ঢাকা ১০:১৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬, ২২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জ্বালানি ঘাটতি নয়, মজুদের মানসিকতাই সমস্যা সৃষ্টি করছে: জ্বালানিমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১০:৫৯:৩২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬
  • / 46

ঢাকার বিভিন্ন পেট্রোল পাম্পে গত বছর ও এ বছরের জ্বালানি তেলের সরবরাহের তুলনা টেনে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেছেন, জ্বালানি ঘাটতি নয়, মজুদের মানসিকতাই বর্তমান সমস্যা সৃষ্টি করছে। সোমবার (৩০ মার্চ) বিকেলে সংসদে এসব কথা বলেন তিনি।

জ্বালানিমন্ত্রী বলেন, ‘তেজগাঁও ট্রাস্ট ফিলিং স্টেশনে ২০২৫ সালের মার্চ মাসে প্রতিদিন গড়ে ৫ হাজার ৪০০ লিটার অকটেন বিক্রি হতো। অথচ, ২০২৬ সালের মার্চ মাসে প্রতিদিন গড় বিক্রির পরিমাণ প্রায় ১০ হাজার ৬২০ লিটার। অর্থাৎ, ৯৬ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। ’ ঢাকার অন্য পেট্রোল পাম্পগুলোতে একই অবস্থা বলে উল্লেখ করেন তিনি।

পুলিশ হত্যার বিচার যুদ্ধের ময়দানে ফয়সালা হয়ে গেছে: সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

তিনি বলেন, ‘যেখানে একটি মটরসাইকেল সাধারণত গড়ে ৫ লিটার অকটেন সংগ্রহ করে, সেখানে একই মটরসাইকেল বর্তমানে দিনে তিন-চারবার এসে ১৫-২০ লিটার অকটেন সংগ্রহ করে।’

জ্বালানিমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের সরবরাহ ও প্রস্তুতি পর্যাপ্ত থাকা সত্ত্বেও মানুষ যদি প্রয়োজনের তুলনায় অতিরিক্ত ক্রয় করে, বা ড্রাম ও জারের মধ্যে অবৈধ মজুদ করে তাহলে স্বাভাবিক সরবরাহ ব্যাহত হতে বাধ্য। দাহ্য পদার্থ হিসেবে গুরুতর আশঙ্কাও সৃষ্টি করে। আজকের এই পরিস্থিতিতে আমাদের প্রধান দায়িত্ব হলো জনগণের মধ্যে আস্থা ও সচেতনতা তৈরি করা।’

ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেন, ‘বৈদেশিক সংকটের মধ্যেও সরকারি জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধি করা হয়নি। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে বারবার জ্বালানি তেলের দাম সমন্বয় করতে হয়েছে। এমনকি প্রতিবেশি অনেক দেশেও মূল্য ২৫ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে। সেখানে বাংলাদেশের সরকার জনগণের স্বার্থে মূল্য স্থিতিশীল রেখেছে।’

নিউজটি শেয়ার করুন

জ্বালানি ঘাটতি নয়, মজুদের মানসিকতাই সমস্যা সৃষ্টি করছে: জ্বালানিমন্ত্রী

আপডেট সময় : ১০:৫৯:৩২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬

ঢাকার বিভিন্ন পেট্রোল পাম্পে গত বছর ও এ বছরের জ্বালানি তেলের সরবরাহের তুলনা টেনে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেছেন, জ্বালানি ঘাটতি নয়, মজুদের মানসিকতাই বর্তমান সমস্যা সৃষ্টি করছে। সোমবার (৩০ মার্চ) বিকেলে সংসদে এসব কথা বলেন তিনি।

জ্বালানিমন্ত্রী বলেন, ‘তেজগাঁও ট্রাস্ট ফিলিং স্টেশনে ২০২৫ সালের মার্চ মাসে প্রতিদিন গড়ে ৫ হাজার ৪০০ লিটার অকটেন বিক্রি হতো। অথচ, ২০২৬ সালের মার্চ মাসে প্রতিদিন গড় বিক্রির পরিমাণ প্রায় ১০ হাজার ৬২০ লিটার। অর্থাৎ, ৯৬ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। ’ ঢাকার অন্য পেট্রোল পাম্পগুলোতে একই অবস্থা বলে উল্লেখ করেন তিনি।

পুলিশ হত্যার বিচার যুদ্ধের ময়দানে ফয়সালা হয়ে গেছে: সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

তিনি বলেন, ‘যেখানে একটি মটরসাইকেল সাধারণত গড়ে ৫ লিটার অকটেন সংগ্রহ করে, সেখানে একই মটরসাইকেল বর্তমানে দিনে তিন-চারবার এসে ১৫-২০ লিটার অকটেন সংগ্রহ করে।’

জ্বালানিমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের সরবরাহ ও প্রস্তুতি পর্যাপ্ত থাকা সত্ত্বেও মানুষ যদি প্রয়োজনের তুলনায় অতিরিক্ত ক্রয় করে, বা ড্রাম ও জারের মধ্যে অবৈধ মজুদ করে তাহলে স্বাভাবিক সরবরাহ ব্যাহত হতে বাধ্য। দাহ্য পদার্থ হিসেবে গুরুতর আশঙ্কাও সৃষ্টি করে। আজকের এই পরিস্থিতিতে আমাদের প্রধান দায়িত্ব হলো জনগণের মধ্যে আস্থা ও সচেতনতা তৈরি করা।’

ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেন, ‘বৈদেশিক সংকটের মধ্যেও সরকারি জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধি করা হয়নি। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে বারবার জ্বালানি তেলের দাম সমন্বয় করতে হয়েছে। এমনকি প্রতিবেশি অনেক দেশেও মূল্য ২৫ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে। সেখানে বাংলাদেশের সরকার জনগণের স্বার্থে মূল্য স্থিতিশীল রেখেছে।’