ঢাকা ০২:১১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

স্বপ্ন ভাঙার রাতে লজ্জার রেকর্ড গড়লেন রোনালদো

স্পোর্টস ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১২:৫৪:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ জুলাই ২০২৬
  • / 11

স্পেনের কাছে হেরে বিশ্বকাপ থেকে বিদায়ের রাতেই এক অনাকাঙ্ক্ষিত রেকর্ডে নাম লেখালেন পর্তুগাল অধিনায়ক ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। ডালাসে শেষ ষোলোর ম্যাচে স্পেনের কাছে ১-০ গোলে হারের পর বিশ্বকাপ ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ হারার তালিকায় এখন যৌথভাবে শীর্ষে এই পর্তুগিজ মহাতারকা।

অপটার পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এই হারের ফলে বিশ্বকাপে রোনালদোর মোট পরাজয়ের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৮টিতে। এই তালিকায় তার সঙ্গী এখন মেক্সিকোর আন্তোনিও কারবাহাল এবং দক্ষিণ কোরিয়ার হং মিউং-বো, যাদেরও বিশ্বকাপের ইতিহাসে ৮টি করে ম্যাচ হারের রেকর্ড রয়েছে।

কারবাহাল ছিলেন বিশ্বকাপ ইতিহাসে পাঁচ আসরে খেলা প্রথম ফুটবলারদের একজন। ১৯৫০ থেকে ১৯৬৬ পর্যন্ত মেক্সিকোর হয়ে পাঁচটি বিশ্বকাপে খেলেছেন এই গোলরক্ষক। ১১ ম্যাচে তার হার ছিল ৮টি। দক্ষিণ কোরিয়ার হং মিউং-বো খেলেছেন ১৯৯০, ১৯৯৪, ১৯৯৮ ও ২০০২ বিশ্বকাপে। ১৬ ম্যাচে তারও হার ৮টি।

৪১ বছর বয়সী রোনালদোর জন্য এটি ছিল ষষ্ঠ বিশ্বকাপ। ২০০৬ সালে প্রথমবার বিশ্বকাপ খেলা রোনালদো প্রতিটি আসরেই ছিলেন পর্তুগালের মূল ভরসা। বিশ্বকাপে তার সামগ্রিক পরিসংখ্যান ২৭ ম্যাচ, ১১ জয়, ৮ ড্র, ৮ হার এবং ১১ গোল। যদিও ছয়টি ভিন্ন বিশ্বকাপে গোল করার বিরল কীর্তি তার দখলে রয়েছে, তবুও শেষ পর্যন্ত বিশ্বকাপ ট্রফি জয়ের স্বপ্ন তার অধরাই থেকে গেল।

ম্যাচের আগেই রোনালদো জানিয়েছিলেন এটিই তার শেষ বিশ্বকাপ। তাই স্পেনের কাছে এই হার কেবল পর্তুগালের বিদায় নয়, বরং রোনালদোর দীর্ঘ বর্ণাঢ্য বিশ্বকাপ অধ্যায়েরও এক বিষাদময় সমাপ্তি। দীর্ঘ এই পথচলায় তিনি বহু রেকর্ড গড়েছেন, কিন্তু শেষ রাতের হিসাবটি তার ক্যারিয়ারের অন্যতম বেদনাদায়ক মুহূর্ত হিসেবেই থেকে যাবে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

স্বপ্ন ভাঙার রাতে লজ্জার রেকর্ড গড়লেন রোনালদো

আপডেট সময় : ১২:৫৪:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ জুলাই ২০২৬

স্পেনের কাছে হেরে বিশ্বকাপ থেকে বিদায়ের রাতেই এক অনাকাঙ্ক্ষিত রেকর্ডে নাম লেখালেন পর্তুগাল অধিনায়ক ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। ডালাসে শেষ ষোলোর ম্যাচে স্পেনের কাছে ১-০ গোলে হারের পর বিশ্বকাপ ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ হারার তালিকায় এখন যৌথভাবে শীর্ষে এই পর্তুগিজ মহাতারকা।

অপটার পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এই হারের ফলে বিশ্বকাপে রোনালদোর মোট পরাজয়ের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৮টিতে। এই তালিকায় তার সঙ্গী এখন মেক্সিকোর আন্তোনিও কারবাহাল এবং দক্ষিণ কোরিয়ার হং মিউং-বো, যাদেরও বিশ্বকাপের ইতিহাসে ৮টি করে ম্যাচ হারের রেকর্ড রয়েছে।

কারবাহাল ছিলেন বিশ্বকাপ ইতিহাসে পাঁচ আসরে খেলা প্রথম ফুটবলারদের একজন। ১৯৫০ থেকে ১৯৬৬ পর্যন্ত মেক্সিকোর হয়ে পাঁচটি বিশ্বকাপে খেলেছেন এই গোলরক্ষক। ১১ ম্যাচে তার হার ছিল ৮টি। দক্ষিণ কোরিয়ার হং মিউং-বো খেলেছেন ১৯৯০, ১৯৯৪, ১৯৯৮ ও ২০০২ বিশ্বকাপে। ১৬ ম্যাচে তারও হার ৮টি।

৪১ বছর বয়সী রোনালদোর জন্য এটি ছিল ষষ্ঠ বিশ্বকাপ। ২০০৬ সালে প্রথমবার বিশ্বকাপ খেলা রোনালদো প্রতিটি আসরেই ছিলেন পর্তুগালের মূল ভরসা। বিশ্বকাপে তার সামগ্রিক পরিসংখ্যান ২৭ ম্যাচ, ১১ জয়, ৮ ড্র, ৮ হার এবং ১১ গোল। যদিও ছয়টি ভিন্ন বিশ্বকাপে গোল করার বিরল কীর্তি তার দখলে রয়েছে, তবুও শেষ পর্যন্ত বিশ্বকাপ ট্রফি জয়ের স্বপ্ন তার অধরাই থেকে গেল।

ম্যাচের আগেই রোনালদো জানিয়েছিলেন এটিই তার শেষ বিশ্বকাপ। তাই স্পেনের কাছে এই হার কেবল পর্তুগালের বিদায় নয়, বরং রোনালদোর দীর্ঘ বর্ণাঢ্য বিশ্বকাপ অধ্যায়েরও এক বিষাদময় সমাপ্তি। দীর্ঘ এই পথচলায় তিনি বহু রেকর্ড গড়েছেন, কিন্তু শেষ রাতের হিসাবটি তার ক্যারিয়ারের অন্যতম বেদনাদায়ক মুহূর্ত হিসেবেই থেকে যাবে।