রাজনীতি তার পথে চলবে, আসুন ব্যবসায়িক সম্পর্ক এগিয়ে নিই: দীনেশ ত্রিবেদী
- আপডেট সময় : ০৯:৫৯:০৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬
- / 4
রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকতেই পারে, তবে সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নয়নই হওয়া উচিত বাংলাদেশ ও ভারতের অগ্রাধিকার—এমন বার্তা দিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। তার মতে, দুই দেশের মানুষের কর্মসংস্থান, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, যোগাযোগ ও বিদ্যুতের চাহিদা পূরণে বাণিজ্যিক ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা আরও বাড়াতে হবে।
সোমবার (২৪ আগস্ট) সচিবালয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন ভারতীয় হাইকমিশনার।
দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের সাধারণ মানুষ অত্যন্ত মেধাবী। দুই দেশের তরুণ প্রজন্মেরও রয়েছে অনেক আকাঙ্ক্ষা। তাদের সেই আকাঙ্ক্ষা পূরণে যা যা করা প্রয়োজন, তা করা দুই দেশেরই দায়িত্ব।
তিনি বলেন, সাধারণ মানুষ চাকরি, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, ভালো রাস্তা ও বিদ্যুৎ চায়। এসব চাহিদা পূরণে বাণিজ্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক—দুটি দিকই রয়েছে। গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় রাজনৈতিক ইস্যু থাকবেই, তবে সাধারণ মানুষ মূলত উন্নয়ন চায়। আর উন্নয়ন ছাড়া কোনো কিছুই সম্ভব নয়।
বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করতে ‘ইন্টারডিপেন্ডেন্সি’ বা পারস্পরিক নির্ভরশীলতার ওপর জোর দেন ভারতীয় হাইকমিশনার।
দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, উন্নয়নের জন্য বাংলাদেশ ভারতের ওপর এবং ভারত বাংলাদেশের ওপর নির্ভর করবে। এই পারস্পরিক নির্ভরতাই দুই দেশের মধ্যে একটি পরিবারের মতো সম্পর্ক গড়ে তুলতে পারে।
তিনি বলেন, অর্থনীতি ও রাজনীতি—দুটিই গুরুত্বপূর্ণ। তবে সাধারণ মানুষের চাওয়া খুব বেশি নয়; তারা শান্তি চায়। শান্তি থাকলে সমৃদ্ধি আসে। দুই দেশেরই দায়িত্ব তরুণ প্রজন্মকে শান্তি ও সমৃদ্ধির সুযোগ করে দেওয়া।
দুই দেশেই তরুণ জনগোষ্ঠীর সংখ্যা বেশি উল্লেখ করে তিনি বলেন, যেকোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় তরুণ প্রজন্মের ভবিষ্যতের কথা মাথায় রাখা উচিত।
বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে পোশাক খাতে যৌথ উদ্যোগে উৎপাদন বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন দীনেশ ত্রিবেদী।
তিনি বলেন, ‘আসুন আমরা ব্যবসায়িক সম্পর্ক এগিয়ে নিয়ে যাই, রাজনীতি তার নিজের পথে চলবে।’ সাধারণ মানুষের প্রাপ্য সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা দুই দেশের দায়িত্ব বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের ক্ষেত্রে সমতার ওপরও গুরুত্ব দেন ভারতীয় হাইকমিশনার। তিনি বলেন, বাংলাদেশ ও ভারত দুটি স্বাধীন ও সার্বভৌম দেশ। এখানে কেউ বড় বা ছোট নয়; সবাই সমান। আর এই সমতার ভিত্তিতেই দুই দেশকে সামনে এগিয়ে যেতে হবে।























আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন আইন, ২০২৬ এর খসড়ার চূড়ান্ত অনুমোদন