ঢাকা ০১:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

যুদ্ধের কারণে ইরানে ম্লান ফার্সি নববর্ষ ও ঈদ উদযাপন

আর্ন্তজাতিক ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০১:২৬:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬
  • / 40

ইরানের তেহরান থেকে প্রতিবেদক মোহাম্মদ ভ্যালের পাঠানো তথ্য অনুযায়ী, যুদ্ধ ও শোকের ভয়াল ছায়ায় এবার ইরানে ফার্সি নববর্ষ বা নওরোজ এবং পবিত্র ঈদুল ফিতরের চিরচেনা রূপ একেবারেই পাল্টে গেছে। শত শত বছরের ঐতিহ্যবাহী উৎসবগুলোতে এবার বিষাদের সুর এবং আতঙ্কের ছাপ স্পষ্ট।

নতুন বছরের সূচনা উপলক্ষে ইরানিরা সাধারণত রাতে রাস্তায় নেমে আসে, ছোট ছোট আগুন জ্বালিয়ে এবং নাচ-গানের মাধ্যমে আনন্দ উল্লাস করে। গত শুক্রবার এই উৎসব হওয়ার কথা থাকলেও এবার তা হয়নি। মূলত সরকার থেকে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল যেন মানুষ রাস্তায় জড়ো না হয়। সরকারের পক্ষ থেকে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয় যে, বিভিন্ন গোষ্ঠী এই জমায়েতের সুযোগ নিয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন ও দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে পারে। ফলে অত্যন্ত ভয়াবহ পরিস্থিতি ও শোকাবহ অবস্থার মধ্যে অনেক ইরানি কেবল তাদের মৃত স্বজনদের জন্য শোক পালন করছেন। আর যারা উৎসব উদযাপন করেছেন, তা নিতান্তই নিজেদের ঘরের চারদেয়ালের মাঝে সীমাবদ্ধ ছিল।

ইরানের তেলের ওপর ৩০ দিনের জন্য নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র

অন্যদিকে, আজকের পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে জুমার নামাজের আয়োজন যথারীতি সম্পন্ন হলেও সেখানে একটি বড় ব্যতিক্রম চোখে পড়েছে। সাধারণত ঈদুল ফিতরের প্রধান জামাতে স্বয়ং দেশের সর্বোচ্চ নেতা সভাপতিত্ব করে থাকেন। কিন্তু এবারের জুমার নামাজে নতুন সর্বোচ্চ নেতার অনুপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। শীর্ষ নেতার এই ব্যতিক্রমী অনুপস্থিতি সাধারণ ইরানিদের মনে করিয়ে দিচ্ছে যে, তারা সত্যিই এক সম্পূর্ণ নতুন এবং অস্বাভাবিক এক পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন। সূত্র: আলজাজিরা

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

যুদ্ধের কারণে ইরানে ম্লান ফার্সি নববর্ষ ও ঈদ উদযাপন

আপডেট সময় : ০১:২৬:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬

ইরানের তেহরান থেকে প্রতিবেদক মোহাম্মদ ভ্যালের পাঠানো তথ্য অনুযায়ী, যুদ্ধ ও শোকের ভয়াল ছায়ায় এবার ইরানে ফার্সি নববর্ষ বা নওরোজ এবং পবিত্র ঈদুল ফিতরের চিরচেনা রূপ একেবারেই পাল্টে গেছে। শত শত বছরের ঐতিহ্যবাহী উৎসবগুলোতে এবার বিষাদের সুর এবং আতঙ্কের ছাপ স্পষ্ট।

নতুন বছরের সূচনা উপলক্ষে ইরানিরা সাধারণত রাতে রাস্তায় নেমে আসে, ছোট ছোট আগুন জ্বালিয়ে এবং নাচ-গানের মাধ্যমে আনন্দ উল্লাস করে। গত শুক্রবার এই উৎসব হওয়ার কথা থাকলেও এবার তা হয়নি। মূলত সরকার থেকে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল যেন মানুষ রাস্তায় জড়ো না হয়। সরকারের পক্ষ থেকে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয় যে, বিভিন্ন গোষ্ঠী এই জমায়েতের সুযোগ নিয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন ও দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে পারে। ফলে অত্যন্ত ভয়াবহ পরিস্থিতি ও শোকাবহ অবস্থার মধ্যে অনেক ইরানি কেবল তাদের মৃত স্বজনদের জন্য শোক পালন করছেন। আর যারা উৎসব উদযাপন করেছেন, তা নিতান্তই নিজেদের ঘরের চারদেয়ালের মাঝে সীমাবদ্ধ ছিল।

ইরানের তেলের ওপর ৩০ দিনের জন্য নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র

অন্যদিকে, আজকের পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে জুমার নামাজের আয়োজন যথারীতি সম্পন্ন হলেও সেখানে একটি বড় ব্যতিক্রম চোখে পড়েছে। সাধারণত ঈদুল ফিতরের প্রধান জামাতে স্বয়ং দেশের সর্বোচ্চ নেতা সভাপতিত্ব করে থাকেন। কিন্তু এবারের জুমার নামাজে নতুন সর্বোচ্চ নেতার অনুপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। শীর্ষ নেতার এই ব্যতিক্রমী অনুপস্থিতি সাধারণ ইরানিদের মনে করিয়ে দিচ্ছে যে, তারা সত্যিই এক সম্পূর্ণ নতুন এবং অস্বাভাবিক এক পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন। সূত্র: আলজাজিরা