ঢাকা ১০:৩৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬, ২২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইউনাইটেডকে হারিয়ে শুরু, লিলের ম্যাচ রাঙিয়ে গড়লেন ইতিহাস

স্পোর্টস ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৪:১৪:৩৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬
  • / 33

অ্যাস্টন ভিলা কোচ হিসেবে নতুন এক রেকর্ড গড়লেন উনাই এমেরি। ইউরোপা লিগের শেষ ষোলোর প্রথম লেগে লিলকে হারানোর ম্যাচে ভিলার হয়ে শততম জয় পান তিনি। ক্লাবের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে এই মাইলফলকে পৌঁছানোর কৃতিত্ব এখন এমেরির।

২০২২ সালে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই ভিলাকে ইউরোপের প্রতিযোগিতায় শক্তিশালী করে তুলেছেন এমেরি। ৫৪ বছর বয়সী এই স্প্যানিশ কোচের জয়ের হার ক্লাব ইতিহাসে সর্বোচ্চ—৫৫ দশমিক ২ শতাংশ।

ভিলা পার্কের হয়ে ১০০ জয়ের মাইলফলকে পৌঁছানো কোচদের তালিকায়ও আছেন এমেরি। এই তালিকায় তার চেয়ে বেশি জয় রয়েছে পেপ গার্দিওলা ও মিকেল আরতেতার।

শততম জয় নিয়ে খুব বেশি কথা বলেননি এমেরি। কিন্তু পরিসংখ্যানই তার সাফল্যের গল্প বলছে। সেভিয়া ও ভিয়ারিয়ালের সাবেক এই কোচ ২০১৯ সালে আর্সেনাল থেকে বরখাস্ত হওয়ার পর আবার ইংল্যান্ডে ফিরে এসেছিলেন নিজেকে প্রমাণ করার লক্ষ্য নিয়ে।

পাঁচ দলের কাড়াকাড়িতে কোলস পেলেন সর্বোচ্চ দাম

১৮১ ম্যাচে ১০০ জয় তুলে নিয়ে তিনি ছাড়িয়ে গেছেন অ্যাস্টন ভিলার ইতিহাসের অন্যতম সফল কোচ রন সন্ডার্সকে। সন্ডার্স দায়িত্ব নেওয়ার চার মৌসুম পর, ১৯৭৭-৭৮ মৌসুমের শেষে গিয়ে ১০০ জয়ের মাইলফলকে পৌঁছেছিলেন।

সন্ডার্সই ভিলাকে পুরোনো দ্বিতীয় বিভাগ থেকে তুলে আনতে সাহায্য করেন। তার অধীনেই দলটি দুইবার লিগ কাপ জেতে এবং ১৯৮০-৮১ মৌসুমে ৭১ বছর পর শীর্ষ লিগের শিরোপা পায়। এরপর ১৯৮১-৮২ মৌসুমের শুরুতেও তিনি দায়িত্বে ছিলেন—যে মৌসুম শেষে ভিলা জেতে ইউরোপিয়ান কাপ।

জো মার্সার ১৯৫৮ থেকে ১৯৬৪ সালের মধ্যে দলকে আবার শীর্ষ লিগে তুলেছিলেন এবং একটি লিগ কাপ জিতিয়েছিলেন। তার ১১৯ জয়ের মধ্যে ১০০ জয় পেতে সময় লেগেছিল প্রায় সাড়ে চার বছর।

আরও আগে, যখন সাপ্তাহিক ব্যবস্থাপনা কমিটি দল নির্বাচন করত, তখন জর্জ রামসের ১০০ জয় পেতে লাগে ১৯০ ম্যাচ। আর ডব্লিউ জে স্মিথের লাগে ২০৫ ম্যাচ। সেখানে এমেরি মাত্র তিন বছর চার মাসেই ১০০ জয়ের মাইলফলকে পৌঁছেছেন। তার এই যাত্রা শুরু হয়েছিল ২০২২ সালের নভেম্বরে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডকে ৩–১ গোলে হারানোর ম্যাচ দিয়ে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

ইউনাইটেডকে হারিয়ে শুরু, লিলের ম্যাচ রাঙিয়ে গড়লেন ইতিহাস

আপডেট সময় : ০৪:১৪:৩৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬

অ্যাস্টন ভিলা কোচ হিসেবে নতুন এক রেকর্ড গড়লেন উনাই এমেরি। ইউরোপা লিগের শেষ ষোলোর প্রথম লেগে লিলকে হারানোর ম্যাচে ভিলার হয়ে শততম জয় পান তিনি। ক্লাবের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে এই মাইলফলকে পৌঁছানোর কৃতিত্ব এখন এমেরির।

২০২২ সালে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই ভিলাকে ইউরোপের প্রতিযোগিতায় শক্তিশালী করে তুলেছেন এমেরি। ৫৪ বছর বয়সী এই স্প্যানিশ কোচের জয়ের হার ক্লাব ইতিহাসে সর্বোচ্চ—৫৫ দশমিক ২ শতাংশ।

ভিলা পার্কের হয়ে ১০০ জয়ের মাইলফলকে পৌঁছানো কোচদের তালিকায়ও আছেন এমেরি। এই তালিকায় তার চেয়ে বেশি জয় রয়েছে পেপ গার্দিওলা ও মিকেল আরতেতার।

শততম জয় নিয়ে খুব বেশি কথা বলেননি এমেরি। কিন্তু পরিসংখ্যানই তার সাফল্যের গল্প বলছে। সেভিয়া ও ভিয়ারিয়ালের সাবেক এই কোচ ২০১৯ সালে আর্সেনাল থেকে বরখাস্ত হওয়ার পর আবার ইংল্যান্ডে ফিরে এসেছিলেন নিজেকে প্রমাণ করার লক্ষ্য নিয়ে।

পাঁচ দলের কাড়াকাড়িতে কোলস পেলেন সর্বোচ্চ দাম

১৮১ ম্যাচে ১০০ জয় তুলে নিয়ে তিনি ছাড়িয়ে গেছেন অ্যাস্টন ভিলার ইতিহাসের অন্যতম সফল কোচ রন সন্ডার্সকে। সন্ডার্স দায়িত্ব নেওয়ার চার মৌসুম পর, ১৯৭৭-৭৮ মৌসুমের শেষে গিয়ে ১০০ জয়ের মাইলফলকে পৌঁছেছিলেন।

সন্ডার্সই ভিলাকে পুরোনো দ্বিতীয় বিভাগ থেকে তুলে আনতে সাহায্য করেন। তার অধীনেই দলটি দুইবার লিগ কাপ জেতে এবং ১৯৮০-৮১ মৌসুমে ৭১ বছর পর শীর্ষ লিগের শিরোপা পায়। এরপর ১৯৮১-৮২ মৌসুমের শুরুতেও তিনি দায়িত্বে ছিলেন—যে মৌসুম শেষে ভিলা জেতে ইউরোপিয়ান কাপ।

জো মার্সার ১৯৫৮ থেকে ১৯৬৪ সালের মধ্যে দলকে আবার শীর্ষ লিগে তুলেছিলেন এবং একটি লিগ কাপ জিতিয়েছিলেন। তার ১১৯ জয়ের মধ্যে ১০০ জয় পেতে সময় লেগেছিল প্রায় সাড়ে চার বছর।

আরও আগে, যখন সাপ্তাহিক ব্যবস্থাপনা কমিটি দল নির্বাচন করত, তখন জর্জ রামসের ১০০ জয় পেতে লাগে ১৯০ ম্যাচ। আর ডব্লিউ জে স্মিথের লাগে ২০৫ ম্যাচ। সেখানে এমেরি মাত্র তিন বছর চার মাসেই ১০০ জয়ের মাইলফলকে পৌঁছেছেন। তার এই যাত্রা শুরু হয়েছিল ২০২২ সালের নভেম্বরে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডকে ৩–১ গোলে হারানোর ম্যাচ দিয়ে।