ঢাকা ০৫:১২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

অভিবাসন নীতিতে ট্রাম্পের দুই উদ্যোগ আটকে গেল আদালতে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০১:১৫:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / 6

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অভিবাসন নীতি একসঙ্গে দুটি বড় আইনি বাধার মুখে পড়েছে। বিদেশি শিক্ষার্থী ও সাংবাদিকদের যুক্তরাষ্ট্রে থাকার মেয়াদ সীমিত করার উদ্যোগ আটকে দিয়েছেন ফেডারেল আদালত। একই সময়ে সরকারি সুবিধা নেয়া অভিবাসীদের গ্রিন কার্ড পাওয়ার ক্ষেত্রে কঠোর বিধি ফেরানোর উদ্যোগের বিরুদ্ধে ২২টি অঙ্গরাজ্য ও ডিস্ট্রিক্ট অব কলাম্বিয়াসহ কয়েকটি শহর ও কাউন্টি মামলা করেছে।

সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা বলছে, সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) যুক্তরাষ্ট্রের একটি ফেডারেল আদালতের বিচারক ট্রাম্প প্রশাসনের এমন একটি উদ্যোগ আটকে দেন, যার মাধ্যমে বিদেশি শিক্ষার্থী ও সাংবাদিকদের ভিসার মেয়াদ বাড়ানোর আবেদন না করে কতদিন যুক্তরাষ্ট্রে থাকতে পারবেন, তার নির্দিষ্ট সীমা বেঁধে দেয়ার কথা ছিল।

একই সময়ে ২২টি অঙ্গরাজ্য ও ডিস্ট্রিক্ট অব কলাম্বিয়াসহ একটি জোট পৃথক একটি ফেডারেল বিধিমালা ঠেকাতে মামলা করেছে। ওই বিধিমালা কার্যকর হলে বৈধভাবে সরকারি বিভিন্ন সুবিধা গ্রহণকারী অভিবাসীদের গ্রিন কার্ডের আবেদন বাতিল করার সুযোগ পেত অভিবাসন কর্তৃপক্ষ।

হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগ (ডিএইচএস) প্রস্তাবিত বিধিমালাটি মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) থেকে কার্যকর হওয়ার কথা ছিল। তবে সোমবার বোস্টনের মার্কিন জেলা আদালতের বিচারক এফ. ডেনিস সেলার চতুর্থ ট্রেড ইউনিয়ন ও উচ্চশিক্ষা বিষয়ক অধিকার সংগঠনগুলোর একটি জোটের করা আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সাময়িক নিষেধাজ্ঞা জারি করেন।

ট্রাম্প প্রশাসনের প্রস্তাব অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য এফ ভিসা এবং যুক্তরাষ্ট্রে সাংস্কৃতিক বিনিময় কর্মসূচিতে অংশ নেয়ার জন্য দেয়া জে ভিসার মেয়াদ সর্বোচ্চ চার বছর করা হতো। অন্যদিকে বর্তমানে কয়েক বছর পর্যন্ত কার্যকর থাকতে পারে এমন সাংবাদিকদের আই ভিসার মেয়াদ কমিয়ে ২৪০ দিন করার প্রস্তাব ছিল।

রিপাবলিকান প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশের নিয়োগ দেয়া বিচারক সেলার বলেন, ভিসা ব্যবস্থায় জাতীয় নিরাপত্তা ও জালিয়াতি ঠেকানোর প্রয়োজনীয়তার কথা বলে ডিএইচএস যে যুক্তি দিয়েছে, তা ‘অত্যন্ত দুর্বল’। তিনি বলেন, বিদ্যমান ব্যবস্থার মাধ্যমে কোটি কোটি গবেষক যুক্তরাষ্ট্রে গুরুত্বপূর্ণ গবেষণা ও উল্লেখযোগ্য অর্থনৈতিক সম্প্রসারণে অবদান রাখার সুযোগ পেয়েছেন। নতুন পদক্ষেপে উচ্চশিক্ষা ও যুক্তরাষ্ট্রের সামগ্রিক অর্থনীতির ক্ষতি ‘বিপর্যয়কর’ হতে পারে বলেও সতর্ক করেন তিনি।

প্রস্তাবিত এই বিধিমালার আওতায় এফ ভিসাধারী প্রায় ১৬ লাখ আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী এবং জে ভিসায় থাকা প্রায় ৫ লাখ বিনিময় কর্মসূচির অংশগ্রহণকারী ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারেন।

এদিকে সোমবার ম্যানহাটনের একটি ফেডারেল আদালতে দুটি মামলা করা হয়েছে। ডিএইচএসের আরেকটি বিধিমালা ঠেকাতেই এসব মামলা করা হয়। ওই বিধিমালা আগামী শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) কার্যকর হওয়ার কথা রয়েছে।

নতুন বিধিমালায় অভিবাসন কর্মকর্তারা কোন পরিস্থিতিতে কোনো আবেদনকারীকে ‘পাবলিক চার্জ’ হিসেবে বিবেচনা করে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ বা স্থায়ী বসবাসের অযোগ্য ঘোষণা করতে পারবেন, সেই মানদণ্ড আরও বিস্তৃত করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। ‘পাবলিক চার্জ’ বলতে ঐতিহাসিকভাবে এমন ব্যক্তিকে বোঝানো হয়, যিনি জীবনধারণের জন্য মূলত সরকারের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়তে পারেন।

নিউইয়র্ক, ক্যালিফোর্নিয়া ও ইলিনয়ের নেতৃত্বে ২২টি অঙ্গরাজ্য এবং ডিস্ট্রিক্ট অব কলাম্বিয়া এই নীতির বিরুদ্ধে জোট গড়েছে। একই নীতি ঠেকাতে ছয়টি শহর ও কাউন্টিও পৃথকভাবে মামলা করেছে।

জো বাইডেনের প্রশাসনের সময়ে গ্রিন কার্ডের আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অভিবাসন কর্মকর্তারা নগদ সরকারি সহায়তা পাওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করতে পারতেন। তবে খাদ্য সহায়তা ও মেডিকেইডের মতো নগদ অর্থ নয়—এমন সরকারি সুবিধা নেয়ার কারণে কাউকে শাস্তি দেয়ার সুযোগ ছিল না।

এখন ট্রাম্প প্রশাসন তার প্রথম মেয়াদের নীতি আবার চালু করতে চাইছে। ওই নীতিতে খাদ্যসহায়তার মতো নগদ অর্থ নয় এমন সরকারি সুবিধা গ্রহণকেও গ্রিন কার্ড পাওয়ার ক্ষেত্রে অযোগ্যতার কারণ হিসেবে বিবেচনা করা হতো। একই সঙ্গে আবেদনকারীর পরিবারের সদস্যরা কী ধরনের সরকারি সুবিধা পেয়েছেন, সেটিও যাচাইয়ের আওতায় আনার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

ডিএইচএসের একজন মুখপাত্র এই বিধিমালার পক্ষে অবস্থান নিয়ে মামলাকারীদের ‘বামপন্থি নেতা’ বলে অভিহিত করেন। তিনি বলেন, ‘হাজার হাজার অবৈধ অভিবাসী ও অ-মার্কিন নাগরিক’ যদি সরকারি কল্যাণমূলক কর্মসূচি থেকে নিজেদের সরিয়ে নেন, তাহলে ফেডারেল তহবিল হারানোর আশঙ্কায় এসব নেতা ‘ভীত’।

এক বিবৃতিতে নিউইয়র্ক সিটির মেয়র জোহরান মামদানি বলেন, এই বিধিমালার লক্ষ্য হলো অভিবাসী পরিবারগুলোকে এমন সব সরকারি কর্মসূচি থেকে দূরে সরিয়ে দেয়া, যেগুলো কয়েক দশক ধরে মানুষকে খাবার ও স্বাস্থ্যসেবা পাওয়ার সুযোগ করে আসছে।

মামলায় বলা হয়েছে, কংগ্রেসকে পাশ কাটিয়ে ট্রাম্প প্রশাসন তার আইনি ক্ষমতার সীমা অতিক্রম করেছে। কারণ স্থায়ী বসবাসের মানদণ্ড নির্ধারণের একমাত্র ক্ষমতা কংগ্রেসের।

মামলাকারীদের দাবি, খাদ্য কুপন ও মেডিকেইডের মতো বৈধভাবে পাওয়া নগদ অর্থ নয় এমন সরকারি সহায়তা গ্রহণের কারণে আবেদনকারীদের শাস্তির আওতায় এনে প্রশাসন একটি বেআইনি বিধিনিষেধ তৈরি করেছে। এটি ফেডারেল আইনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক বলেও দাবি করেছে তারা।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

অভিবাসন নীতিতে ট্রাম্পের দুই উদ্যোগ আটকে গেল আদালতে

আপডেট সময় : ০১:১৫:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অভিবাসন নীতি একসঙ্গে দুটি বড় আইনি বাধার মুখে পড়েছে। বিদেশি শিক্ষার্থী ও সাংবাদিকদের যুক্তরাষ্ট্রে থাকার মেয়াদ সীমিত করার উদ্যোগ আটকে দিয়েছেন ফেডারেল আদালত। একই সময়ে সরকারি সুবিধা নেয়া অভিবাসীদের গ্রিন কার্ড পাওয়ার ক্ষেত্রে কঠোর বিধি ফেরানোর উদ্যোগের বিরুদ্ধে ২২টি অঙ্গরাজ্য ও ডিস্ট্রিক্ট অব কলাম্বিয়াসহ কয়েকটি শহর ও কাউন্টি মামলা করেছে।

সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা বলছে, সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) যুক্তরাষ্ট্রের একটি ফেডারেল আদালতের বিচারক ট্রাম্প প্রশাসনের এমন একটি উদ্যোগ আটকে দেন, যার মাধ্যমে বিদেশি শিক্ষার্থী ও সাংবাদিকদের ভিসার মেয়াদ বাড়ানোর আবেদন না করে কতদিন যুক্তরাষ্ট্রে থাকতে পারবেন, তার নির্দিষ্ট সীমা বেঁধে দেয়ার কথা ছিল।

একই সময়ে ২২টি অঙ্গরাজ্য ও ডিস্ট্রিক্ট অব কলাম্বিয়াসহ একটি জোট পৃথক একটি ফেডারেল বিধিমালা ঠেকাতে মামলা করেছে। ওই বিধিমালা কার্যকর হলে বৈধভাবে সরকারি বিভিন্ন সুবিধা গ্রহণকারী অভিবাসীদের গ্রিন কার্ডের আবেদন বাতিল করার সুযোগ পেত অভিবাসন কর্তৃপক্ষ।

হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগ (ডিএইচএস) প্রস্তাবিত বিধিমালাটি মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) থেকে কার্যকর হওয়ার কথা ছিল। তবে সোমবার বোস্টনের মার্কিন জেলা আদালতের বিচারক এফ. ডেনিস সেলার চতুর্থ ট্রেড ইউনিয়ন ও উচ্চশিক্ষা বিষয়ক অধিকার সংগঠনগুলোর একটি জোটের করা আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সাময়িক নিষেধাজ্ঞা জারি করেন।

ট্রাম্প প্রশাসনের প্রস্তাব অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য এফ ভিসা এবং যুক্তরাষ্ট্রে সাংস্কৃতিক বিনিময় কর্মসূচিতে অংশ নেয়ার জন্য দেয়া জে ভিসার মেয়াদ সর্বোচ্চ চার বছর করা হতো। অন্যদিকে বর্তমানে কয়েক বছর পর্যন্ত কার্যকর থাকতে পারে এমন সাংবাদিকদের আই ভিসার মেয়াদ কমিয়ে ২৪০ দিন করার প্রস্তাব ছিল।

রিপাবলিকান প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশের নিয়োগ দেয়া বিচারক সেলার বলেন, ভিসা ব্যবস্থায় জাতীয় নিরাপত্তা ও জালিয়াতি ঠেকানোর প্রয়োজনীয়তার কথা বলে ডিএইচএস যে যুক্তি দিয়েছে, তা ‘অত্যন্ত দুর্বল’। তিনি বলেন, বিদ্যমান ব্যবস্থার মাধ্যমে কোটি কোটি গবেষক যুক্তরাষ্ট্রে গুরুত্বপূর্ণ গবেষণা ও উল্লেখযোগ্য অর্থনৈতিক সম্প্রসারণে অবদান রাখার সুযোগ পেয়েছেন। নতুন পদক্ষেপে উচ্চশিক্ষা ও যুক্তরাষ্ট্রের সামগ্রিক অর্থনীতির ক্ষতি ‘বিপর্যয়কর’ হতে পারে বলেও সতর্ক করেন তিনি।

প্রস্তাবিত এই বিধিমালার আওতায় এফ ভিসাধারী প্রায় ১৬ লাখ আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী এবং জে ভিসায় থাকা প্রায় ৫ লাখ বিনিময় কর্মসূচির অংশগ্রহণকারী ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারেন।

এদিকে সোমবার ম্যানহাটনের একটি ফেডারেল আদালতে দুটি মামলা করা হয়েছে। ডিএইচএসের আরেকটি বিধিমালা ঠেকাতেই এসব মামলা করা হয়। ওই বিধিমালা আগামী শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) কার্যকর হওয়ার কথা রয়েছে।

নতুন বিধিমালায় অভিবাসন কর্মকর্তারা কোন পরিস্থিতিতে কোনো আবেদনকারীকে ‘পাবলিক চার্জ’ হিসেবে বিবেচনা করে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ বা স্থায়ী বসবাসের অযোগ্য ঘোষণা করতে পারবেন, সেই মানদণ্ড আরও বিস্তৃত করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। ‘পাবলিক চার্জ’ বলতে ঐতিহাসিকভাবে এমন ব্যক্তিকে বোঝানো হয়, যিনি জীবনধারণের জন্য মূলত সরকারের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়তে পারেন।

নিউইয়র্ক, ক্যালিফোর্নিয়া ও ইলিনয়ের নেতৃত্বে ২২টি অঙ্গরাজ্য এবং ডিস্ট্রিক্ট অব কলাম্বিয়া এই নীতির বিরুদ্ধে জোট গড়েছে। একই নীতি ঠেকাতে ছয়টি শহর ও কাউন্টিও পৃথকভাবে মামলা করেছে।

জো বাইডেনের প্রশাসনের সময়ে গ্রিন কার্ডের আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অভিবাসন কর্মকর্তারা নগদ সরকারি সহায়তা পাওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করতে পারতেন। তবে খাদ্য সহায়তা ও মেডিকেইডের মতো নগদ অর্থ নয়—এমন সরকারি সুবিধা নেয়ার কারণে কাউকে শাস্তি দেয়ার সুযোগ ছিল না।

এখন ট্রাম্প প্রশাসন তার প্রথম মেয়াদের নীতি আবার চালু করতে চাইছে। ওই নীতিতে খাদ্যসহায়তার মতো নগদ অর্থ নয় এমন সরকারি সুবিধা গ্রহণকেও গ্রিন কার্ড পাওয়ার ক্ষেত্রে অযোগ্যতার কারণ হিসেবে বিবেচনা করা হতো। একই সঙ্গে আবেদনকারীর পরিবারের সদস্যরা কী ধরনের সরকারি সুবিধা পেয়েছেন, সেটিও যাচাইয়ের আওতায় আনার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

ডিএইচএসের একজন মুখপাত্র এই বিধিমালার পক্ষে অবস্থান নিয়ে মামলাকারীদের ‘বামপন্থি নেতা’ বলে অভিহিত করেন। তিনি বলেন, ‘হাজার হাজার অবৈধ অভিবাসী ও অ-মার্কিন নাগরিক’ যদি সরকারি কল্যাণমূলক কর্মসূচি থেকে নিজেদের সরিয়ে নেন, তাহলে ফেডারেল তহবিল হারানোর আশঙ্কায় এসব নেতা ‘ভীত’।

এক বিবৃতিতে নিউইয়র্ক সিটির মেয়র জোহরান মামদানি বলেন, এই বিধিমালার লক্ষ্য হলো অভিবাসী পরিবারগুলোকে এমন সব সরকারি কর্মসূচি থেকে দূরে সরিয়ে দেয়া, যেগুলো কয়েক দশক ধরে মানুষকে খাবার ও স্বাস্থ্যসেবা পাওয়ার সুযোগ করে আসছে।

মামলায় বলা হয়েছে, কংগ্রেসকে পাশ কাটিয়ে ট্রাম্প প্রশাসন তার আইনি ক্ষমতার সীমা অতিক্রম করেছে। কারণ স্থায়ী বসবাসের মানদণ্ড নির্ধারণের একমাত্র ক্ষমতা কংগ্রেসের।

মামলাকারীদের দাবি, খাদ্য কুপন ও মেডিকেইডের মতো বৈধভাবে পাওয়া নগদ অর্থ নয় এমন সরকারি সহায়তা গ্রহণের কারণে আবেদনকারীদের শাস্তির আওতায় এনে প্রশাসন একটি বেআইনি বিধিনিষেধ তৈরি করেছে। এটি ফেডারেল আইনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক বলেও দাবি করেছে তারা।