সাগর-রুনি হত্যা: সাংস্কৃতিক অঙ্গনের এক ব্যক্তিকে ঘিরে নতুন ক্লু
- আপডেট সময় : ০৪:১৮:১৮ অপরাহ্ন, রোববার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬
- / 9
সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় একজন সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বের ‘কানেকশন’ পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম। রোববার (৩০ আগস্ট) নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।
চিফ প্রসিকিউটর বলেন, সাগর-রুনির মামলার তদন্ত আমাদের তদন্ত সংস্থা করছে না। এটি অন্য সংস্থা পিবিআই করছে।
তবে আমরা একটি মামলার তদন্ত করতে গিয়ে কোনো কোনো সময় ক্লু পেয়ে যাই। যেমন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে মেজর মোজাফফরের ব্যাপারে কিছুটা ক্লু পেয়েছিলাম।
সাগর-রুনির বিষয়েও আমরা একটি ক্লু পেয়েছি। সেটার নাম-পরিচয় এখন প্রকাশ করতে পারছি না।
তিনি বলেন, তবে এটুকু বলতে পারি, একজন সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বের সঙ্গে সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ডের একটি কানেকশন পাওয়া যাচ্ছে। আমরা বিষয়টি যাচাই-বাছাই করে দেখছি। তার ওপর আমাদের নজরদারি রয়েছে। আরও তদন্তের পর যদি কোনো অথেনটিক তথ্য পাওয়া যায়, তাহলে পিবিআইয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে তথ্য দিয়ে সহায়তা করব।
এটি একটি পৃথক হত্যা মামলা উল্লেখ করে চিফ প্রসিকিউটর বলেন, মামলাটির বিচার সংশ্লিষ্ট দায়রা আদালতে হবে।
এর আগে ২৭ আগস্ট সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ ফের পিছিয়েছে। ওই দিন ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলামের আদালতে প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য ছিল।
তবে সেদিন মামলার তদন্তকারী সংস্থা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) প্রতিবেদন দাখিল করতে পারেনি। পরে আদালত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর নতুন দিন ধার্য করেন। এ নিয়ে এ মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ ১২৯ বার পেছালো।
সাগর-রুনি হত্যা মামলাটি দীর্ঘদিন র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র্যাব) কাছে তদন্তাধীন ছিল। বাদীপক্ষের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ২০২৪ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর হাইকোর্ট মামলাটির তদন্তের জন্য একটি টাস্কফোর্স গঠনের নির্দেশ দেন। বর্তমানে পিবিআই মামলাটির তদন্ত করছে।
এ মামলায় রুনির বন্ধু তানভীর রহমানসহ মোট আটজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তার অন্য আসামিরা হলেন-বাড়ির নিরাপত্তাকর্মী এনাম আহমেদ ওরফে হুমায়ুন কবির, রফিকুল ইসলাম, বকুল মিয়া, মিন্টু ওরফে বারগিরা মিন্টু ওরফে মাসুম মিন্টু, কামরুল হাসান অরুন, পলাশ রুদ্র পাল ও আবু সাঈদ। তাদের মধ্যে কয়েকজন জামিনে রয়েছেন।
মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি রাতে ঢাকার পশ্চিম রাজাবাজারে নিজেদের ভাড়া বাসায় সাংবাদিক দম্পতি মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক সাগর সরওয়ার এবং এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মেহেরুন রুনি খুন হন। পরদিন ভোরে বাসা থেকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
ওই বছরের ১২ ফেব্রুয়ারি রুনির ভাই নওশের আলী রোমান বাদী হয়ে শেরেবাংলা নগর থানায় হত্যা মামলা করেন। প্রথমে মামলাটির তদন্ত করেন শেরেবাংলা নগর থানার একজন কর্মকর্তা।
এরপর ১৬ ফেব্রুয়ারি মামলার তদন্তভার গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) উত্তরের পুলিশ পরিদর্শক মো. রবিউল আলমের ওপর দেওয়া হয়। এর দুই মাস পর হাইকোর্টের আদেশে মামলাটির তদন্তভার র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র্যাব) কাছে দেওয়া হয়।


























ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে সর্বোচ্চ চেষ্টা চলছে: স্থানীয় সরকারমন্ত্রী