ঢাকা ১১:০৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কঙ্গোতে বিমান বিধ্বস্ত হয়ে ২ জ্যেষ্ঠ সেনা কর্মকর্তাসহ ১৪ জন নিহত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৮:৪০:৪৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / 3

গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রে (ডি আর কঙ্গা) একটি বেসামরিক সরকারি বিমান বিধ্বস্ত হয়ে ১৪ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে দেশটির দুই উর্ধ্বতন সেনা কর্মকর্তাও আছেন।

তারা হলেন হলেন ডি আর কঙ্গোর সামরিক আদালতের প্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল মোতুম্বো কাতালেই তিয়েন্দে এবং সামরিক বাহিনীর মহাহিসাব নিরীক্ষক লেফটেন্যান্ট জেনারেল বাকুমি লিকুলিয়া।

ডি আর কঙ্গোর সামরিক বাহিনীর মুখপাত্র মেজর জেনারেল ইফোমি একেঙ্গে শনিবার এক বিবৃতিতে বলছেন, গত কাল শুক্রবার ডি আর কঙ্গোর দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় প্রদেশ কুইলুর কিক্বিত শহর থেকে রাজধানী কিনশাসা ফেরার পথে কেঙ্গে শহরের একটি আবাসিক এলাকার ফাঁকা জমিতে উড়োজাহাজটি ভূপাতিত হয়। ভূমিতে আছড়ে পড়ার পর বিমানটিতে আগুন ধরে গিয়েছিল।

আগুনের লেলিহান শিখায় পুড়তে থাকা উড়োজাহাজটির ভিডিও ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। বিবৃতিতে মেজর জেনারেল একেঙ্গে বলেছেন, উড়োজাহাজটিতে থাকা চালক, যাত্রী এবং ক্রুদের সবাই নিহত হয়েয়েছেন।

কী কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটল, তা এখনও জানা যায়নি বলে মার্কিন সংবাদমাধ্যম এপি নিউজকে বলেছেন ডি আর কঙ্গোর বেসামরিক বিমান চলাচল বোর্ডের চেয়ারম্যান ত্রাইফন কিন-কিয়ে মুলুম্বা। অনেকেরই সন্দেহ, এ দুর্ঘটনার জন্য রুয়ান্ডার সমর্থনপুষ্ট বিচ্ছিন্নতাবাদী সন্ত্রাসী গোষ্ঠী এম ২৩ দায়ী। ২০২৫ সাল থেকে এই গোষ্ঠীটির সঙ্গে সংঘাত চলছে কঙ্গোর সামরিক বাহিনীর।

মেজর জেনারেল ইফোমি একেঙ্গে অবশ্য বলেছেন যে দুর্ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখতে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে এবং সেটি কাজও শুরু করেছে।

দুর্বল অবকাঠামোর কারণে আফ্রিকা মহাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম দেশ গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রে বিমান দুর্ঘটনা বিরল নয়। কয়েক বছর আগেও সবচেয়ে বেশি বিমান দুর্ঘটনাপ্রবণ দেশগুলোর তালিকায় ছিল ডি আর কঙ্গো। সূত্র : এপি, এএফপি

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

কঙ্গোতে বিমান বিধ্বস্ত হয়ে ২ জ্যেষ্ঠ সেনা কর্মকর্তাসহ ১৪ জন নিহত

আপডেট সময় : ০৮:৪০:৪৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রে (ডি আর কঙ্গা) একটি বেসামরিক সরকারি বিমান বিধ্বস্ত হয়ে ১৪ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে দেশটির দুই উর্ধ্বতন সেনা কর্মকর্তাও আছেন।

তারা হলেন হলেন ডি আর কঙ্গোর সামরিক আদালতের প্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল মোতুম্বো কাতালেই তিয়েন্দে এবং সামরিক বাহিনীর মহাহিসাব নিরীক্ষক লেফটেন্যান্ট জেনারেল বাকুমি লিকুলিয়া।

ডি আর কঙ্গোর সামরিক বাহিনীর মুখপাত্র মেজর জেনারেল ইফোমি একেঙ্গে শনিবার এক বিবৃতিতে বলছেন, গত কাল শুক্রবার ডি আর কঙ্গোর দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় প্রদেশ কুইলুর কিক্বিত শহর থেকে রাজধানী কিনশাসা ফেরার পথে কেঙ্গে শহরের একটি আবাসিক এলাকার ফাঁকা জমিতে উড়োজাহাজটি ভূপাতিত হয়। ভূমিতে আছড়ে পড়ার পর বিমানটিতে আগুন ধরে গিয়েছিল।

আগুনের লেলিহান শিখায় পুড়তে থাকা উড়োজাহাজটির ভিডিও ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। বিবৃতিতে মেজর জেনারেল একেঙ্গে বলেছেন, উড়োজাহাজটিতে থাকা চালক, যাত্রী এবং ক্রুদের সবাই নিহত হয়েয়েছেন।

কী কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটল, তা এখনও জানা যায়নি বলে মার্কিন সংবাদমাধ্যম এপি নিউজকে বলেছেন ডি আর কঙ্গোর বেসামরিক বিমান চলাচল বোর্ডের চেয়ারম্যান ত্রাইফন কিন-কিয়ে মুলুম্বা। অনেকেরই সন্দেহ, এ দুর্ঘটনার জন্য রুয়ান্ডার সমর্থনপুষ্ট বিচ্ছিন্নতাবাদী সন্ত্রাসী গোষ্ঠী এম ২৩ দায়ী। ২০২৫ সাল থেকে এই গোষ্ঠীটির সঙ্গে সংঘাত চলছে কঙ্গোর সামরিক বাহিনীর।

মেজর জেনারেল ইফোমি একেঙ্গে অবশ্য বলেছেন যে দুর্ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখতে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে এবং সেটি কাজও শুরু করেছে।

দুর্বল অবকাঠামোর কারণে আফ্রিকা মহাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম দেশ গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রে বিমান দুর্ঘটনা বিরল নয়। কয়েক বছর আগেও সবচেয়ে বেশি বিমান দুর্ঘটনাপ্রবণ দেশগুলোর তালিকায় ছিল ডি আর কঙ্গো। সূত্র : এপি, এএফপি