ইরানকে পুনর্গঠন ও উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ গড়ার ডাক দিলেন মুজতবা খামেনি
- আপডেট সময় : ০৫:০২:৩০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল ২০২৬
- / 54
ইসলামি বিপ্লবের নেতা আয়াতুল্লাহ সাইয়্যেদ মুজতবা খামেনি মার্কিন-ইসরায়েলি আগ্রাসনে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া দেশ পুনর্গঠন এবং ইরানের সমৃদ্ধ ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে দেশবাসীকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন।
বুধবার (১ এপ্রিল) ইসলামি প্রজাতন্ত্র দিবস এবং জাতীয় প্রকৃতি দিবস উপলক্ষে দেশবাসীর উদ্দেশে দেওয়া এক বার্তায় তিনি এই জোরালো আহ্বান জানান।
বার্তায় নেতা উল্লেখ করেন, শত্রুপক্ষ কেবল এ দেশের মানুষের ওপরই নয়, বরং ইরানের মাটি ও প্রাকৃতিক পরিবেশের ওপরও আঘাত হেনেছে। তিনি বলেন, এমন এক সময়ে যখন পৈশাচিক ও নির্মম মার্কিন-ইসরায়েলি শত্রুরা তাদের বর্বরতায় কোনো মানবিক, নৈতিক বা অস্তিত্বগত সীমা মানছে না, এমনকি আমাদের প্রিয় জন্মভূমির প্রাকৃতিক পরিবেশের ওপরও আঘাত হানছে, তখন ইরানের উন্নয়ন এবং একটি উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ গড়ার প্রতিটি প্রচেষ্টা অত্যন্ত জরুরি ও মহৎ কাজ।
এবার বাব আল–মান্দেব প্রণালি বন্ধের হুঁশিয়ারি দিল হুতিরা
আয়াতুল্লাহ মুজতবা খামেনি আরও বলেন, ইরানের বীর জাতি এ বছর বসন্তকালীন অনুষ্ঠানগুলো অটল ধৈর্য ও মর্যাদার সাথে পালন করেছে। আগ্রাসনের মুখে ইরানের প্রতিরক্ষা ও সফল প্রতিরোধকে তিনি জাতির বীরত্বগাথা হিসেবে অভিহিত করে বলেন, ইরানের বীর জাতি এ বছরের নওরোজকে দৃঢ় সংকল্প ও সম্মানের সাথে উদযাপিত করেছে।
উল্লেখ্য, প্রতি বছর ১ এপ্রিল ইরানে ইসলামি প্রজাতন্ত্র দিবস হিসেবে পালিত হয়, যা ১৯৭৯ সালের গণভোটের মাধ্যমে রাজতন্ত্রের অবসান ঘটিয়ে ইসলামি প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠার স্মৃতি বহন করে। একই দিনে নওরোজ বা পারস্য নববর্ষের ১৩ দিনের ছুটির সমাপ্তি উপলক্ষে জাতীয় প্রকৃতি দিবসও পালন করা হয়।
নেতার বার্তার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া সাম্প্রতিক আগ্রাসনে শহীদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা। বিশেষ করে দক্ষিণ ইরানের মিনাব শহরে একটি বালিকা বিদ্যালয়ে বর্বরোচিত হামলায় ১৮৬ জন শিক্ষার্থী নিহতের ঘটনায় তিনি গভীর শোক প্রকাশ করেন।
নিহতদের কচি চারাগাছ হিসেবে অভিহিত করে তিনি বলেন, শিশু হত্যাকারী ও দানবীয় মার্কিন-ইসরায়েলি শয়তানেরা অত্যন্ত নৃশংসভাবে বিদ্যালয়ের সেই কচি চারাগুলোকে শহিদ করেছে।
শহিদদের স্মরণে আয়াতুল্লাহ খামেনি দেশব্যাপী বৃক্ষরোপণ অভিযানের ডাক দেন। তিনি প্রকৃতি দিবস থেকে শুরু করে পুরো বসন্তকাল জুড়ে শহর ও গ্রামে সমন্বিতভাবে চারাগাছ রোপণের আহ্বান জানিয়ে বলেন, ইরানি জাতি সকল শহিদের স্মরণে সারা দেশে আশার চারাগাছ রোপণ করবে। এই প্রতিটি চারাগাছ আগামী বছরগুলোতে একটি আশীর্বাদপুষ্ট ও ফলদায়ী বৃক্ষে পরিণত হবে। সূত্র: প্রেস টিভি
























তরুণদের গবেষণা ও প্রযুক্তিনির্ভর কাজে মনোযোগী হওয়ার আহ্বান