ঢাকা ১০:১২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬, ১৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঠাকুরগাঁওয়ে ভূমিকম্প

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১০:১৬:২৯ পূর্বাহ্ন, রোববার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬
  • / 75

উত্তরের জেলা ঠাকুরগাঁওয়ের ৩৩ কিলোমিটার পূর্বে ৩ দশমিক ৪ মাত্রার একটি মৃদু ভূমিকম্প হয়েছে। রোববার (২৫ জানুয়ারি) সকাল ৮টা ৩৪ মিনিটে এ মৃদু ভূমিকম্প হয়।

অগ্ন্যুৎপাত ও ভূমিকম্প বিষয়ক ওয়েবসাইট ভলকানো ডিসকভারি জানিয়েছে, ভূমিকম্পের গভীরতা এখনো নিরূপণ করা যায়নি। যদিও ধারণা করা হচ্ছে এটি অগভীর ভূমিকম্প ছিল। এছাড়া বেশিরভাগ মানুষ এটি অনুভব করেননি বলে জানিয়েছে তারা।

কিন্তু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ঠাকুরগাঁওয়ের অনেক বাসিন্দা জানিয়েছেন, তারা ঝাঁকুনি অনুভব করেছেন। কেউ কেউ বলছেন, ঝাঁকুনি বেশ শক্তিশালী ছিল। বিশেষ করে পীরগঞ্জ ও রানীশংকৈলের বাসিন্দারা এটি সবচেয়ে বেশি অনুভব করেছেন।

জাতীয় দলে ফিরছেন সাকিব- সিদ্ধান্ত বিসিবির

বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়া অফিস সহকারী গোলাম মোস্তফা জানান, সকাল ৮টা ৩৪ মিনিটে ৩ দশমিক ৪ মাত্রার মৃদু ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। ঢাকা থেকে ৩৩১ কিলোমিটার দূরে এবং ভূপৃষ্ঠ থেকে ১০ কিলোমিটার গভীরে ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল।

বাংলাদেশ ভূতাত্ত্বিকভাবে মাঝারি ঝুঁকিপূর্ণ ভূমিকম্প অঞ্চলে অবস্থান করছে। দেশের উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চল, বিশেষ করে রংপুর বিভাগ সংলগ্ন এলাকা, ভারত–মিয়ানমার টেকটোনিক প্লেটের প্রভাববলয়ের কাছাকাছি হওয়ায় এখানে মাঝেমধ্যে স্বল্পমাত্রার ভূমিকম্প অনুভূত হয়।

সাধারণত এসব ভূমিকম্পের মাত্রা কম থাকায় ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা থাকে না এবং অনেক সময় তা সাধারণ মানুষের নজরেও আসে না। তবে বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, এ ধরনের মৃদু কম্পন ভূগর্ভস্থ টেকটোনিক নড়াচড়ার স্বাভাবিক বহিঃপ্রকাশ, যা ভূমিকম্প প্রবণ অঞ্চল হিসেবে দেশের ঝুঁকি স্মরণ করিয়ে দেয়।

এরআগে গত ৫ জানুয়ারি সিলেট ও আশপাশের এলাকায় ভোররাতে ভূমিকম্প অনুভূত হয়। ওইদিন ভোর আনুমানিক ৪টা ৪৭ মিনিটের দিকে কয়েক সেকেন্ডের জন্য কম্পন অনুভূত হয়। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অনেকে ভূকম্পন অনুভব করার কথা জানান।

নগরীর জিন্দাবাজার, উপশহর, আম্বরখানা, টিলাগড়, শাহপরান থানা এলাকা ছাড়াও দক্ষিণ সুরমা, জৈন্তাপুর ও কোম্পানিগঞ্জ উপজেলায় ও কম্পন অনুভূত হয়।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

ঠাকুরগাঁওয়ে ভূমিকম্প

আপডেট সময় : ১০:১৬:২৯ পূর্বাহ্ন, রোববার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬

উত্তরের জেলা ঠাকুরগাঁওয়ের ৩৩ কিলোমিটার পূর্বে ৩ দশমিক ৪ মাত্রার একটি মৃদু ভূমিকম্প হয়েছে। রোববার (২৫ জানুয়ারি) সকাল ৮টা ৩৪ মিনিটে এ মৃদু ভূমিকম্প হয়।

অগ্ন্যুৎপাত ও ভূমিকম্প বিষয়ক ওয়েবসাইট ভলকানো ডিসকভারি জানিয়েছে, ভূমিকম্পের গভীরতা এখনো নিরূপণ করা যায়নি। যদিও ধারণা করা হচ্ছে এটি অগভীর ভূমিকম্প ছিল। এছাড়া বেশিরভাগ মানুষ এটি অনুভব করেননি বলে জানিয়েছে তারা।

কিন্তু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ঠাকুরগাঁওয়ের অনেক বাসিন্দা জানিয়েছেন, তারা ঝাঁকুনি অনুভব করেছেন। কেউ কেউ বলছেন, ঝাঁকুনি বেশ শক্তিশালী ছিল। বিশেষ করে পীরগঞ্জ ও রানীশংকৈলের বাসিন্দারা এটি সবচেয়ে বেশি অনুভব করেছেন।

জাতীয় দলে ফিরছেন সাকিব- সিদ্ধান্ত বিসিবির

বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়া অফিস সহকারী গোলাম মোস্তফা জানান, সকাল ৮টা ৩৪ মিনিটে ৩ দশমিক ৪ মাত্রার মৃদু ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। ঢাকা থেকে ৩৩১ কিলোমিটার দূরে এবং ভূপৃষ্ঠ থেকে ১০ কিলোমিটার গভীরে ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল।

বাংলাদেশ ভূতাত্ত্বিকভাবে মাঝারি ঝুঁকিপূর্ণ ভূমিকম্প অঞ্চলে অবস্থান করছে। দেশের উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চল, বিশেষ করে রংপুর বিভাগ সংলগ্ন এলাকা, ভারত–মিয়ানমার টেকটোনিক প্লেটের প্রভাববলয়ের কাছাকাছি হওয়ায় এখানে মাঝেমধ্যে স্বল্পমাত্রার ভূমিকম্প অনুভূত হয়।

সাধারণত এসব ভূমিকম্পের মাত্রা কম থাকায় ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা থাকে না এবং অনেক সময় তা সাধারণ মানুষের নজরেও আসে না। তবে বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, এ ধরনের মৃদু কম্পন ভূগর্ভস্থ টেকটোনিক নড়াচড়ার স্বাভাবিক বহিঃপ্রকাশ, যা ভূমিকম্প প্রবণ অঞ্চল হিসেবে দেশের ঝুঁকি স্মরণ করিয়ে দেয়।

এরআগে গত ৫ জানুয়ারি সিলেট ও আশপাশের এলাকায় ভোররাতে ভূমিকম্প অনুভূত হয়। ওইদিন ভোর আনুমানিক ৪টা ৪৭ মিনিটের দিকে কয়েক সেকেন্ডের জন্য কম্পন অনুভূত হয়। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অনেকে ভূকম্পন অনুভব করার কথা জানান।

নগরীর জিন্দাবাজার, উপশহর, আম্বরখানা, টিলাগড়, শাহপরান থানা এলাকা ছাড়াও দক্ষিণ সুরমা, জৈন্তাপুর ও কোম্পানিগঞ্জ উপজেলায় ও কম্পন অনুভূত হয়।