ঢাকা ০১:২৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের অসুস্থতা নিয়ে রহস্য

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১২:৩০:২৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / 5

চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং গুরুতর অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন-সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এমন দাবি ছড়িয়ে পড়েছে। দাবি করা হচ্ছে, নয়াদিল্লিতে ব্রিকস সম্মেলনে অংশ নেওয়ার সময় শি জ্ঞান হারান এবং পরে গুরুতর স্ট্রোকে আক্রান্ত হন।

এরপর জরুরি চিকিৎসার জন্য তাকে বিশেষ বিমানে করে বেইজিংয়ে ফিরিয়ে নেওয়া হয় বলেও দাবি করা হয়েছে। তবে এসব দাবির পক্ষে এখন পর্যন্ত কোনো নির্ভরযোগ্য প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

চীন বা ভারত-কোনো দেশের সরকারই শি জ্ঞান হারানো, স্ট্রোকে আক্রান্ত হওয়া, অস্ত্রোপচার বা হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার তথ্য নিশ্চিত করেনি। ভারতের সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে জানিয়েছে, দাবিগুলো করেছেন চায়না ডেমোক্রেসি পার্টির চেয়ারম্যান ওয়ানজুন শিয়ে।

ওয়ানজুন শিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একাধিক পোস্টে দাবি করেন, নয়াদিল্লিতে ১৮তম ব্রিকস সম্মেলনের সময় শি জ্ঞান হারান। তার সঙ্গে থাকা চিকিৎসকেরা তখন জরুরি চিকিৎসা দেন। পরে তাকে বিশেষ বিমানে করে বেইজিংয়ে ফিরিয়ে নেওয়া হয় বলে দাবি করেন তিনি।

ওয়ানজুনের আরও দাবি, বেইজিং পৌঁছানোর পর শিকে সামরিক হেলিকপ্টারে করে পিপলস লিবারেশন আর্মির জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়, যা ৩০১ হাসপাতাল নামেও পরিচিত। সেখানে চিকিৎসকেরা শির গুরুতর ইস্কেমিক স্ট্রোক শনাক্ত করেন এবং পরে তার অস্ত্রোপচার করা হয়। তাকে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে রাখা হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।

তবে ইন্ডিয়া টুডে জানিয়েছে, ওয়ানজুন শিয়ের এসব দাবির কোনোটিই স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। ভারত বা চীনের কোনো সরকারি সূত্রও শির অসুস্থতা বা হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার তথ্য নিশ্চিত করেনি।

গত ১২ সেপ্টেম্বর নয়াদিল্লিতে ১৮তম ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দেন শি জিনপিং। সাত বছর পর এটিই ছিল তার প্রথম ভারত সফর। সম্মেলনের ফাঁকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেন তিনি। বৈঠকে ভারত-চীন সম্পর্ক, সীমান্ত পরিস্থিতি ও বাণিজ্যসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। ভারতের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ও বৈঠকটির বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

সম্মেলনে পশ্চিম এশিয়ার সংঘাতের সমাধানে ব্রিকস দেশগুলোকে ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান শি। তিনি বলেন, চলমান যুদ্ধ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের অভিন্ন স্বার্থের জন্য সহায়ক নয়। একই সঙ্গে তিনি ঘোষণা করেন, আগামী বছর ব্রিকসের সভাপতির দায়িত্ব নেবে চীন এবং ১৯তম ব্রিকস সম্মেলনও চীনে অনুষ্ঠিত হবে।

তবে সম্মেলনের পর ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দেওয়া নৈশভোজে অংশ নেননি শি। ভারত মণ্ডপমে আয়োজিত ওই নৈশভোজে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনসহ ব্রিকসের কয়েকজন নেতা অংশ নেন। শির পরিবর্তে চীনের প্রতিনিধিত্ব করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই। শি কেন নৈশভোজে ছিলেন না, সে বিষয়ে ভারত বা চীন আনুষ্ঠানিক কোনো ব্যাখ্যা দেয়নি। কিছু প্রতিবেদনে বলা হয়, ব্যস্ত দিনের পর বিশ্রামের জন্য তিনি হোটেলে ফিরে যান।

এর আগে সম্মেলনে মোদির বক্তব্যের সময় শির সঙ্গে একটি সংক্ষিপ্ত কথোপকথনও হয়। ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, মোদি চীনের প্রতিনিধিদলের দিকে তাকিয়ে শির উদ্দেশে কিছু বলেন এবং শিকেও তার জবাব দিতে দেখা যায়। পরে মোদি বক্তব্য চালিয়ে যান। শির নৈশভোজে অনুপস্থিতি ও ওই ভিডিওকে কেন্দ্র করেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার স্বাস্থ্য নিয়ে নানা আলোচনা শুরু হয়।

তবে শির সফর শেষে চীনের সরকারি তথ্য দাবিগুলোর সঙ্গে সরাসরি সাংঘর্ষিক একটি তথ্য দিয়েছে। চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, শি ১৩ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় ১৮তম ব্রিকস সম্মেলন শেষে বেইজিংয়ে ফিরে যান। তার সঙ্গে কাই ছি, ওয়াং ইসহ সফরসঙ্গীরাও একই বিমানে দেশে ফেরেন।

চীনা সরকারি বিবৃতিতে শির অসুস্থতা, স্ট্রোক, অস্ত্রোপচার বা হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার কোনো তথ্য উল্লেখ করা হয়নি। ফলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া দাবিগুলো এখনো অযাচাইকৃত দাবি হিসেবেই রয়েছে।

ওয়ানজুন শিয়ে চায়না ডেমোক্রেসি পার্টির চেয়ারম্যান। চীনে নিষিদ্ধ এই সংগঠনটি ১৯৯৮ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। সংগঠনটির সঙ্গে চীনের গণতন্ত্রপন্থী আন্দোলনের কর্মীরা যুক্ত ছিলেন। প্রতিষ্ঠার পরপরই চীনা কমিউনিস্ট পার্টি সংগঠনটিকে নিষিদ্ধ করে এবং কয়েকজন নেতা গ্রেপ্তার ও কারাদণ্ডের শিকার হন। পরে সংগঠনটির কার্যক্রম মূলত চীনের বাইরে থেকে পরিচালিত হতে থাকে।

চায়না ডেমোক্রেসি পার্টি বহুদলীয় সাংবিধানিক গণতন্ত্র, সরাসরি নির্বাচন, ক্ষমতার পৃথকীকরণ, মতপ্রকাশ ও সংগঠনের স্বাধীনতা এবং আইনের শাসনের পক্ষে। সংগঠনটির ঘোষিত নীতির মধ্যে রয়েছে সমৃদ্ধি, ন্যায়বিচার, গণতন্ত্র, স্বাধীনতা, আইনের শাসন ও মানবাধিকার। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের মানবাধিকারবিষয়ক প্রতিবেদন এবং হিউম্যান রাইটস ওয়াচের বিভিন্ন প্রতিবেদনে সংগঠনটির বর্তমান ও সাবেক সদস্যদের ওপর চীনা কর্তৃপক্ষের নজরদারি, আটক ও কারাবন্দির ঘটনাও নথিভুক্ত করা হয়েছে।

এ মুহূর্তে শি জিনপিং স্ট্রোকে আক্রান্ত বা হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন-এমন দাবির পক্ষে কোনো সরকারি নিশ্চিত তথ্য বা স্বাধীনভাবে যাচাই করা প্রমাণ পাওয়া যায়নি। সূত্র: ইন্ডিয়া টুডে

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের অসুস্থতা নিয়ে রহস্য

আপডেট সময় : ১২:৩০:২৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং গুরুতর অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন-সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এমন দাবি ছড়িয়ে পড়েছে। দাবি করা হচ্ছে, নয়াদিল্লিতে ব্রিকস সম্মেলনে অংশ নেওয়ার সময় শি জ্ঞান হারান এবং পরে গুরুতর স্ট্রোকে আক্রান্ত হন।

এরপর জরুরি চিকিৎসার জন্য তাকে বিশেষ বিমানে করে বেইজিংয়ে ফিরিয়ে নেওয়া হয় বলেও দাবি করা হয়েছে। তবে এসব দাবির পক্ষে এখন পর্যন্ত কোনো নির্ভরযোগ্য প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

চীন বা ভারত-কোনো দেশের সরকারই শি জ্ঞান হারানো, স্ট্রোকে আক্রান্ত হওয়া, অস্ত্রোপচার বা হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার তথ্য নিশ্চিত করেনি। ভারতের সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে জানিয়েছে, দাবিগুলো করেছেন চায়না ডেমোক্রেসি পার্টির চেয়ারম্যান ওয়ানজুন শিয়ে।

ওয়ানজুন শিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একাধিক পোস্টে দাবি করেন, নয়াদিল্লিতে ১৮তম ব্রিকস সম্মেলনের সময় শি জ্ঞান হারান। তার সঙ্গে থাকা চিকিৎসকেরা তখন জরুরি চিকিৎসা দেন। পরে তাকে বিশেষ বিমানে করে বেইজিংয়ে ফিরিয়ে নেওয়া হয় বলে দাবি করেন তিনি।

ওয়ানজুনের আরও দাবি, বেইজিং পৌঁছানোর পর শিকে সামরিক হেলিকপ্টারে করে পিপলস লিবারেশন আর্মির জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়, যা ৩০১ হাসপাতাল নামেও পরিচিত। সেখানে চিকিৎসকেরা শির গুরুতর ইস্কেমিক স্ট্রোক শনাক্ত করেন এবং পরে তার অস্ত্রোপচার করা হয়। তাকে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে রাখা হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।

তবে ইন্ডিয়া টুডে জানিয়েছে, ওয়ানজুন শিয়ের এসব দাবির কোনোটিই স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। ভারত বা চীনের কোনো সরকারি সূত্রও শির অসুস্থতা বা হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার তথ্য নিশ্চিত করেনি।

গত ১২ সেপ্টেম্বর নয়াদিল্লিতে ১৮তম ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দেন শি জিনপিং। সাত বছর পর এটিই ছিল তার প্রথম ভারত সফর। সম্মেলনের ফাঁকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেন তিনি। বৈঠকে ভারত-চীন সম্পর্ক, সীমান্ত পরিস্থিতি ও বাণিজ্যসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। ভারতের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ও বৈঠকটির বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

সম্মেলনে পশ্চিম এশিয়ার সংঘাতের সমাধানে ব্রিকস দেশগুলোকে ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান শি। তিনি বলেন, চলমান যুদ্ধ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের অভিন্ন স্বার্থের জন্য সহায়ক নয়। একই সঙ্গে তিনি ঘোষণা করেন, আগামী বছর ব্রিকসের সভাপতির দায়িত্ব নেবে চীন এবং ১৯তম ব্রিকস সম্মেলনও চীনে অনুষ্ঠিত হবে।

তবে সম্মেলনের পর ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দেওয়া নৈশভোজে অংশ নেননি শি। ভারত মণ্ডপমে আয়োজিত ওই নৈশভোজে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনসহ ব্রিকসের কয়েকজন নেতা অংশ নেন। শির পরিবর্তে চীনের প্রতিনিধিত্ব করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই। শি কেন নৈশভোজে ছিলেন না, সে বিষয়ে ভারত বা চীন আনুষ্ঠানিক কোনো ব্যাখ্যা দেয়নি। কিছু প্রতিবেদনে বলা হয়, ব্যস্ত দিনের পর বিশ্রামের জন্য তিনি হোটেলে ফিরে যান।

এর আগে সম্মেলনে মোদির বক্তব্যের সময় শির সঙ্গে একটি সংক্ষিপ্ত কথোপকথনও হয়। ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, মোদি চীনের প্রতিনিধিদলের দিকে তাকিয়ে শির উদ্দেশে কিছু বলেন এবং শিকেও তার জবাব দিতে দেখা যায়। পরে মোদি বক্তব্য চালিয়ে যান। শির নৈশভোজে অনুপস্থিতি ও ওই ভিডিওকে কেন্দ্র করেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার স্বাস্থ্য নিয়ে নানা আলোচনা শুরু হয়।

তবে শির সফর শেষে চীনের সরকারি তথ্য দাবিগুলোর সঙ্গে সরাসরি সাংঘর্ষিক একটি তথ্য দিয়েছে। চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, শি ১৩ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় ১৮তম ব্রিকস সম্মেলন শেষে বেইজিংয়ে ফিরে যান। তার সঙ্গে কাই ছি, ওয়াং ইসহ সফরসঙ্গীরাও একই বিমানে দেশে ফেরেন।

চীনা সরকারি বিবৃতিতে শির অসুস্থতা, স্ট্রোক, অস্ত্রোপচার বা হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার কোনো তথ্য উল্লেখ করা হয়নি। ফলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া দাবিগুলো এখনো অযাচাইকৃত দাবি হিসেবেই রয়েছে।

ওয়ানজুন শিয়ে চায়না ডেমোক্রেসি পার্টির চেয়ারম্যান। চীনে নিষিদ্ধ এই সংগঠনটি ১৯৯৮ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। সংগঠনটির সঙ্গে চীনের গণতন্ত্রপন্থী আন্দোলনের কর্মীরা যুক্ত ছিলেন। প্রতিষ্ঠার পরপরই চীনা কমিউনিস্ট পার্টি সংগঠনটিকে নিষিদ্ধ করে এবং কয়েকজন নেতা গ্রেপ্তার ও কারাদণ্ডের শিকার হন। পরে সংগঠনটির কার্যক্রম মূলত চীনের বাইরে থেকে পরিচালিত হতে থাকে।

চায়না ডেমোক্রেসি পার্টি বহুদলীয় সাংবিধানিক গণতন্ত্র, সরাসরি নির্বাচন, ক্ষমতার পৃথকীকরণ, মতপ্রকাশ ও সংগঠনের স্বাধীনতা এবং আইনের শাসনের পক্ষে। সংগঠনটির ঘোষিত নীতির মধ্যে রয়েছে সমৃদ্ধি, ন্যায়বিচার, গণতন্ত্র, স্বাধীনতা, আইনের শাসন ও মানবাধিকার। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের মানবাধিকারবিষয়ক প্রতিবেদন এবং হিউম্যান রাইটস ওয়াচের বিভিন্ন প্রতিবেদনে সংগঠনটির বর্তমান ও সাবেক সদস্যদের ওপর চীনা কর্তৃপক্ষের নজরদারি, আটক ও কারাবন্দির ঘটনাও নথিভুক্ত করা হয়েছে।

এ মুহূর্তে শি জিনপিং স্ট্রোকে আক্রান্ত বা হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন-এমন দাবির পক্ষে কোনো সরকারি নিশ্চিত তথ্য বা স্বাধীনভাবে যাচাই করা প্রমাণ পাওয়া যায়নি। সূত্র: ইন্ডিয়া টুডে