ঢাকা ১০:২৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬, ১৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নিষিদ্ধই থাকছে আওয়ামী লীগের কার্যক্রম, সন্ত্রাসবিরোধী বিল পাস

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৩:১০:৩২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ এপ্রিল ২০২৬
  • / 33

আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধই থাকছে, জাতীয় সংসদে সন্ত্রাসবিরোধী (সংশোধন) বিল-২০২৬ পাস হয়েছে। বুধবার (৮ এপ্রিল) বেলা সোয়া ১২টার দিকে বিলটি পাস হয়। এর আগে, বেলা ১১টায় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের সভাপতিত্বে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের বৈঠক পুনরায় শুরু হয়।

সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দীন আহমদ এই আইনটি সংসদে উত্থাপন করেন। পরে সর্বসম্মত কণ্ঠভোটে এটি পাস হয়। এর ফলে, এখন থেকে কোনো ব্যক্তি বা সত্তা অর্থাৎ রাজনৈতিক দল বা সংগঠনকেও সন্ত্রাসে জড়িত অভিযোগে নিষিদ্ধ করতে পারবে সরকার।

এ ছাড়াও অনলাইন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও তাদের কোনো কার্যক্রম প্রচার করা যাবে না। কোনো নিষিদ্ধ সংগঠন বা দলকে অর্থ, আশ্রয় বা সহায়তা করলে কঠোর শাস্তির বিধান বাড়ানো হয়েছে।

এর আগে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে কোনো সত্তার কার্যক্রম নিষিদ্ধের বিধান ছিল না। তখন বলা ছিল, কোনো ব্যক্তি বা সত্তা সন্ত্রাসী কাজের সঙ্গে জড়িত থাকলে সরকার প্রজ্ঞাপন দিয়ে ওই ব্যক্তিকে তফসিলে তালিকাভুক্ত করতে পারে বা সত্তাকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করতে পারবে। তবে অধ্যাদেশের মাধ্যমে সংশোধনী এনে সত্তার যাবতীয় কার্যক্রম নিষিদ্ধের বিধান যুক্ত করা হয়। এটিকে আইনে রূপ দিতে আজ জাতীয় সংসদে বিল পাস হলো।

২০২৫ সালের ১২ মে অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় প্রজ্ঞাপন জারি করে আওয়ামী লীগ এবং এর অঙ্গ, সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সব সংগঠনের কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছিল। এরপর আজ বুধবার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জাতীয় সংসদে সন্ত্রাসবিরোধী বিল ২০২৬ সংসদে উত্থাপন করলে তা ‘হ্যাঁ’ ভোটে জয়যুক্ত হয়।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

নিষিদ্ধই থাকছে আওয়ামী লীগের কার্যক্রম, সন্ত্রাসবিরোধী বিল পাস

আপডেট সময় : ০৩:১০:৩২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ এপ্রিল ২০২৬

আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধই থাকছে, জাতীয় সংসদে সন্ত্রাসবিরোধী (সংশোধন) বিল-২০২৬ পাস হয়েছে। বুধবার (৮ এপ্রিল) বেলা সোয়া ১২টার দিকে বিলটি পাস হয়। এর আগে, বেলা ১১টায় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের সভাপতিত্বে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের বৈঠক পুনরায় শুরু হয়।

সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দীন আহমদ এই আইনটি সংসদে উত্থাপন করেন। পরে সর্বসম্মত কণ্ঠভোটে এটি পাস হয়। এর ফলে, এখন থেকে কোনো ব্যক্তি বা সত্তা অর্থাৎ রাজনৈতিক দল বা সংগঠনকেও সন্ত্রাসে জড়িত অভিযোগে নিষিদ্ধ করতে পারবে সরকার।

এ ছাড়াও অনলাইন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও তাদের কোনো কার্যক্রম প্রচার করা যাবে না। কোনো নিষিদ্ধ সংগঠন বা দলকে অর্থ, আশ্রয় বা সহায়তা করলে কঠোর শাস্তির বিধান বাড়ানো হয়েছে।

এর আগে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে কোনো সত্তার কার্যক্রম নিষিদ্ধের বিধান ছিল না। তখন বলা ছিল, কোনো ব্যক্তি বা সত্তা সন্ত্রাসী কাজের সঙ্গে জড়িত থাকলে সরকার প্রজ্ঞাপন দিয়ে ওই ব্যক্তিকে তফসিলে তালিকাভুক্ত করতে পারে বা সত্তাকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করতে পারবে। তবে অধ্যাদেশের মাধ্যমে সংশোধনী এনে সত্তার যাবতীয় কার্যক্রম নিষিদ্ধের বিধান যুক্ত করা হয়। এটিকে আইনে রূপ দিতে আজ জাতীয় সংসদে বিল পাস হলো।

২০২৫ সালের ১২ মে অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় প্রজ্ঞাপন জারি করে আওয়ামী লীগ এবং এর অঙ্গ, সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সব সংগঠনের কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছিল। এরপর আজ বুধবার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জাতীয় সংসদে সন্ত্রাসবিরোধী বিল ২০২৬ সংসদে উত্থাপন করলে তা ‘হ্যাঁ’ ভোটে জয়যুক্ত হয়।