ঢাকা ০৪:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইরানজুড়ে ৩৮০০টির বেশি বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মোতায়েন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৩:৫৯:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / 3

ইরানজুড়ে ৩ হাজার ৮০০টির বেশি স্থানে বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মোতায়েন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ইরানের বিমান প্রতিরক্ষা বাহিনীর উপসমন্বয়ক জানিয়েছেন, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ সাদেকিয়ান। তিনি আরও বলেছেন, মোতায়েনকৃত প্রতরক্ষা ব্যবস্থার অনেকগুলোই দুর্গম এলাকায় অবস্থিত।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) একটি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে এ তথ্য জানান তিনি। এ সময় খাতাম আল-আনবিয়া বিমান প্রতিরক্ষা ঘাঁটির প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী ও জাতীয় বিমান প্রতিরক্ষা দিবস উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানান মোহাম্মদ সাদেকিয়ান। খবর মেহেরের

তিনি বলেন, ‘দেশজুড়ে বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা চারটি প্রধান মিশন পরিচালনা করে। এগুলো হলো- শনাক্তকরণ, নজরদারি, প্রতিহতকরণ এবং আকাশপথের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানা। বিমান প্রতিরক্ষার প্রধান দায়িত্ব হলো ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের আকাশসীমায়, এমনকি দেশের আকাশসীমার বাইরেও যেকোনো উড়ন্ত বস্তু শনাক্ত করা।’

তিনি আরও বলেন, ‘শনাক্ত করার পর সেটিকে চিহ্নিত করার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয় এবং প্রয়োজন হলে যুদ্ধবিমান দিয়ে প্রতিহত করা হয় অথবা ক্ষেপণাস্ত্র ও প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ব্যবহার করে মোকাবিলা কর হয়।’

জেনারেল সাদেকিয়ান জোর দিয়ে বলেন, ‘শেষ পর্যন্ত প্রতিরক্ষা মিশনের লক্ষ্য হলো শত্রু বিমানকে তাদের অভিযান পরিচালনা থেকে বিরত রাখা এবং প্রয়োজন হলে সেটিকে ধ্বংস করা।’ সাধারণ (যুদ্ধবিহীন) পরিস্থিতিতেও বিমান প্রতিরক্ষার দায়িত্ব রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘প্রতিরক্ষা মিশন শুধু যুদ্ধকালীন পরিস্থিতির মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। দেশের আকাশসীমায় প্রবেশ করতে চায় বা দেশের বিভিন্ন শহরের মধ্যে চলাচল করতে চায়—এমন প্রতিটি যাত্রীবাহী বিমান, পাশাপাশি ত্রাণসহ বিভিন্ন কাজে পরিচালিত সব ধরনের হেলিকপ্টার ও বিমান, প্রতিরক্ষা বাহিনীর সমন্বয় ও অনুমতির আওতায় পরিচালিত হয়।’

তিনি বলেন, ‘ইরানের বিমান প্রতিরক্ষা বাহিনী দেশটির ৩ হাজার ৮০০টির বেশি স্থানে মোতায়েন রয়েছে। এসব স্থানের অনেকগুলোই দুর্গম এলাকায় অবস্থিত। ইরানের ভৌগোলিক বৈচিত্র্য রয়েছে এবং দেশের মরুভূমি, উপকূল, দ্বীপ ও উচ্চভূমিতেও প্রতিরক্ষা বাহিনী মোতায়েন রয়েছে।’

বিশেষ সরঞ্জাম, ইলেকট্রো-অপটিক্যাল ব্যবস্থা ও আধুনিক প্রযুক্তিতে সজ্জিত নজরদারি বাহিনী এবং রাডার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ইরানের আকাশসীমা এবং এর বাইরের আকাশও ২৪ ঘণ্টা পর্যবেক্ষণ ও নিয়ন্ত্রণ করা হয় বলে জানান তিনি।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

ইরানজুড়ে ৩৮০০টির বেশি বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মোতায়েন

আপডেট সময় : ০৩:৫৯:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ইরানজুড়ে ৩ হাজার ৮০০টির বেশি স্থানে বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মোতায়েন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ইরানের বিমান প্রতিরক্ষা বাহিনীর উপসমন্বয়ক জানিয়েছেন, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ সাদেকিয়ান। তিনি আরও বলেছেন, মোতায়েনকৃত প্রতরক্ষা ব্যবস্থার অনেকগুলোই দুর্গম এলাকায় অবস্থিত।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) একটি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে এ তথ্য জানান তিনি। এ সময় খাতাম আল-আনবিয়া বিমান প্রতিরক্ষা ঘাঁটির প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী ও জাতীয় বিমান প্রতিরক্ষা দিবস উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানান মোহাম্মদ সাদেকিয়ান। খবর মেহেরের

তিনি বলেন, ‘দেশজুড়ে বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা চারটি প্রধান মিশন পরিচালনা করে। এগুলো হলো- শনাক্তকরণ, নজরদারি, প্রতিহতকরণ এবং আকাশপথের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানা। বিমান প্রতিরক্ষার প্রধান দায়িত্ব হলো ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের আকাশসীমায়, এমনকি দেশের আকাশসীমার বাইরেও যেকোনো উড়ন্ত বস্তু শনাক্ত করা।’

তিনি আরও বলেন, ‘শনাক্ত করার পর সেটিকে চিহ্নিত করার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয় এবং প্রয়োজন হলে যুদ্ধবিমান দিয়ে প্রতিহত করা হয় অথবা ক্ষেপণাস্ত্র ও প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ব্যবহার করে মোকাবিলা কর হয়।’

জেনারেল সাদেকিয়ান জোর দিয়ে বলেন, ‘শেষ পর্যন্ত প্রতিরক্ষা মিশনের লক্ষ্য হলো শত্রু বিমানকে তাদের অভিযান পরিচালনা থেকে বিরত রাখা এবং প্রয়োজন হলে সেটিকে ধ্বংস করা।’ সাধারণ (যুদ্ধবিহীন) পরিস্থিতিতেও বিমান প্রতিরক্ষার দায়িত্ব রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘প্রতিরক্ষা মিশন শুধু যুদ্ধকালীন পরিস্থিতির মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। দেশের আকাশসীমায় প্রবেশ করতে চায় বা দেশের বিভিন্ন শহরের মধ্যে চলাচল করতে চায়—এমন প্রতিটি যাত্রীবাহী বিমান, পাশাপাশি ত্রাণসহ বিভিন্ন কাজে পরিচালিত সব ধরনের হেলিকপ্টার ও বিমান, প্রতিরক্ষা বাহিনীর সমন্বয় ও অনুমতির আওতায় পরিচালিত হয়।’

তিনি বলেন, ‘ইরানের বিমান প্রতিরক্ষা বাহিনী দেশটির ৩ হাজার ৮০০টির বেশি স্থানে মোতায়েন রয়েছে। এসব স্থানের অনেকগুলোই দুর্গম এলাকায় অবস্থিত। ইরানের ভৌগোলিক বৈচিত্র্য রয়েছে এবং দেশের মরুভূমি, উপকূল, দ্বীপ ও উচ্চভূমিতেও প্রতিরক্ষা বাহিনী মোতায়েন রয়েছে।’

বিশেষ সরঞ্জাম, ইলেকট্রো-অপটিক্যাল ব্যবস্থা ও আধুনিক প্রযুক্তিতে সজ্জিত নজরদারি বাহিনী এবং রাডার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ইরানের আকাশসীমা এবং এর বাইরের আকাশও ২৪ ঘণ্টা পর্যবেক্ষণ ও নিয়ন্ত্রণ করা হয় বলে জানান তিনি।