ঢাকা ০১:৫৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬, ২৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
বিশেষ সতর্কীকরণ নোটিশ ::
বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় কন্ট্রোল রুম চালু করেছে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড। কন্ট্রোল রুমের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও গণমাধ্যমকর্মীদের দেশের বিভিন্ন নদ-নদীর বন্যা পরিস্থিতি ও পূর্বাভাসসংক্রান্ত তথ্য সরবরাহ করা হবে। এ জন্য ০১৩১৮২৩৪৯৬২, ০১৩১৮২৩৪৯৬৩, ০১৩২১১৩৯৫৪২ ও ০১৭০৯৬৫৪৭৯১ মোবাইল নম্বরে যোগাযোগ করা যাবে। এছাড়া ffwcbwdb@gmail.com এবং ffwc05@yahoo.com ই-মেইলেও তথ্য পাওয়া যাবে।

‘আমাকে হত্যার ছক কষছে ইরান’, বিমান বদল করলেন ট্রাম্প

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১২:৩৮:০০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬
  • / 17

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরান তাকে হত্যা করতে পারে। তার ভাষ্য, ইরানের হত্যার তালিকায় তিনি এক নম্বরে রয়েছেন।

এই আশঙ্কায় তুরস্ক থেকে দেশে ফেরার সময় তিনি বিমান পরিবর্তন করেন। ট্রাম্পের আশঙ্কা, মাঝ আকাশে তার বিমানে হামলা হতে পারে।

তাই তিনি প্রেসিডেন্টের বিশেষ বিমানটির সব জানালা বন্ধ রাখার নির্দেশ দেন। এরই মধ্যে ইরানের সঙ্গে শান্তি সমঝোতা স্থগিত রেখে আবারও হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এর আগে যুক্তরাষ্ট্র নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট ন্যাটোর সম্মেলনে যোগ দিতে তুরস্কে গিয়েছিলেন ট্রাম্প। সফরসঙ্গী সাংবাদিকদের নিজ নিজ আসনের পাশের জানালা বন্ধ রাখতে বলেন ট্রাম্প।

এর কারণ ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন, ‘আপনারা সম্ভবত একটি বিপজ্জনক বিমানে রয়েছেন। তারা খুব বাজে লোক। আমাকে সবসময়ই হুমকির মুখে থাকতে হয়। তাদের হত্যার তালিকায় একেবারে প্রথমেই রয়েছি আমি। আমার যদি কিছু হয়, তবে আপনাদেরও একই অবস্থা হবে।’ পরে পরিবেশ কিছুটা হালকা করে তিনি বলেন, ‘হয়তো কোনো একদিন আপনারা নিজেদের পেশা বদলে ফেলতে চাইবেন।’

তুরস্কে যাওয়ার সময় যে বিমানে ছিলেন, দেশে ফেরার পথে সেই বিমান ব্যবহার করেননি ট্রাম্প। সম্প্রতি কাতারের দেওয়া একটি বিমানে তিনি তুরস্কে গিয়েছিলেন। তবে বার্তা সংস্থা এপি জানিয়েছে, ফেরার পথে তিনি কিছু দূর পুরোনো হালকা নীল রঙের প্রেসিডেন্টের বিশেষ বিমানে ভ্রমণ করেন।

কেন হঠাৎ বিমান বদল করা হলো, তা তাৎক্ষণিকভাবে স্পষ্ট হয়নি। তবে মার্কিন সংবাদমাধ্যম ব্লুমবার্গ জানিয়েছে, ট্রাম্প রওনা হওয়ার আগেই নতুন বিমানটি ব্রিটেনের মিলডেনহল বিমানঘাঁটিতে পাঠানো হয়েছিল। ফলে তুরস্কের রাজধানী আঙ্কারা থেকে ব্রিটেন পর্যন্ত তিনি পুরোনো প্রেসিডেন্টের বিশেষ বিমানে ভ্রমণ করেন।

এদিকে ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইউরোপ থেকে আরও মার্কিন সেনা প্রত্যাহার করা হবে কি না, তা অনেকটাই নির্ভর করছে গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে ভবিষ্যৎ চুক্তির ওপর।

বিমানে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ইউরোপ থেকে আরও সেনা প্রত্যাহারের বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেননি। গ্রিনল্যান্ড নিয়ে অনেক কিছু হচ্ছে। সেখানে ভালো চুক্তি হলে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। এর আগে ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে আঙ্কারায় পৌঁছে ট্রাম্প বলেছিলেন, গ্রিনল্যান্ড বর্তমানে ডেনমার্কের অংশ হলেও সেটি যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে থাকা উচিত।সূত্র: রয়টার্স ও ডয়চে ভেলে

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

‘আমাকে হত্যার ছক কষছে ইরান’, বিমান বদল করলেন ট্রাম্প

আপডেট সময় : ১২:৩৮:০০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরান তাকে হত্যা করতে পারে। তার ভাষ্য, ইরানের হত্যার তালিকায় তিনি এক নম্বরে রয়েছেন।

এই আশঙ্কায় তুরস্ক থেকে দেশে ফেরার সময় তিনি বিমান পরিবর্তন করেন। ট্রাম্পের আশঙ্কা, মাঝ আকাশে তার বিমানে হামলা হতে পারে।

তাই তিনি প্রেসিডেন্টের বিশেষ বিমানটির সব জানালা বন্ধ রাখার নির্দেশ দেন। এরই মধ্যে ইরানের সঙ্গে শান্তি সমঝোতা স্থগিত রেখে আবারও হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এর আগে যুক্তরাষ্ট্র নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট ন্যাটোর সম্মেলনে যোগ দিতে তুরস্কে গিয়েছিলেন ট্রাম্প। সফরসঙ্গী সাংবাদিকদের নিজ নিজ আসনের পাশের জানালা বন্ধ রাখতে বলেন ট্রাম্প।

এর কারণ ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন, ‘আপনারা সম্ভবত একটি বিপজ্জনক বিমানে রয়েছেন। তারা খুব বাজে লোক। আমাকে সবসময়ই হুমকির মুখে থাকতে হয়। তাদের হত্যার তালিকায় একেবারে প্রথমেই রয়েছি আমি। আমার যদি কিছু হয়, তবে আপনাদেরও একই অবস্থা হবে।’ পরে পরিবেশ কিছুটা হালকা করে তিনি বলেন, ‘হয়তো কোনো একদিন আপনারা নিজেদের পেশা বদলে ফেলতে চাইবেন।’

তুরস্কে যাওয়ার সময় যে বিমানে ছিলেন, দেশে ফেরার পথে সেই বিমান ব্যবহার করেননি ট্রাম্প। সম্প্রতি কাতারের দেওয়া একটি বিমানে তিনি তুরস্কে গিয়েছিলেন। তবে বার্তা সংস্থা এপি জানিয়েছে, ফেরার পথে তিনি কিছু দূর পুরোনো হালকা নীল রঙের প্রেসিডেন্টের বিশেষ বিমানে ভ্রমণ করেন।

কেন হঠাৎ বিমান বদল করা হলো, তা তাৎক্ষণিকভাবে স্পষ্ট হয়নি। তবে মার্কিন সংবাদমাধ্যম ব্লুমবার্গ জানিয়েছে, ট্রাম্প রওনা হওয়ার আগেই নতুন বিমানটি ব্রিটেনের মিলডেনহল বিমানঘাঁটিতে পাঠানো হয়েছিল। ফলে তুরস্কের রাজধানী আঙ্কারা থেকে ব্রিটেন পর্যন্ত তিনি পুরোনো প্রেসিডেন্টের বিশেষ বিমানে ভ্রমণ করেন।

এদিকে ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইউরোপ থেকে আরও মার্কিন সেনা প্রত্যাহার করা হবে কি না, তা অনেকটাই নির্ভর করছে গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে ভবিষ্যৎ চুক্তির ওপর।

বিমানে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ইউরোপ থেকে আরও সেনা প্রত্যাহারের বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেননি। গ্রিনল্যান্ড নিয়ে অনেক কিছু হচ্ছে। সেখানে ভালো চুক্তি হলে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। এর আগে ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে আঙ্কারায় পৌঁছে ট্রাম্প বলেছিলেন, গ্রিনল্যান্ড বর্তমানে ডেনমার্কের অংশ হলেও সেটি যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে থাকা উচিত।সূত্র: রয়টার্স ও ডয়চে ভেলে