ঢাকা ১০:৫৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬, ৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইসরায়েলকে অনুতপ্ত করতে বাধ্য করানোর শপথ ইরানের!

আর্ন্তজাতিক ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৪:৪৩:১৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / 64

ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের হামলাকে ইরানের ‘ভৌগোলিক অখণ্ডতা ও জাতীয় সার্বভৌমত্বের’ ওপর সরাসরি আঘাত বলে মন্তব্য করেছে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। শনিবারের এই হামলায় শত্রুরা ইরানের প্রতিরক্ষা অবকাঠামোর পাশাপাশি বিভিন্ন শহরের বেসামরিক স্থাপনাগুলোকেও লক্ষ্যবস্তু করেছে বলে জানানো হয়েছে।

এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে মন্ত্রণালয় জানায়, যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েলের এই সামরিক আগ্রাসন আন্তর্জাতিক আইন ও জাতিসংঘ সনদের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। এই ঘটনাকে আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তার প্রতি বড় হুমকি হিসেবে বিবেচনা করছে ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরান। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জোর দিয়ে বলেছে, এটি সশস্ত্র আগ্রাসনের একটি সুস্পষ্ট উদাহরণ এবং জাতিসংঘ সনদের ৫১ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী আত্মরক্ষার স্বার্থে দৃঢ় পদক্ষেপ নেওয়ার সম্পূর্ণ বৈধ অধিকার তেহরানের রয়েছে।

উপসাগরীয় দেশগুলোতে মার্কিন সেনাদের লক্ষ্য করে ইরানের হামলা

বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয় যে, আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে এবং উত্তেজনা এড়াতে ইরানি জাতি সবসময়ই ধৈর্য ও সংযমের পরিচয় দিয়েছে। তবে বর্তমানে সশস্ত্র বাহিনী দেশ রক্ষায় ‘পুরোপুরি প্রস্তুত’। ইতিহাস সাক্ষ্য দেয় যে, ইরানিরা কখনোই আগ্রাসনের কাছে আত্মসমর্পণ করেনি। তেহরানের পক্ষ থেকে এবারও এমন দৃঢ় জবাব দেওয়া হবে, যার ফলে হামলাকারীরা তাদের এই বৈরী কর্মকাণ্ডের জন্য নিশ্চিতভাবে অনুতপ্ত হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ইসরায়েলকে অনুতপ্ত করতে বাধ্য করানোর শপথ ইরানের!

আপডেট সময় : ০৪:৪৩:১৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের হামলাকে ইরানের ‘ভৌগোলিক অখণ্ডতা ও জাতীয় সার্বভৌমত্বের’ ওপর সরাসরি আঘাত বলে মন্তব্য করেছে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। শনিবারের এই হামলায় শত্রুরা ইরানের প্রতিরক্ষা অবকাঠামোর পাশাপাশি বিভিন্ন শহরের বেসামরিক স্থাপনাগুলোকেও লক্ষ্যবস্তু করেছে বলে জানানো হয়েছে।

এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে মন্ত্রণালয় জানায়, যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েলের এই সামরিক আগ্রাসন আন্তর্জাতিক আইন ও জাতিসংঘ সনদের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। এই ঘটনাকে আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তার প্রতি বড় হুমকি হিসেবে বিবেচনা করছে ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরান। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জোর দিয়ে বলেছে, এটি সশস্ত্র আগ্রাসনের একটি সুস্পষ্ট উদাহরণ এবং জাতিসংঘ সনদের ৫১ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী আত্মরক্ষার স্বার্থে দৃঢ় পদক্ষেপ নেওয়ার সম্পূর্ণ বৈধ অধিকার তেহরানের রয়েছে।

উপসাগরীয় দেশগুলোতে মার্কিন সেনাদের লক্ষ্য করে ইরানের হামলা

বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয় যে, আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে এবং উত্তেজনা এড়াতে ইরানি জাতি সবসময়ই ধৈর্য ও সংযমের পরিচয় দিয়েছে। তবে বর্তমানে সশস্ত্র বাহিনী দেশ রক্ষায় ‘পুরোপুরি প্রস্তুত’। ইতিহাস সাক্ষ্য দেয় যে, ইরানিরা কখনোই আগ্রাসনের কাছে আত্মসমর্পণ করেনি। তেহরানের পক্ষ থেকে এবারও এমন দৃঢ় জবাব দেওয়া হবে, যার ফলে হামলাকারীরা তাদের এই বৈরী কর্মকাণ্ডের জন্য নিশ্চিতভাবে অনুতপ্ত হবে।