বিশ্ববাজারে তেলের দাম ছাড়ালো ১০০ ডলার
- আপডেট সময় : ০৩:২০:০৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬
- / 46
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধকে ঘিরে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বেড়েই চলেছে। বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) ব্যারেল প্রতি দাম বেড়ে ১০০ ডলারের মাইলফলক স্পর্শ করে। ইরান হুঁশিয়ারি দিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের বর্বরোচিত এই হামলা বন্ধ না হলে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি পুরোপুরি বন্ধ রেখে তেলের দাম ২০০ ডলারে নিয়ে যাওয়া হবে। তবে এমন পরিস্থিতিতেও কৃত্রিম সংকট দেখিয়ে দাম বাড়িয়ে ফায়দা লুটছে বিশেষ কয়েকটি দেশ ও প্রতিষ্ঠান। বিশ্লেষকেরা জানিয়েছেন, রাশিয়াসহ জ্বালানি উৎপাদক শীর্ষ দেশগুলো আর্থিকভাবে লাভবান হচ্ছে।
জ্বালানি বিশ্লেষক ক্রিস ওয়েফার সংবাদমাধ্যম আল জাজিরাকে জানিয়েছেন, ‘এই পরিস্থিতি থেকে রাশিয়া অবশ্যই আর্থিকভাবে লাভবান হচ্ছে।’ তার মতে, কয়েক মাস ধরে তেল রপ্তানি থেকে রাশিয়ার আয় কমে যাওয়ার পর বর্তমান পরিস্থিতি মস্কোর জন্য নতুন সুযোগ তৈরি করেছে।
তিনি বলেন, গত বছরের শেষ দিকে ওয়াশিংটনের আরোপ করা নিষেধাজ্ঞার কারণে তেল বিক্রি থেকে রাশিয়ার আয়ে বড় ধাক্কা লেগেছিল। সে সময় রাশিয়াকে অনেক তেল উল্লেখযোগ্য মূল্যছাড়ে বিক্রি করতে হয়েছিল।
রোজার শেষে বাজারে ক্রেতা কম, বাড়তি মুরগির দাম
ওয়েফার ব্যাখ্যা করেন, যখন বৈশ্বিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ছিল প্রায় ৬৫ ডলার প্রতি ব্যারেল, তখন কিছু রুশ তেল মাত্র ৪৫ ডলার দামে বিক্রি হচ্ছিল। কিন্তু সাম্প্রতিক মূল্যবৃদ্ধির ফলে সেই পরিস্থিতি বদলে গেছে।
তিনি বলেন, ‘গত সপ্তাহের শুরু থেকেই রাশিয়ার অতিরিক্ত তেলের প্রায় সবটাই এশিয়ার ক্রেতারা কিনে নিয়েছে।’ ফলে এখন রুশ তেল আগের তুলনায় বৈশ্বিক বাজারদরের কাছাকাছি দামে বিক্রি হচ্ছে।
ওয়েফারের হিসাব অনুযায়ী, গত সপ্তাহেই রাশিয়ার তেল রপ্তানি আয় প্রায় ৩ বিলিয়ন ডলার বেড়েছে। তবে তিনি উল্লেখ করেন, শুধু রাশিয়াই নয়-এই পরিস্থিতিতে আরও কয়েকটি বড় জ্বালানি উৎপাদক দেশ লাভবান হচ্ছে।
তার ভাষায়, ‘যুক্তরাষ্ট্রের তেলসমৃদ্ধ অঙ্গরাজ্যগুলোর উৎপাদকরাও শিগগিরই উল্লেখযোগ্যভাবে লাভবান হবে।’ পাশাপাশি অস্ট্রেলিয়া ও কানাডার মতো দেশগুলোর তেল উৎপাদক প্রতিষ্ঠানগুলোও উচ্চমূল্যের সুবিধা পাচ্ছে বলে তিনি জানান।

























Iranian Embassy in Turkey: NATO’s claims on Iran’s nuclear program and the Strait of Hormuz are baseless