনে বলা হয়, আসামি ওবায়দুল কাদেরসহ ১৪ জনের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের সভায় উপস্থিত থেকে সংশ্লিষ্ট আইন ও বিধি পরিপন্থীভাবে একে অন্যের যোগসাজশে তাদের উপর ন্যস্ত সরকারি ক্ষমতার অপব্যবহার করে নিজেরা লাভবান হয়ে এবং অন্যকে লাভবান করার অসৎ উদ্দেশ্যে প্রতারণামূলকভাবে সরকারি স্বার্থ সংশ্লিষ্ট জমিতে ব্যক্তি স্বার্থে ফ্ল্যাট নির্মাণ সংক্রান্ত প্রকল্প অনুমোদন করে, নির্মিতব্য ফ্ল্যাট বরাদ্দ নীতিমালা প্রণয়ন ও নীতি বহির্ভূতভাবে অনুমোদন করে এবং অনুমোদিত নীতিমালা গেজেট বিজ্ঞপ্তি আকারে প্রকাশ না করে উহার আলোকে ফ্ল্যাট বরাদ্দের অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলাটি বর্তমানে তদন্তাধীন রয়েছে।

তদন্তকালে জানা যায় যে, আসামিরা সপরিবারে দেশত্যাগ করে অন্য দেশে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। আসামিরা বিদেশে পালিয়ে গেলে তদন্ত কার্যক্রম দীর্ঘায়িত বা ব্যাহত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।